নূরুল আজাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভার্চুয়াল স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা পত্রিকা ‘স্বদেশ বার্তা’র প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি নূরুল আজাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এক ভার্চুয়াল স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিডনি থেকে আয়োজিত এই স্মরণ সভায় প্রথিতযশা ব্যক্তিগণ অংশগ্রহণ করেন। যাদের প্রত্যেকেই কীর্তিমান নূরুল আজাদের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা করেন।

বিশেষ করে নূরুল আজাদের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।এ সময় মরহুমের জ্যেষ্ঠ সন্তান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনি, অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজাদ তাঁর বাবার যাপিত-জীবন সম্পর্কে আলোচনা করেন। ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর কীর্তিমান নূরুল আজাদের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সে কথাই ব্যক্ত করেন আলোচকগণ।

নূরুল আজাদের জ্যেষ্ঠ সন্তান ফয়সাল আজাদ বলেন, বাবার বহুমাত্রিক গুণের কথা ভেবে আমি নিজেই অবাক হই! একজন মানুষ কি করে এত গুণ গুণান্বিত হতে পারেন। তিনি একাধারে সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বোধ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন। তিনি আরও বলেন, আমার বাবা নূরুল আজাদ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সভাপতি। তিনি সারাজীবন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের প্রচার ও প্রসার করে গেছেন। এ সময় তিনি তাঁর বাবার সমাজ কল্যাণমূলক সকল কাজকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান।

ভার্চুয়াল এই স্মরণ সভার আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন,  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির সভাপতি গাউসুল আলম শাহাজাদা, বঙ্গবন্ধু পরিষদ সিডনির সভাপতি রতন কুণ্ডু, বাসভূমি টেলিভিশনের কর্ণধার আকিদুল ইসলাম, বিডি হাব-এর সভাপতি আবুল সরকার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম রতন, ‘স্বদেশ বার্তা’ পত্রিকার সাবেক প্রধান সম্পাদক লুৎফুর রহমান শাওন, বিএনপি নেতা একেএম হক, অস্ট্রেলিয়া প্রেস এন্ড মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি মো. রহমতুল্লাহ, লেখক ও সাংবাদিক আবু আবদুল্লাহ, সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল-এর সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, বিশিষ্ট গবেষক ড. মাসুদুল হক, রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ অ্যাসোসিয়েশের সাধারণ সম্পাদক রাসেল ইসলাম, জন্মভূমি টেলিভিশনের কর্ণধার আবু আরেফিন,  ‘প্রভাত ফেরী’ পত্রিকার সম্পাদক আতিকুর রহমান, ড. রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মেলবর্নের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা হক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির সহ-সভাপতি নির্মল কস্তা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ হোসেন ও হাজী দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির সাংগঠনিক সম্পাদক আইজিদ আরাফাত অরূপ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুস সালাম, বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি, অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুদ্দিন ইফতু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার নেতা মঞ্জু তালুকদার,  সাবেক কাউন্সিলর শাহে জামান টিটু, ক্যাম্বেলটাউনের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, নূরুল আজাদ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিয়া, মনপুরা বাতাবাড়িয়া জাফর আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফা, ১৩৭ নং বাতাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল জলিল, মরহুম নূরুল আজাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মো. আবদুস সোবহান, লিটন ভূইয়া ও মো. একেএম হক, মরহুমের ফুফাতো ভাই মোহাম্মদ কফিলুদ্দিন সরকার সহ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) মরহুমের জন্মভূমি চাঁদপুরের কচুয়ায় তাঁরই প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘নূরুল আজাদ কলেজ’, মনপুরা বাতাবাড়িয়া জাফর আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও ১৩৭ নং বাতাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া গত শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা  নূরুল আজাদের প্রতিষ্ঠিত হাজী ফাতেমা জামে মসজিদ ও কচুয়ার বিভিন্ন মাদ্রাসা-এতিমখানায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় মুসল্লী ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে তোবারক বিতরণ করা হয়। ( প্রেস বিজ্ঞপ্তি)  

