অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদ গঠিত

স্থানীয় সময় ২৮ জুন (বুধবার) এক জুম সভায় অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়। মোহাম্মাদ আবদুল মতিনকে সভাপতি ও ফয়সাল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী পরিষদের নাম ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। কার্যকরী পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- মোহাম্মেদ আসলাম মোল্লা (সিনিয়র সহ-সভাপতি), মোহাম্মাদ রেজাউল হক (সহ-সভাপতি), ড. তারিকুল ইসলাম (সহ-সভাপতি) আতিকুর রহমান (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক), দিলারা জাহান (কোষাধ্যক্ষ), হাজী মোহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক), তাম্মি পারভেজ (সাংস্কৃতিক সম্পাদক) ও মোহাম্মাদ জিয়াউল কবির (মিডিয়া অ্যান্ড কমুনিকেশন সম্পাদক)। কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সদস্যরা হলেন- ড. রতন কুন্ডু, আকিদুল ইসলাম ও নাইম আবদুল্লাহ।

সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মাদ আবদুল মতিন ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, মিডিয়া এখন গোটা পৃথিবীতেই প্রচলিত প্রথা ভেঙে নতুন নতুন কর্মসূচীতে অংশ নিচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় আমরা মিডিয়ার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগকেও ধারণ করেছি। ফলশ্রুতিতে প্রবাসে ও দেশের নানা পেশার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা পালন করছি মানবিক দায়িত্ব। অনুভব করেছি আমাদের সংগঠনকে কাঠামোগতভাবে আরো বৃহত্তর পরিসরে নির্মাণ করতে হবে। তারই ধারাবাহিকতার অংশ হিসাবে আমাদের এই নতুন সংগঠনের স্বপ্ন যাত্রা শুরু।

অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্য ও বাংলাদেশী সাংবাদিকরাও আমাদের নতুন সংগঠনের গর্বিত সদস্য হয়ে দেশে ও প্রবাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহন সহ নানা কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালনের দ্বার উম্মুক্ত হল।

বিগত দিনগুলোর মতই উন্নত দেশ গঠনে বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ভূমিকা, মুক্ত আলোচনা, কমিউনিটি ডায়ালাগ, মতবিনিময় সভা, সেমিনার, গণসংযোগ, আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন, বিভিন্ন দুর্যোগে মানবিক সহযোগিতায় অনবদ্য ভূমিকা ও মানবতার পাশে দাঁড়াবে ‘অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন’।

সিডনিতে অষ্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের উদ্যোগে ঈদের দিন বুধবার সকালে ভার্চুয়াল আলোচনা

করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে এবার অষ্ট্রেলিয়া সহ সারা বিশ্বে ঈদুল আযহা উদযাপনে ভিন্ন রকম আবহ তৈরি হয়েছে। এবারে কোরবানির আয়োজন সীমিত, তেমনি সবাই মিলে নামাজ পড়া বা আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার মতো প্রচলিত রীতিতে দেখা গেছে বড় ধরণের পরিবর্তন। নিউ সাউথ ওয়েলসে ক্রমবর্ধমান করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। ফলে এবার সিডনীতে কোন নামাজের জামাতের আয়োজন করা হয়নি। এমনকি একে অপরের সাথে সৌহার্দ্য বা বাসায় গিয়ে সাক্ষাতের কোন সুযোগ নেই। সরকার কঠোর জরিমানা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যনীতি নিয়ম প্রয়োগের ঘোষনা করেছেন। ফলে অনেকটা চার দেয়ালের মধ্যেই কাটবে কমিউনিটির ঈদ।

বৃহত্তর ক্যাম্বেলটাউন এলাকার অন্যতম বৃহত্তর জামাতের আয়োজক অষ্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার (এএমডব্লিওসি) আগামীকাল ২১ জুলাই (বুধবার) ঈদুল আযহা উদযাপিত করার ঘোষনা দিয়েছে। কিন্তু প্রতিবারের মত ঈদের জামাত এবং কোরবানীর ব্যবস্থা  স্থগিত করা হয়েছে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ড. আনিছুল আফছার জানান, ঈদের দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় জুম  এ্যাপসের মাধ্যমে ঈদের লেকচার বা বয়ান (Substitute of Kutba) এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রায় এক হাজার  কমিউনিটি সদস্য-সদস্যারা এ আলোচনায় সরাসরি অংশগ্রহন করতে পারবেন। পাশাপাশি একে অন্যের সাথে ভার্চুয়াল ঈদের আনন্দ শেয়ার করতে পারবেন।

Meeting date & time: Wednesday, 21 July 2021; 8.30 am to 9.30 am

Meeting ink: https://us02web.zoom.us/j/82003277231?pwd=eWlTd2EwZ05DeDlmenpIU04zdjcvQT09

Meeting ID: 820 0327 7231, Passcode: 944983

Please get ready with Eid dress and join this meeting with your family and friends.

