সিডনিতে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

স্থানীয় সময় গত ৮ নভেম্বর (রবিবার) বিকেল চারটায় সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ড. খায়রুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে টেলিফোনের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। আরো বক্তব্য রাখেন এমদাদ হক, নির্মাল্য তালুকদার, ফয়সাল মতিন, মুনীর হোসেন, আইভি রহমান, সৈয়দা তাজমিরা আক্তার, নোমান শামীম, সানজিদা আফরিন সাদিয়া, মহীউদ্দীন কাদের প্রমুখ, বঙ্গবন্ধুর উপর কবিতা আবৃত্তি করে শোনান আবৃত্তিকার আরিফুর রহমান।

আলোচনা সভার শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম কামাল হোসেন বলেন, পচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনী মোস্তাক, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ও তাদের দোসররা রাতের আঁধারে নিষ্ঠুরভাবে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে। সে সময়ে দেশে গণতন্ত্রকে হত্যা করে, রাতের পর রাত কার্ফ্যু জারী করে ঘাতক জিয়া দেশে সামরিকতন্ত্র কায়েম করে। জাতির সেই দুর্দিনে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু কন্যা , আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তারপর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে মানুষের ভোট-ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছেন, জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছেন, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছেন। তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছেন। এস এম কামাল হোসেন তার বক্তৃতায় করোনা মোকাবেলায় মাননীয় প্রধান শেখ হাসিনার সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, সারা পৃথিবী যেখানে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমশিম খেয়েছেন, সেখানে বাংলাদেশে জননেত্রী শেখ হাসিনার সফলভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন এবং করছেন। প্রবাসীদের কাছে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, শেখ হাসিনা হাসলে বাংলাদেশ হাসবে। 

সভায় অন্য বক্তারা বলেন, রাজনীতিতে আদর্শ ও নেতার প্রতি আনুগত্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। পচাত্তরের ৩রা নভেম্বর জাতীয় চার নেতা সর্বশ্রদ্ধেয় সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, তাজউদ্দিন আহমেদ এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামান জীবন দিয়ে দেশ, দল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি তাদের আনুগত্য প্রমান করেছেন। পচাত্তরের পনেরোই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে জেলখানায় হত্যার মূল উদ্দেশ্যই ছিল, যাতে আওয়ামী লীগ আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। বাংলাদেশের বুক থেকে যেন স্বাধীনতার চেতনা মুছে যায়। আজ প্রমাণিত হয়েছে, ঘাতকদের সেই লক্ষ্য ব্যর্থ হয়েছে। আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। প্রবাসে অবস্থান করে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে স্ব স্ব অবস্থান থেকে আমরাও দেশের জন্য কাজ করে যাবো। আলোচনায় বক্তারা জাতীয় চার নেতার জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সভায় অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন পার্টির পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জেলহত্যাকাণ্ডের  নিন্দা জ্ঞাপন করে নিহত জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

 আলোচনা সভার শেষে ল্যাকেম্বায় অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের নতুন অফিসের উদ্বোধন করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ায় বিএনপির ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি (একাংশ) অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা স্থানীয় সময় ৮ নভেম্বর (রবিবার) সিডনির লাকেম্বাস্থ ফাংশন সেন্টারের অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রামী সভাপতি  মো. মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

 বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত সবুজের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্র নেতা বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সিনিয়র সহ সভাপতি কুদরত উল্লাহ লিটন, বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম উদ্দিন আহম্মেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উল ইসলাম তারেক, বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইন্জিনিয়ার মোঃ কামরুল ইসলাম শামীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এএন এম মাসুম, নিউ সাউথ ওয়েলস বিএনপির সভাপতি এসএম রানা সুমন।

আরো বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মৌহাইমেন খান মিশু, বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক জেবল হক জাবেদ, মানবাধিকার সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ,যুবদলের  সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন রাজু, আব্দুল করিম,আব্দুল মজিদ, নূর মোহাম্মদ খান মাসুম, নিউসাউথ ওয়েলস যুবদলের সভাপতি শেখ সাইদ, মতিউর রহমান, জাহিদ আবেদীন,গোলাম রাব্বী শুভ, এম ডি কামরুজ্জামান,জসিম উদ্দিন, কুদ্দুসুর রহমান, নাসির উদ্দিন বাবুল প্রমুখ৷

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই মহান দিনে আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাই, যে চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন, সেই একই চেতনাকে বুকে ধারণ করে খালেদা জিয়াও তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় আবার সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।   