আজ স্বদেশ বার্তা’র প্রতিষ্ঠাতা নূরুল আজাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা পত্রিকা ‘স্বদেশ বার্তা’র প্রতিষ্ঠাতা নূরুল আজাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী।

কীর্তিমান নূরুল আজাদ ২০১৬ সালের এই দিনে পরলোক গমন করেন। তিনি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বাঙালি কমিউনিটির প্রিয় মুখ ও প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সমাজের অন্যতম অভিভাবক।

তিনি ব্যক্তি জীবনে সৎ, নির্লোভ বহুমাত্রিক কৃতিত্বের অধিকারী একজন আলোকিত মানুষ ছিলেন। যিনি সারা জীবন অসহায় মানুষ ও সমাজের জন্য নিরবে-নিভৃতে কাজ করে গেছেন। সমাজকে আলোকিত করার এক মহাকর্মযজ্ঞে তিনি ব্যস্ত থেকেছেন সারাটি জীবন। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী আলোকিত মানুষটির ছিল সব শ্রেণির মানুষকে আপন করে নেয়ার অসাধারণ গুণ । খোলা মনে তিনি সকলের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন।

এই মহান মানুষের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে মরহুমের জন্মস্থানের মানুষের আয়োজনে স্মরণ সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মরহুমেরই প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘নূরুল আজাদ কলেজ’, মনপুরা বাতাবাড়িয়া জাফর আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও ১৩৭ নং বাতাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হবে।

মরহুম ‘নূরুল আজাদ ছিলেন চাঁদপুরের ক্ষণজন্মা পুরুষ, যার মধ্যে দেশপ্রেম ও শিক্ষাপ্রীতি ছিলো অসামান্য। তিনি তাঁর জীবনকে ব্যয় করেছেন মানবতার সেবায়, তাকে ‘স্বদেশ বার্তা’ পরিবার গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে।

নূরুল আজাদের জ্যেষ্ঠপুত্র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনি, অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজাদ বাবার স্মৃতিচারণ করতে যেয়ে বলেন, ‘আমার বাবা সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আজীবন বুকের মাঝে ধারণ করেছেন এবং মাতৃভূমির জন্য সারাজীবন সাধ্যমত কাজ করে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বাংলাদেশে ও অস্ট্রেলিয়ায় স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া তিনি তাঁর পিতার জন্য সবার নিকট দোয়া চেয়ে অনুরোধ করেছেন।

নূরুল আজাদের জীবন ও কর্ম: চাঁদপুরের কচুয়ায় জন্ম নেয়া মরহুম নূরুল আজাদ অস্ট্রেলিয়াতে পাড়ি জমিয়ে শুরু করেছিলেন রেস্টুরেন্ট ব্যবসা। যাত্রা শুরু করার পর আর তাঁকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে গেছেন শীর্ষ পর্যায়ে। সোনার হরিণের খোঁজে অস্ট্রেলিয়া পাড়ি জমানো স্বদেশীদের কর্মসংস্থানেও সবার প্রিয় এ ‘নূরুল আজাদ ভাই’ ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক।

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসের পরে তিনি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়া’-কে সুসংগঠিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি  আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ মেলা যাত্রা শুরু করে। প্রতি বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন গুণী শিল্পীদের নিয়ে তিনি এ মেলা উদযাপন করতেন। খেলাধুলার প্রতি ছিল তার অন্য রকম ভালোবাসা। নিজে অংশগ্রহণ করে পরবর্তীতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে প্রতি বছর কৃতি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন, যা বর্তমানে ‘নূরুল আজাদ গোল্ডকাপ’ নামে পরিচিত।

অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলা ভাষার প্রথম পত্রিকা ‘স্বদেশ বার্তা’ প্রকাশ করেন তিনি। ১৯৯৯ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর আমন্ত্রণে অস্ট্রেলিয়া সফর কালে তাঁর হাতেও ‘স্বদেশ বার্তা’ পত্রিকা তুলে দেন । ‘কচুয়া ফাউন্ডেশন ঢাকা’ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান পৃষ্টপোষকও তিনি। নিজ উপজেলায় প্রায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় তাঁর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি একাধারে গরীব-দুঃখী মানুষের আপনজন ও সমাজসেবক হিসেবে সবার কাছে খুবই প্রিয়জন ও পরিচিত ছিলেন। নূরুল আজাদ ছিলেন কচুয়া উপজেলার একটি নাম, একটি প্রতিষ্ঠান, একটি সংগঠন, একজন সমাজ সেবক সবার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাত্র হিসেবে নিজেকে শীর্ষে পৌছে নিয়ে গিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাঙালি তথা নিজ জন্মভূমির মানুষের মধ্যে যে শূণ্যতা তৈরি করে গেছেন তা আজও অপূরণীয়।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস ও করোনামুক্ত বিশ্ব কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন স্থানীয় সময় আজ ১৪ আগষ্ট (শনিবার) সন্ধ্যা ৭ টায় সিডনিতে জাতীয় শোক দিবস ও করোনামুক্ত বিশ্ব কামনায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে এক বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

এছাড়াও সিডনিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণকারী মোঃ আসাদুস জামান সহ দেশ ও প্রবাসে করোনায় আক্রান্তদের দ্রুত আরোগ্য লাভ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে এই দোয়া করা হয়। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মাদ আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মেদ আসলাম মোল্লার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবনের উপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মোফাসসিরে কুরআন ডঃ মুফতী মাওলানা মুহাম্মাদ কফীলুদ্দীন সরকার সালেহী (গভর্নর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, অধ্যক্ষ, ঢাকা নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা, খতিব- আমিনবাগ জামে মসজিদ-ঢাকা)।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সদস্য ছাড়াও সিডনি প্রবাসি কমিউনিটির সিনিয়র ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশাজীবীরা এই দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

সিডনিতে কোভিড কেড়ে নিলো একজন বাংলাদেশীর প্রান

স্থানীয় সময় গত ১ অগাস্ট (রবিবার) বিকাল সোয়া চার টায় সিডনির হোলসওরদ্ধি নিবাসী প্রবাসী বাংলাদেশী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (৯৬) লিভারপুল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্নাহ ইলেইহে রাজেউন)। গত ৩ অগাস্ট নারেলেন কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

মরহুমের ছেলে মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানান, তার বাবা গত ২০ জুলাই (মঙ্গলবার) তার হোলসওরদ্ধি বাসায় হঠাৎ চেয়ার থেকে পরে গিয়ে বমি করলে তাকে দ্রুত লিভারপুল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর তার বাবার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পরলেও কোভিড পরীক্ষায় নেগেটিভ আসে। হাসপাতালে ভর্তির পর তার ফুসফুসের সংক্রমণ কমে গেলে গত শুক্রবার দুপুরে তার বাবাকে এজ কেয়ার সেন্টারে স্থানন্তরিত করা হয়। দুর্বলতা কমে গেলে সোমবার তাকে বাসায় নিয়ে যেতে পারবে বলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা জানান।

মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান আরও জানান, গত ২৬ জুলাই (সোমবার) সকাল ১০ টায় ডাক্তাররা ফোনে তার বাবার কোভিড ধরা পরায় হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান। অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে পরবর্তীতে সিঙ্গেল রুমে রেখে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। মরহুমের মৃত্যুর পর গত ৩ অগাস্ট (মঙ্গলবার) সকাল ১০ টায় হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ পুলিশের মাধ্যমে ল্যাকাম্বায় ফিউনারেল সেন্টারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মরহুমের বাড়ি বাংলাদেশের পাবনায়। তিনি গত ৯৬ সাল থেকে সস্ত্রীক সিডনিতে বসবাস করছিলেন। ৫ বছর আগে মরহুমের স্ত্রী মৃত্যুবরন করলে তাকেও নারেলেন কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। সিডনিতে মরহুম মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের দুই ছেলে এবং এক মেয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। তারা বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের মৃত্যুতে স্থানীয় কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক সংতপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার আগামী শুক্রবার জুম্মায় নামাজের সময় ভার্চুয়াল দোয়ার আবেদন করবে বলে জানিয়েছেন সেন্টারটির সাধারণ সম্পাদক ডঃ আনিসুল আফসার। অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনও দোয়ার আবেদন করবে বলে সংগঠনটির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।  