অষ্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত ভার্চুয়াল লেকচার অনুষ্ঠানে বয়ান করবেন হাফেজ ও মাওলানা আবদুল হাদী তানভির। সকলকে পরিবার সহ অংশগ্রহন করার বিনীত অনুরোধ করা হয়েছে। দিন দিন করোনার প্রভাব বাড়ছেই। আল্লাহ তায়ালা সকলকে করোনার প্রভাব থেকে রক্ষা করুন। সকল মুসলিম ভাইদের ঈদ উদযাপন ও মসজিদে নামাজ পড়ার তৌফিক দান করুন। আমিন। ঈদ মোবারক।

পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে সিডনি প্রেস এ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিলের শুভেচ্ছা

পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে সিডনি প্রেস এ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিলের সভাপতি মোহাম্মাদ আবদুল মতিন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ অস্ট্রেলিয়া- বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর সকলের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

এক বার্তায় তারা বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা মহান আল্লাহর প্রতি অপরিসীম আনুগত্যের অনুপম নিদর্শন।এই ঈদ মুসলিম জাতির ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরো সুসংহত করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

তারা আরো বলেন, এইবারও এমন একটি সময়ে ঈদ-উল আযহা উদযাপিত হতে যাচ্ছে যখন সমগ্র বিশ্ব মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রকোপে তটস্থ। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, ধৈর্য্য ও সহনশীলতা অপরিহার্য। ঈদ সবার জন্য আনন্দপূর্ণ ও কল্যাণকর হোক। মহান আল্লাহ্ আমাদের সকলকে ভয়াবহ বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস থেকে হেফাজত করুক।

বাংলাদেশে আটকে পড়া অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে ফেরত আনতে নির্বিকার প্রশাসন

মোহাম্মদ আব্দুল মতিনঃ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনার কারনে বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছেন কয়েক শতাধিক অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশি নাগরিক ও স্থায়ী অভিবাসী। আটকে পড়া নাগরিকরা বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরত আসতে ব্যর্থ হয়েছেন। অন্যদিকে ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন তাদের কার্যক্রম সীমিত করে কোন প্রকার সহযোগিতা না করায় এবং নন কমার্শিয়াল ফ্লাইটের ব্যবস্থা না করার ফলে আটকেপড়ারা নাগরিকরা সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তায় দিনযাপন করছেন।

আজ এই প্রতিবেদকের সাথে টেলিফোনে কথা হয় বাংলাদেশে আটকে পড়া সিডনি প্রবাসি জাকির হোসেন ও মেলবোর্ন প্রবাসি খন্দকার বদরুদোজ্জা বাঁধনের সাথে। তারা বলেন, আমরা ছয় মাসেরও অধিক সময় ধরে বাংলাদেশে আটকে আছি। এদিকেএয়ার লাইনস্ আমাদের ফিরতি ফ্লাইটের ব্যবস্থা না করে টিকেট ক্যানসেল করে দিয়ে শুধু বিজনেস ক্লাসের নতুন টিকেট কেনার অনুরোধ করছে যার মূল্য ৭ থেকে ১০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি ইকোনোমি ক্লাসের ওয়ান ওয়ে টিকেটের মূল্য আড়াই লক্ষ টাকারও অধিক। তারপরও কোন ফ্লাইট সিডিউল দিচ্ছে না।