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুদরত উল্লাহ লিটন বলেন, ১৯৭৫ সালে ৭ নভেম্বর না হলে আওয়ামী কখনো আর বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ নামে রাজনীতি করতে পারতো না।                                         

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফ বলেন, বাংলাদেশে আজ কোন গণতন্ত্র নাই মানুষের ভোটাধিকার নাই। তাই দেশনায়ক জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায়  আরেকটি বিপ্লবের অপেক্ষায় ১৭ কোটি জনগন।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস পালন

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়া শাখার উদ্যোগে শনিবার এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেল হত্যা দিবস পালন করা হয়।  বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি মোল্লা মোঃ রাশিদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিনা চৌধুরী মিতার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়ার নতুন কমিটির সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। অতঃপর ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট এবং ৩রা নভেম্বরে শহীদ সকলের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর জেল হত্যা দিবসের প্রেক্ষাপট নিয়ে এক প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী সবাই এই ব্যাপারে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।

এরপর এক তথ্য ও গবেষণামূলক অনলাইন আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিনা চৌধুরী মিতা। তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা করা ছাড়াও বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতার হত্যাকারীদের বিচারের উপর আলোকপাত করেন।

মোল্লা মোঃ রাশিদুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিকতায় একুশে পদক প্রাপ্ত রনেশ মৈত্র, ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ড. সানিয়াত ইসলাম, মেলবোর্ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. মাহবুবুল আলম, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়ার উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার সালেক সুফী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল হক, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাকিল খান, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রশীদা হক কনিকা, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতি এডভোকেট মশিউর মালেক, সংগঠনের সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার নির্মাল্য তালুকদার, সহ-সভাপতি রাশিদুর রহমান তানভীর, বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার ব্রাসেলস এর কো-অর্ডিনেটর জনাব বজলুর রশীদ বুলু, মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ফেলো ড. সজল চৌধুরী, মোঃ রাশেদুজ্জামান, ফাহাদ চৌধুরী, ওয়াসিফ বিন আব্দুল আজিজ, জিনাতুর রেজা খান, ফ্রেন্ডস অফ বাংলাদেশ, রিয়াদ শাখার সভাপতি ড. রেজাউল। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি ইশরার উসমান, নিউ সাউথ ওয়েলস আওয়ামী লীগ নেতা হাসান ফারুক রবিন শিমুন, মাসুদুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান, নুসরাতসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন কুয়েত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দ্বীন ইসলাম মিন্টু। অংশগ্রহণ করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের ইতি টানেন সভাপতি মোল্লা মোঃ রাশিদুল হক।

মানবিকতার পুরস্কার পাচ্ছে সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল

অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশি লেখক ও সাংবাদিকদের সংগঠন সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল মানবিক সহযোগিতায় ভূমিকা পালন করায় কোভিড-১৯ সম্মাননা পুরস্কার পাচ্ছে। আগামী ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় এমিচি ডি কোগারাহ ফাংশন সেন্টারে  অনুষ্ঠিতব্য ‘হিরোস এ্যাওয়ার্ড এন্ড গালা ডিনার নাইট অনুষ্ঠানে নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেয়া হবে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টের সরকারদলীয় এমপি ও সহকারী স্পিকার মার্ক কৌর এবং ইস্ট হিলস এলাকার সরকারদলীয় এমপি উওয়েন্ডি লিন্ডসেসহ প্রায় ১৫০ জন অতিথি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। মোট ১২ টি সংগঠনকে এই সম্মাননা দেয়া হবে। অনুষ্ঠানের কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করছেন ক্যান্টারবারি-ব্যাংকস টাউন সিটি কাউন্সিলের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ শাহে জামান টিটু।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে চাকরিচ্যুত অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি শরণার্থী ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বিদেশি শিক্ষার্থীদের জরুরি সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করে সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল। এছাড়াও করোনাভাইরাস থেকে নিরাপদে থাকার জন্য বাংলাদেশের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে সংগঠনটি।

অন্যদিকে, করোনাভাইরাস ইস্যুতে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যায়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিশেষ সহায়তার জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে এই সংগঠনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিশেষ কয়েকটি সুযোগ সুবিধার কথা ঘোষণা করেছে।