করোনা মুক্তি কামনায় সিডনিতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্থানীয় সময় আজ ৬ আগষ্ট (শুক্রবার) রাত ৯ টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে সিডনি প্রবাসি মাহমুদ তিতাস ও অন্যান্য করোনা আক্রান্তদের রোগ মুক্তি কামনায় এক বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সিডনির গ্রীনএকর নিবাসী মাহমুদ তিতাস করোনা আক্রান্ত হয়ে ক্যাম্পবেলটাউন হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্য্যরাও একই হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। তিতাসের বাবা করোনা আক্রান্ত হয়ে আজ দুপুরে বাংলাদেশে মৃত্যুবরণ করেন (ইনালিল্লাহি ও’য়া ইন্না ইলাহি রা’জিউ)। এছাড়াও সিডনির বেশকিছু সংখ্যক বাংলাদেশী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং আরেক প্রবাসি ভেন্টিলেশনে রয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তিতাসের বাবার রূহের মাগফেরাত কামনা, দেশ ও প্রবাসে করোনায় আক্রান্তদের দ্রুত আরোগ্য লাভ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মাদ আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক ফয়সাল আহমেদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দোয়া পরিচালনা করেন সিডনি সেন্টমেরি মসজিদের পেশ ইমাম হযরত মাওলানা শেখ আবু হুরায়া আল আজহারী।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সদস্য ছাড়াও সিডনি প্রবাসি কমিউনিটির সিনিয়র  ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ এই দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদ গঠিত

স্থানীয় সময় ২৮ জুন (বুধবার) এক জুম সভায় অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়। মোহাম্মাদ আবদুল মতিনকে সভাপতি ও ফয়সাল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী পরিষদের নাম ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। কার্যকরী পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- মোহাম্মেদ আসলাম মোল্লা (সিনিয়র সহ-সভাপতি), মোহাম্মাদ রেজাউল হক (সহ-সভাপতি), ড. তারিকুল ইসলাম (সহ-সভাপতি) আতিকুর রহমান (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক), দিলারা জাহান (কোষাধ্যক্ষ), হাজী মোহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক), তাম্মি পারভেজ (সাংস্কৃতিক সম্পাদক) ও মোহাম্মাদ জিয়াউল কবির (মিডিয়া অ্যান্ড কমুনিকেশন সম্পাদক)। কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সদস্যরা হলেন- ড. রতন কুন্ডু, আকিদুল ইসলাম ও নাইম আবদুল্লাহ।

সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মাদ আবদুল মতিন ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, মিডিয়া এখন গোটা পৃথিবীতেই প্রচলিত প্রথা ভেঙে নতুন নতুন কর্মসূচীতে অংশ নিচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় আমরা মিডিয়ার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগকেও ধারণ করেছি। ফলশ্রুতিতে প্রবাসে ও দেশের নানা পেশার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা পালন করছি মানবিক দায়িত্ব। অনুভব করেছি আমাদের সংগঠনকে কাঠামোগতভাবে আরো বৃহত্তর পরিসরে নির্মাণ করতে হবে। তারই ধারাবাহিকতার অংশ হিসাবে আমাদের এই নতুন সংগঠনের স্বপ্ন যাত্রা শুরু।

অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্য ও বাংলাদেশী সাংবাদিকরাও আমাদের নতুন সংগঠনের গর্বিত সদস্য হয়ে দেশে ও প্রবাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহন সহ নানা কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালনের দ্বার উম্মুক্ত হল।

বিগত দিনগুলোর মতই উন্নত দেশ গঠনে বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ভূমিকা, মুক্ত আলোচনা, কমিউনিটি ডায়ালাগ, মতবিনিময় সভা, সেমিনার, গণসংযোগ, আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন, বিভিন্ন দুর্যোগে মানবিক সহযোগিতায় অনবদ্য ভূমিকা ও মানবতার পাশে দাঁড়াবে ‘অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন’।