তারা আবেগ ঘন কণ্ঠে আরো জানান, আমরা আটকেপড়া অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশি ১৯৭ জনের একটি লিস্ট তৈরী করে হোয়াটস আপ গ্রুপ করে জুম মিটিং করেছি। অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন একটি নন কমার্শিয়াল ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলেই আমরা আসতে পারি। তারা জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ান সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী সবাই একত্রে যেতে পারবে না। কিন্তু ভারত থেকে অতি সম্প্রতি পর পর ৪টি ফ্লাইট অস্ট্রেলিয়া গিয়েছে যেখানে প্রতি ফ্লাইটে শতাধিক যাত্রী ছিল। আর এটা সম্ভব হয়েছে তাদের একতা, কমিউনিটি ও উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের কারণেই।

জন্মভুমি টেলিভিশনের কোভিড ক্ষতিগ্রস্থদের মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত

সিডনিতে করোনাকালীন লকডাউনে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় জন্মভুমি টেলিভিশন পরিবারের প্রবাসি বাংলাদেশিদেরকে জরুরি সহায়তা প্রদান ও সিডনিতে বিশেষ ক্ষেত্রে দৈনন্দিন গ্রোসারি সামগ্রির প্যাকেট ও সামান্য অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। টেলিভিশনটির কোভিড সহায়তা প্রজেক্ট কো অডিনেটর কাজী শামসুল আলম এই তথ্য জানিয়েছেন। তবে সপ্তাহে দুদিন রান্না করা টেক এওয়ে খাবার বিতরনের পরিকল্পনা কোভিড স্বাস্থ্য বিধির কারনে বাতিল করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জন্মভুমি টেলিভিশনের পরিচালনা পর্ষদের এক জরুরী অনলাইন সভায় এই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সিডনিতে একটি পিঠামেলার আয়োজনের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ কোভিড পরবর্তী পুনর্বাসনে বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলেও এই অনলাইন সভায় সরবসম্মতি ক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ইনবক্সে যোগাযোগ করা যাবেঃ কাজী শামসুল আলম, কোভিড সহায়তা প্রজেক্ট কো অডিনেটর (০৪৩৩ ৩৮৫ ৩৬৩) আবু রেজা আরেফিন, চেয়ারম্যান জন্মভুমি টেলিভিশন (০৪১০ ২৩৭ ৯৪৪) ডাঃ আসাদ শামস (০৪০২ ৯৬৩ ১৫০) সৈয়দ আকরাম উল্লাহ (০৪৩০ ৮০০ ৪৫৫) নাইম আবদুল্লাহ (০৪১০ ৯৯২ ৯০৫) আশওয়াদুল হক (০৪৩০ ৩৪৯ ৪৮১) সাখাওয়াত হোসেন (০৪৩৪ ৩৯১ ৯৪৯) আবিদা আশওয়াদ (০৪৫২ ৪৩০ ৬৮১) ডঃ সৈয়দ আজীম (০৪১১ ৫১৪ ৮৭৩) ও শিরিন আক্তার (০৪৫০ ৫০৬ ০২৩) ।

কোভিড ক্ষতিগ্রস্থদের মানবিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জন্মভুমি টেলিভিশন

সিডনিতে করোনাকালীন লকডাউনে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় জন্মভুমি টেলিভিশন পরিবার প্রবাসি বাংলাদেশিদেরকে জরুরি সহায়তা প্রদান করবে। জন্মভুমি টেলিভিশনের কার্যকরী পরিষদের এক জরুরী অনলাইন সভায় এই সহযোগিতার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সিডনিতে অধ্যায়নরত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, শরনার্থী সহ বাংলাদেশে যারা এই লক ডাউনে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তাদের ক্ষুদ্র পরিসরে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জন্মভুমি টেলিভিশন পরিবার। টেলিভিশনটির কোভিড সহায়তা প্রজেক্ট কো অডিনেটর কাজী শামসুল আলম জানান, সাময়িক অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ প্রবাসী বাংলাদেশীরা কোন রকম আবেদপত্র ছাড়াই ইনবক্সে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে সহযোগিতা পেতে পারেন। আমরা তাদের পরিচয় গোপন রেখে আপাতত সপ্তাহে দুদিন রান্না করা টেক এওয়ে খাবার, বিশেষ ক্ষেত্রে দৈনন্দিন গ্রোসারি সামগ্রির প্যাকেট ও সামান্য অর্থ সহায়তা পৌঁছে দিবো।