বিশ্বভরা প্রাণ এর অভানীয় সাংস্কৃতিক আয়োজন

শতদল তালুকদার: মন মাতানো গান, হৃদপিণ্ড কাপানো কবিতা, নিত্য আর নানা বর্ণের আয়োজন নিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  ‘হৃদয়জুড়ে বিশ্বভরা প্রাণ’  এর ৪র্থ পর্ব  অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বিশ্বভরা প্রাণ  অস্ট্রেলিয়া সিডনি শাখার আয়োজনে অনলাইন ভিত্তিক এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিশ্বভরা প্রাণ এর অস্ট্রেলিয়া সিডনি শাখার সারথিরা। রঙ-ঢঙ সাজসজ্জা আর কবিতা সহ নানা আয়োজনে বর্ণিল হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠান মালা।

দর্শক শ্রোতা আর আয়োজকদের কথামালায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। আয়োজকদের আরো বেশি উৎসাহ যোগাতে এর সাথে যোগ হয় দর্শকদের মনমুগ্ধকর কমেন্টস।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শাখার সভাপতি দেবী সাহা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিশ্বভরা প্রাণ এর কর্ণধার ও বিপিটিভি উপস্থাপক জাহান বশীর। তার মনমুগ্ধকর উপস্থাপনা ও দেবী সাহার আবৃত্তির পরপরই শীর্ষা দত্তের নৃত্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা।

দ্বৈত পরিবেশনায় ছিলেন সন্দীপ ও বিদিশা। দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয় ছোঁয়ার মতো কবিতা আবৃত্তি করেন বিদিশা, শ্রেয়সী দাস, সিনথিয়া রহমান ,সন্দীপ কাঞ্জিলাল ও দেবী সাহা। সংঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী জ্যোতি বিশ্বাস, ডাঃমিহির কুমার হালদার,প্রিয়াঙ্কা রায়,শুক্লা ভক্ত,বিলু সিদ্দিকী,তবলায় শুভাশীষ কর্মকার । আর নৃত্য পরিবেশন করেন মৌতুলি পুততুন্ড।সর্বশেষে মঞ্চ কাঁপিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে দিলেন সঞ্চালক জাহান বশীর, হেমন্ত কন্ঠী ডাঃমিহির কুমার হালদার এবং সিডনী অস্ট্রেলিয়া শাখার সভাপতি বাচিক শিল্পী দেবী সাহা।

সিডনিতে ইসলামী বার্তার ডিজিটাল মিডিয়া স্টুডিও’র উদ্বোধন

গত ১ নভেম্বর (রবিবার) সিডনির সেন্ট মেরিসে ইসলামী বার্তার ডিজিটাল মিডিয়া স্টুডিও উদ্বোধন করা হয়। প্যান-প্যাসিফিক ভীষণ ইনকর্পোরেটেড-এর একটি প্রজেক্ট ইসলামী বার্তার এই স্টুডিও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসীদের মাঝে ইসলাম প্রচার ও সমাজসেবামূলক কাজের জন্য সুপরিচিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন ইসলামিক প্র্যাকটিস ও দাওয়াহ সার্কেলের সহযোগিতায় প্যান-প্যাসিফিক ভিশন বিগত বছরগুলোতে গণমাধ্যম, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ইসলামের সুমহান আদর্শকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

স্টুডিও উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানের সূচনায় স্বাগত বক্তব্যে প্যান-প্যাসিফিক ভীষণের চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক প্র্যাকটিস এন্ড দাওয়াহ সার্কেলের নিউ সাউথ ওয়েলস শাখার মিডিয়া সেক্রেটারী বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সাদেক আহমেদ জানান, নানা প্রতিকূলতা স্বত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট মানুষদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ইসলামী বার্তা ধীরে ধীরে বর্তমানের অবস্থানে এসে পৌছেছে। ডিজিটাল মিডিয়া স্টুডিওটি ওয়েবসাইটের মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে আইপিটিভি বাস্তবায়নের যাত্রাপথে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

ইসলামী বার্তার উপদ্ষ্টো এবং চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিবলী সোহায়েলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় অংশ নেয়া অতিথিবৃন্দের মাঝে ছিলেন অস্ট্রেলেশিয়ান মুসলিম টাইমস পত্রিকার সম্পাদক জিয়া আহমেদ, চ্যারিটি রাইট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান ডা. নাঈম ইসলাম, ইসলামিক প্র্যাকটিস এন্ড দাওয়াহ সার্কেলের সেন্ট্রাল প্রেসিডেন্ট ড. রফিকুল ইসলাম, সংগঠনটির সেন্ট্রাল ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মনির হোসাইন, প্রাক্তন এনএসডব্লিউ প্রেসিডেন্ট আবদুল গণি, সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিলের সেক্রেটারী আবদুল মতিন, সুপ্রভাত সিডনি পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আবদুল্লাহ ইউসুফ শামীম, পত্রিকাটির সম্পাদক ড. ফারুক আমিন, সিডনি প্রবাসী সাংবাদিক নাইম আবদুল্লাহ, সামাজিক ব্যক্তিত্ব রাশেদ খান প্রমুখ।