সিডনিতে অষ্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের উদ্যোগে ঈদের দিন বুধবার সকালে ভার্চুয়াল আলোচনা

করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে এবার অষ্ট্রেলিয়া সহ সারা বিশ্বে ঈদুল আযহা উদযাপনে ভিন্ন রকম আবহ তৈরি হয়েছে। এবারে কোরবানির আয়োজন সীমিত, তেমনি সবাই মিলে নামাজ পড়া বা আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার মতো প্রচলিত রীতিতে দেখা গেছে বড় ধরণের পরিবর্তন। নিউ সাউথ ওয়েলসে ক্রমবর্ধমান করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। ফলে এবার সিডনীতে কোন নামাজের জামাতের আয়োজন করা হয়নি। এমনকি একে অপরের সাথে সৌহার্দ্য বা বাসায় গিয়ে সাক্ষাতের কোন সুযোগ নেই। সরকার কঠোর জরিমানা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যনীতি নিয়ম প্রয়োগের ঘোষনা করেছেন। ফলে অনেকটা চার দেয়ালের মধ্যেই কাটবে কমিউনিটির ঈদ।

বৃহত্তর ক্যাম্বেলটাউন এলাকার অন্যতম বৃহত্তর জামাতের আয়োজক অষ্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার (এএমডব্লিওসি) আগামীকাল ২১ জুলাই (বুধবার) ঈদুল আযহা উদযাপিত করার ঘোষনা দিয়েছে। কিন্তু প্রতিবারের মত ঈদের জামাত এবং কোরবানীর ব্যবস্থা  স্থগিত করা হয়েছে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ড. আনিছুল আফছার জানান, ঈদের দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় জুম  এ্যাপসের মাধ্যমে ঈদের লেকচার বা বয়ান (Substitute of Kutba) এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রায় এক হাজার  কমিউনিটি সদস্য-সদস্যারা এ আলোচনায় সরাসরি অংশগ্রহন করতে পারবেন। পাশাপাশি একে অন্যের সাথে ভার্চুয়াল ঈদের আনন্দ শেয়ার করতে পারবেন।

Meeting date & time: Wednesday, 21 July 2021; 8.30 am to 9.30 am

Meeting ink: https://us02web.zoom.us/j/82003277231?pwd=eWlTd2EwZ05DeDlmenpIU04zdjcvQT09

Meeting ID: 820 0327 7231, Passcode: 944983

Please get ready with Eid dress and join this meeting with your family and friends.

অষ্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত ভার্চুয়াল লেকচার অনুষ্ঠানে বয়ান করবেন হাফেজ ও মাওলানা আবদুল হাদী তানভির। সকলকে পরিবার সহ অংশগ্রহন করার বিনীত অনুরোধ করা হয়েছে। দিন দিন করোনার প্রভাব বাড়ছেই। আল্লাহ তায়ালা সকলকে করোনার প্রভাব থেকে রক্ষা করুন। সকল মুসলিম ভাইদের ঈদ উদযাপন ও মসজিদে নামাজ পড়ার তৌফিক দান করুন। আমিন। ঈদ মোবারক।

পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে সিডনি প্রেস এ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিলের শুভেচ্ছা

পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে সিডনি প্রেস এ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিলের সভাপতি মোহাম্মাদ আবদুল মতিন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ অস্ট্রেলিয়া- বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর সকলের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

এক বার্তায় তারা বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা মহান আল্লাহর প্রতি অপরিসীম আনুগত্যের অনুপম নিদর্শন।এই ঈদ মুসলিম জাতির ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরো সুসংহত করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

তারা আরো বলেন, এইবারও এমন একটি সময়ে ঈদ-উল আযহা উদযাপিত হতে যাচ্ছে যখন সমগ্র বিশ্ব মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রকোপে তটস্থ। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, ধৈর্য্য ও সহনশীলতা অপরিহার্য। ঈদ সবার জন্য আনন্দপূর্ণ ও কল্যাণকর হোক। মহান আল্লাহ্ আমাদের সকলকে ভয়াবহ বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস থেকে হেফাজত করুক।