ইনবক্সে যোগাযোগ করা যাবেঃ কাজী শামসুল আলম, কোভিড সহায়তা প্রজেক্ট কো অডিনেটর (০৪৩৩ ৩৮৫ ৩৬৩) আবু রেজা আরেফিন, চেয়ারম্যান জন্মভুমি টেলিভিশন (০৪১০ ২৩৭ ৯৪৪) ডাঃ আসাদ শামস (০৪০২ ৯৬৩ ১৫০) সৈয়দ আকরাম উল্লাহ (০৪৩০ ৮০০ ৪৫৫) নাইম আবদুল্লাহ (০৪১০ ৯৯২ ৯০৫) আশওয়াদুল হক (০৪৩০ ৩৪৯ ৪৮১) সাখাওয়াত হোসেন (০৪৩৪ ৩৯১ ৯৪৯) আবিদা আশওয়াদ (০৪৫২ ৪৩০ ৬৮১) ডঃ সৈয়দ আজীম (০৪১১ ৫১৪ ৮৭৩) ও শিরিন আক্তার (০৪৫০ ৫০৬ ০২৩) ।

সিডনিতে ফোন সার্ভিসিংয়ে নজর কাড়ছেন এক বাঙালি মালিকাধীন স্টোর

হোক না সে অ্যাপল কোম্পানীর আইফোন বা আইপ্যাড কিংবা অ্যান্ড্রোয়োডের যে কোনো মডেলের ফোন বা ট্যাব- যে কোনো ধরনের সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে চলে যেতে পারেন সিডনির ওয়েন্টওয়ার্থভিলের ‘এনিটাইম ফোনস’ স্টোরে । কেননা বাঙালি মালিকানাধীন এই স্টোরে কর্মরত রয়েছেন কয়েকজন অভিজ্ঞ এবং বিচক্ষণ টেকনিশিয়ান ও আইটি এক্সপার্ট। যেমন তাদের স্কিল তেমনি তাদের সুন্দর ব্যবহার সহজেই মানুষকে আকৃষ্ট করে।

টেকনোলজির অভূতপূর্ব সাফল্যের কারণে মানুষের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে অজস্র সব সুবিধা। এর অন্যতম নিয়মক হলো মোবাইল ফোন। আর এই প্রিয় ফোনটিই যদি কোনো কারণে পড়ে গিয়ে ভেঙে যায় বা অন্য কোনো সমস্যা হয় তখন মনের অবস্থা কী হয় একবার ভাবুন তো। এরকম পরিস্থিতিতে যত তাড়াতাড়ি ফোনটি সার্ভিসিং করানো যায় তাতেই মঙ্গল। কিন্তু আপনার প্রিয় ফোনটি কোথায় রিপেয়ারিং করাবেন, নকল পার্টস দিয়ে রিপ্লসমেন্ট করে দেবে না তো, অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে রেখে দেবে না তো- এরকম হাজারো প্রশ্ন জাগে মনের মধ্যে। এসব সংশয়ের অবসান করেছে ‘এনিটাইম ফোনস ওয়েন্টওয়ার্থভিল’ স্টোরটি। তারা অত্যন্ত বিশ্বস্ততা ও নিষ্ঠার সঙে আপনার ডিভাইসটি সার্ভিসিং করে যথা সময়ে ফিরিয়ে দেবে। পার্টসের কোয়ালিটি নিয়ে ভাবছেন? দুশ্চিন্তার দরকার নেই। এখানে সর্বোচ্চ কোয়ালিটি মেইনটেইন করা হয় । আর সঙে তো ওয়ারেন্টি থাকছেই।

এবার কী সার্ভিসিং ফি নিয়ে ভাবছেন? একেবারেই প্রয়োজন নেই কেননা তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে এখানে সকল ধরনের সার্ভিসিং করানো হয়। বারো মাসে তের পার্বণ – এটিই বাঙালির বিশেষত্ব। বছর জুড়ে যেন তাদের উৎসব লেগেই থাকে। আর প্রতিটি উৎসব ঘিরে উপহার আদান-প্রদান করা যেন তাদের কাছে এখন একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে। উপহারটি যদি হয় একটি মোবাইল ফোন তাহলে তো কথাই নেই । এসব বিষয় বিবেচনা করে ‘এনিটাইম ফোনস ওয়েন্টওয়ার্থভিল’ কর্তৃপক্ষ সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করছে আনলক ফোন যা দেশে কিংবা বিদেশে অবস্থানরত প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে দিতে পারবেন।