ইসলামী বার্তা ওয়েবসাইটটি বিগত তিন বছর যাবত নিয়মিত ইসলামী তথ্যকণিকা, সংবাদ, প্রবন্ধ, প্রশ্নোত্তর এবং নানা ভিডিও অনুষ্ঠান প্রকাশ করে আসছে। পাঠক সমাদৃত ওয়েবসাইটটি ইসলামী জ্ঞান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে ডিজিটাল কন্টেন্টস তৈরির উপর আরো জোর দেয়ার পরিকল্পনা করছে বলে আলোচক বৃন্দরা জানান। তারা বলেন, এ লক্ষ্যেই উন্নতমানের ভিডিও তৈরির সুবিধার্থে অত্যাধুনিক চলচ্চিত্র ও শব্দ ধারণের সুবিধাসম্পন্ন এ ডিজিটাল মিডিয়া স্টুডিওটি স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়ার অস্ট্রেলিয়ায় জাতি-বর্ণ-সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল ঘরানার ও প্রেক্ষাপটের মুসলিম কমিউনিটির নানা সংগঠন এবং সক্রিয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বগণ ইসলামী বার্তার সাথে সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় এ স্টুডিওটি ব্যবহার করে নিজেদের জন্যও ভিডিও কন্টেন্টস তৈরির সুযোগ পাবেন বলে আয়োজকরা জানান।

আলোচনা অনুষ্ঠানে ‘ইসলামে গণমাধ্যমের গুরুত্ব’ শীর্ষক সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন সেন্ট মেরিস মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও ইসলামী বার্তার প্রধান সম্পাদক শায়খ মুহাম্মদ আবু হুরায়রা। মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সেক্রেটারি ও ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর আতাউর রহমান তাঁর বক্তব্যে মসজিদ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা দিয়ে ইসলামী বার্তার সাথে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্যান প্যাসিফিক ভিশনের প্রধান পরিচালক প্রকৌশলী ইরতাজ আহমেদ তাঁর সমাপনী বক্তব্যে সকল পৃষ্ঠপোষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানান। আলোচনা সভা শেষে ডা. সাদেক আহমেদ সেন্ট মেরি’স মসজিদ কম্পাউন্ডে অবস্থিত ডিজিটাল মিডিয়া স্টুডিওটির উদ্বোধন করেন। এসময় প্যান প্যাসিফিক ভিশন ও ইসলামী বার্তার সকল পরিচালক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, অত্যাধুনিক আলোকনিয়ন্ত্রণ, শব্দগ্রহণ এবং চলচ্চিত্রধারণ ব্যবস্থা, শব্দশোষণ প্রযুক্তি সহ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারের এডিটিং প্যানেল সম্বলিত স্টুডিওটির মাধ্যমে ইসলামী বার্তা কর্তৃপক্ষ নানা গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক প্রসঙ্গে বিশিষ্ট আলেম এবং শিক্ষাবিদদের অংশগ্রহণে আয়োজিত টকশো, সাক্ষাতকার, আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি অনুষ্ঠান রেকর্ড করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

বাসভূমিতে ন্যান্সী কন্যার অভিষেক

অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক বাংলা অনলাইন টেলিভিশন বাসভূমি করোনাকালে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের খ্যাতিমানদের নিয়ে নানা ধরণের অনুষ্ঠান প্রচার করে দেশে ও প্রবাসে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এবার বাসভূমি দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে একটি নতুন চমক। দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ন্যান্সী কন্যা রোদেলা প্রথমবারের মত একক গান ও আড্ডায় অংশ নিতে আসছে বাসভূমিতে। আগামী ৮ নভেম্বর রোববার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪ টায় এবং অস্ট্রেলিয়া সময় রাত ৯ টায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে। লাইভ দেখা যাবে বাসভূমির ফেসবুক পেজে এবং ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে বাসভূমি কর্ণধার আকিদুল ইসলাম বলেন, ন্যান্সী দেশের একজন মেধাবী ও গুণী শিল্পী। বাংলা গানে তার মেয়ের অভিষেক একটি বড় ঘটনা ও ইতিহাস। সেই ইতিহাসের অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত।