সিডনিতে ঈদুল আযহা আগামী ২০ ও ২১ জুলাই

মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে পুরো বিশ্ব নিস্তব্ধ। অস্ট্রেলিয়ায় করোনা পরিস্থিতি রাজ্যভেদে ভিন্ন। সিডনি সহ বেশ কিছু রাজ্যে লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে।

সিডনিতে এবারও দুই দিনব্যাপী ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্থানে গত ১১ জুলাই জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় ‘মুন সাইটিং অস্ট্রেলিয়া’র পক্ষ থেকে আগামী ২১ জুলাই (বুধবার) ঈদ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল’ আগামীকাল  ২০ জুলাই (মঙ্গলবার) ঈদুল আজহা উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে।

কঠোর লক ডাউনে সিডনিতে বসবাসরত মুসলিম উম্মাহ ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজ নিজ বাড়িতে থেকে পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করবে। সিডনি প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবারে স্থানীয় গ্রোসারি শপ ও মসজিদ কমিটির তত্বাবধানে অত্যন্ত সীমিত ভাবে তাদের কুরবানী সম্পন্ন করবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বানী দিয়েছেন। নিউ সাউথ ওয়েলসের চীফ হেল্‌থ অফিসার ডাঃ চ্যাণ্ট সিডনির মুসলমানদের নিজ নিজ বাড়িতে থেকেই ঈদুল আযহা পালনের অনুরোধ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশে আটকে পড়া অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে ফেরত আনতে নির্বিকার প্রশাসন

মোহাম্মদ আব্দুল মতিনঃ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনার কারনে বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছেন কয়েক শতাধিক অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশি নাগরিক ও স্থায়ী অভিবাসী। আটকে পড়া নাগরিকরা বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরত আসতে ব্যর্থ হয়েছেন। অন্যদিকে ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন তাদের কার্যক্রম সীমিত করে কোন প্রকার সহযোগিতা না করায় এবং নন কমার্শিয়াল ফ্লাইটের ব্যবস্থা না করার ফলে আটকেপড়ারা নাগরিকরা সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তায় দিনযাপন করছেন।

আজ এই প্রতিবেদকের সাথে টেলিফোনে কথা হয় বাংলাদেশে আটকে পড়া সিডনি প্রবাসি জাকির হোসেন ও মেলবোর্ন প্রবাসি খন্দকার বদরুদোজ্জা বাঁধনের সাথে। তারা বলেন, আমরা ছয় মাসেরও অধিক সময় ধরে বাংলাদেশে আটকে আছি। এদিকেএয়ার লাইনস্ আমাদের ফিরতি ফ্লাইটের ব্যবস্থা না করে টিকেট ক্যানসেল করে দিয়ে শুধু বিজনেস ক্লাসের নতুন টিকেট কেনার অনুরোধ করছে যার মূল্য ৭ থেকে ১০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি ইকোনোমি ক্লাসের ওয়ান ওয়ে টিকেটের মূল্য আড়াই লক্ষ টাকারও অধিক। তারপরও কোন ফ্লাইট সিডিউল দিচ্ছে না।

তারা আবেগ ঘন কণ্ঠে আরো জানান, আমরা আটকেপড়া অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশি ১৯৭ জনের একটি লিস্ট তৈরী করে হোয়াটস আপ গ্রুপ করে জুম মিটিং করেছি। অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন একটি নন কমার্শিয়াল ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলেই আমরা আসতে পারি। তারা জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ান সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী সবাই একত্রে যেতে পারবে না। কিন্তু ভারত থেকে অতি সম্প্রতি পর পর ৪টি ফ্লাইট অস্ট্রেলিয়া গিয়েছে যেখানে প্রতি ফ্লাইটে শতাধিক যাত্রী ছিল। আর এটা সম্ভব হয়েছে তাদের একতা, কমিউনিটি ও উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের কারণেই।