আর যদি অ্যাক্সেসরিজ যেমন স্ক্রিন প্রোটেকটর কিংবা ফোন কেস কিনতে চান, তাও পাবেন সেখানে। এবং টেকনিশিয়ানের সঙে ফোনের সমস্যা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে সরাসরি ০৪৮০১৫৬২২৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। সিডনি প্রবাসীরা যেমনি ধীরে ধীরে অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার সঙে মিলেমিশে অস্ট্রেলিয়াকে সমৃদ্ধশালী করে চলেছে তেমনি বাঙালি জাতিসত্তাকে করেছে গর্বিত। প্রবাসে এসে বাঙালি জাতির সুনাম যেন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায় সেই লক্ষ্যে ‘এনিটাইম ফোনস ওয়েন্টওয়ার্থভিল’ কর্তৃপক্ষ একটি বিশ্বজনীন নীতি গ্রহন করে অস্ট্রেলিয়ার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেবা খাতকে আরো সমৃদ্ধশালী করতে বদ্ধ পরিকর। এজন্য তারা সকলের সহযোগিতা কামনা করে।

শতদল তালুকদার, সদস্য, সিডনি প্রেস ও মিডিয়া কাউন্সিল।

করোনায় আবারো মানবিক সহায়তা দিবে সিডনি প্রেস এ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিল

করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে আজ থেকে সিডনিতে লকডাউন শুরু হয়েছে। লকডাউনে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় প্রবাসি বাংলাদেশিদেরকে আবারো জরুরি সহায়তা প্রদান করবে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসি লেখক ও সাংবাদিকদের বৃহত্তম সংগঠন ‘সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল’। কাউন্সিলের কার্যকরী পরিষদের এক জরুরী টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এই সহযোগিতার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

সিডনিতে অধ্যায়নরত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, শরনার্থী সহ যারা এই লক ডাউনে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তাদের সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাউন্সিল। এক প্রেস বার্তায় সিডনি প্রেস ও মিডিয়া কাউন্সিলের সভাপতি মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ জানান, সাময়িক অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ প্রবাসী বাংলাদেশীরা কোন রকম আবেদপত্র ছাড়াই টেলিফোনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে সহযোগিতা পেতে পারেন। আমরা তাদের পরিচয় গোপন রেখে পাশে দাঁড়াবো। আমাদের দেওয়া কুপন ব্যবহার করে বাংলাদেশী গ্রোসারী দোকান থেকে তারা নিত্য প্রয়েজনীয় দ্রব্যদি ক্রয় করতে পারবেন।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য মোহাম্মদ আব্দুল মতিন (সভাপতি ০৪৩৩ ৩৪৮ ৮০২) ফয়সাল আহমেদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ০৪৩৩ ২৯৭ ২৪৩) ও হাজী মোঃ দেলোয়ার হোসেন সরকার (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ০৪৩৩ ১৯৬ ৮৬৭) এর সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসি বাংলাদেশিদের ৫০ বছরের ইতিহাসে সর্বপ্রথম গঠিত লেখক ও সাংবাদিকদের বৃহত্তম সংগঠন ‘সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল’ মানবিক সহযোগিতায় অনবদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে।

সিডনিতে আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপযাপন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনি, অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপযাপন করা হয়েছে। গত ২৩ জুন (বুধবার) প্রথম প্রহরে সিডনির গ্রামীণ চটপটি রেস্টুরেন্টে  আওয়ামী লীগ ও সহযোগী-অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের আনন্দঘন উপস্থিতিতে কেক কেটে  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগ,  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি মো. সিরাজুল হক তার বক্তৃতায় বলেন, ২৩ শে জুন বাংলাদেশের জন্য  অবিস্মরণীয় একটি দিন। কেননা আওয়ামী লীগের জন্ম না হলে আমরা আজকের এই স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না। তাই বাংলাদেশের সমগ্র অর্জনের পেছনে আওয়ামী লীগের অবদান অনস্বীকার্য। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগ সিডনি, অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজাদ।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সহ-সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কচি,  সাংগঠনিক সম্পাদক দিদার হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনি, অস্ট্রেলিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ হোসেন ও হাজী দেলোয়ার হোসেন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, কোষাধক্ষ্য মো. আব্দুস সালাম, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি আমিনুল ইসলাম রুবেল ও বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা মো. এনামুল হকসহ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে আত্মপ্রকাশ ঘটে ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের, প্রায় দুই যুগ পর এই দলের শীর্ষনেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।