শিশু শায়ানকে বাঁচাতে আপনার সহায়তার প্রয়োজন

লায়ন্স ক্লাব অফ সিডনি সাউথ শাপলা শালুক ইনক দেশে অসুস্থ চার মাসের শিশু শায়ানের চিকিত্সার জন্য উদারভাবে অনুদানের জন্য আবেদন জানিয়েছে।

শিশুটির জন্মগতভাবে পিত্তথলি না থাকায় সে পিত্তনালীর অ্যাট্রেসিয়ায় ( Biliary atresia with congenital absence of gall bladder) ভুগছে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে তাঁর জীবন বাঁচানোর একমাত্র উপায় হলো লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা। এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং শিশু শায়ানের দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এই ব্যয়ভার বহন করা সম্ভবপর নয়। তাই দেশ বিদেশের সহৃদয় ব্যক্তিবর্গকে মানবিক ভিত্তিতে শাপলা শালুক লায়ন্স ক্লাব তাদের নীচের অ্যাকাউন্টে শায়নের জন্য উদারভাবে দান করার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেঃ শাপলা শালুক লায়ন্স ক্লাব, কমনওয়েলথ ব্যাংক, বিএসবি ০৬২২৫২ অ্যাকাউন্ট নম্বর: ১০১৭৫৪৭১ সুইফট কোডঃ সিটিবিএএইউ২এস।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য লায়ন্স ক্লাব অফ সিডনি সাউথ শাপলা শালুক ইনক এর সভাপতি ডাঃ মইনুল ইসলামের সাথে ০৪০৩ ১১৪ ১৭৯ এ যোগাযোগ করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত লায়ন্স ক্লাব অফ সিডনি সাউথ শাপলা শালুক ইনক অস্ট্রেলেশিয়ায় একমাত্র বাংলাদেশী লায়ন ক্লাব যারা বিগত বছরগুলোতে সিডনি ও বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস উপলক্ষে ভার্চুয়াল স্মরণসভা

শতদল তালুকদারঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়াতে এক ভার্চুয়াল স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। শনিবার (১৭ অক্টোবর) জুম অ্যাপের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া। 

১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের টিভি রুমের ছাদ ধসে ৪০ জন শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও অতিথির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ দিনটিকে ঢাবি শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নিরব প্রার্থনা করা হয়। এরপর ভক্তিগীতি ও কোরাস গেয়ে ওই ঘটনার তাৎপর্য ফুঁটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। সংগীত পরিবেশন করেন নির্মল চৌধুরী, জ্যোতি বিশ্বাস, পলাশ বসাক, অদিতি রাউথ ও বর্ণালী রায়। এরপর উপস্থিত বক্তারা ঢাবি শোক দিবসের ইতিহাস ও কার্যকারণ নিয়ে আলোচনা করেন।

আশীষবরণ রায়ের সভাপতিত্বে এবং তুষার রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মো. আকখারুজ্জামান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্যানবেরাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাননীয় হাইকমিশনার মোহম্মদ সফিউর রহমান। আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাবির জগন্নাথ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিবৃন্দ।

সিডনিতে খুন হয়েছেন বাংলাদেশী তরুণী

গত ১৪ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ভোরে সিডনির ওয়েন্টওয়ার্থভিল সাবার্বে সাবাহ হাফিজ (২৩) নামে এক বাংলাদেশী তরুণীর হস্যজনক মৃত্যু হয়। নিহত সাবাহ বাংলাদেশী বংশদ্ভুত তরুণী বলে এসবিএস বাংলা জানিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ঐদিন ভোর রাত ২ টা ৪০ মিনিটে সাবাহ’র এপার্টমেন্টের প্রতিবেশীরা এমারজেন্সীতে কল করলে প্যারামেডিকরা এসে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও মারাত্মক জখমের কারনে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

সাবাহ অস্ট্রেলিয়া মূলধারার মডেলিং ও অভিনয় পেশার সাথে জড়িত ছিলেন বলে সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। ওয়েন্টওয়ার্থভিলের একই এপার্টমেন্টে সাবাহ তাঁর স্বামীর সাথে থাকতেন।

পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার সিডনির মারুব্রা থেকে নিহতের স্বামী এডাম কিইরটনকে গ্রেফতার করেছে। ডিটেক্টিভ এক্টিং সুপারইনটেন্ডেন্ট সাইমন গ্ল্যাসার জানান, পুলিশের ধারনা সাবাহকে প্রচন্ড প্রহার করা হয়েছে, তবে কি ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে তা জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে বিশেষ স্ট্রাইক ফোর্স গঠন করেছে।