সিডনি প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিল’র নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠিত

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসি বাংলাদেশি লেখক ও সাংবাদিকদের বৃহত্তম সংগঠন ‘সিডনি প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিল’র নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়েছে। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দেীপনার মধ্য দিয়ে গত ২০ জুন (রবিবার) দুপুরে সিডনির ইঙ্গেলবার্নস্থ দাওয়াত রেস্টুরেন্ট ও ফাংশন সেন্টারে নির্বাচনের মাধ্যমে এ কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়। আগামি ২২ জুন পুরনো কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার দুইদিন আগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই কমিটি গঠন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কাউন্সিলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াতের পর তার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মেদ আব্দুল মতিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।

কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট ও অন্তর্বর্তীকালান কোষাধ্যক্ষ বেলাল হোসেন ঢালী বিগত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনপেশ করেন। এরপর কাউন্সিলের সদস্য এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষক অতিথিগণ বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা ও মতামত পেশ করেন। সর্বসম্মতিক্রমে বার্ষিক প্রতিবেদন ও নতুন পাবলিক অফিসার অনুমোদনের পর বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কার্যকরী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনার অনুরোধ জানান।

দুপুরের খাবারের বিরতির পর অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে নির্বাচন কমিশন ও পর্যবেক্ষক অতিথিগণ মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। জরুরী কাজে নির্বাচন কমিশনার বীর মুক্তিযাদ্ধা মিজানুর রহমান তরুণ দ্বিতীয় পর্ব শুরুর আগে চলে যাওয়ায় নির্বাচন কমিশন ড. তারিকুল ইসলাম ও বীরমুক্তিযাদ্ধা এনায়েতুর রহিম বেলালের কাছে রিটার্নিং অফিসার নাইম আবদুল্লাহ নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের জন্য জমাকৃত মনোনয়নপত্র হস্তান্তর করেন। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করেন ড. রতন লাল কুন্ডু।

উল্লেখ্য যে, সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিলের চলমান সঙ্কটের সুষ্ঠ সমাধানে একটি টিম কাজ করছে। এই সম্মানিত টিমের প্রতি আস্থা রেখে কাউন্সিলের পক্ষ থেকে চারটি পদের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়। ভবিষ্যতে যদি ঐক্যমতে পৌঁছানো সম্ভব হয় তাহলে সমঝোতার ভিত্তিতে এই চারটি পদে মনোয়ন দেয়া হবে। অন্যথায় অপেক্ষমান তালিকা থেকে পদগুলি পূরণ করা হবে।

নির্বাচন কমিটি যাচাই বাছাই শেষে আগামী দুই বছরের জন্য মোহাম্মাদ আব্দুল মতিনকে সভাপতি করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী পরিষদের নাম ঘোষণা করেন। কার্যকরী পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, মোহাম্মেদ আসলাম মোল্লা (সিনিয়র সহ-সভাপতি), মোহাম্মাদ রেজাউল হক (সহ-সভাপতি), ফয়সাল আহমেদ (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক), দিলারা জাহান (কোষাধ্যক্ষ), হাজী মোহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক)। কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সদস্যরা হলেন, ড. রতন লালকুন্ডু, আকিদুল ইসলাম ও নাইম আবদুল্লাহ। এই সময় কাউন্সিলের সদস্য ও অতিথিগণ করতালির মাধ্যমে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের স্বাগত জানান।

নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদেরকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামিলীগের সভাপতি বিশিস্ট আইনজীবি সিরাজুল হক, সাবেক কাউন্সিলর শাহে জামান টিটো, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি রহমত উল্লাহ, অস্ট্রেলিয়ার সর্বদলীয় সামাজিক সংগঠন বিডি হাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খান রতন, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব নিউ সাউথ ওয়েলসের সাবেক সভাপতি ওকেএম ফজলুল হক শফিক ও একই সংগঠনের সাবেক সভাপতি মোবারক হোসেন।

নব নির্বাচিত সভাপতি, সহ-সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আগামী দিনগুলোতে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।