বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া এসোসিয়েশন ক্যানবেরা আয়োজিত বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত

আইজিদ আরাফাত অরূপঃ স্থানীয় সময় আজ ১০ এপ্রিল (শনিবার) অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় বসবাসরত বাংলাদেশীদের বৃহৎ সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া এসোসিয়েশন ক্যানবেরা (ব্যাক) স্থানীয় ইসলামিক সেন্টার প্রাঙ্গনে বৈশাখী মেলার আয়োজন করে।

সকাল ১০টা থেকে সন্ধা ৬ টা পর্যন্ত আয়োজিত এই মেলায় প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক জনসমাগম হয়। মেলায় অসংখ্য দেশী খাবারের স্টলের সাথে ছিল বাহারি শাড়ি, জামা কাপড় এবং বিভিন্ন অলংকারের সমাহর। পাশাপাশি মেলায় ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখ বরনের আয়োজন সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মেলার আয়োজক কমিটির পক্ষে ব্যাকের সাধারন সম্পাদক সাকিব ইয়ামিন উপস্থিত সকলকে এই মেলা সফল করার জন্য ধন্যবাদ জানান। সংগঠনের সভাপতি আমিনুর রশিদ সংশ্লিষ্ট সদস্যদের নিরলস পরিশ্রমের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

সিডনি প্রেস এ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিলের নির্বাচন আগামী ২০শে জুন

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসি বাংলাদেশি লেখক ও সাংবাদিকদের বৃহত্তম সংগঠন সিডনি প্রেস এ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামি ২০ জুন। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সিডনির ব্যাংকস্ টাউনে অবস্থিত লেমনগ্রাস থাই রেঁস্তোরা কাউন্সিলের কার্যকরী পরিষদের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

মোহাম্মাদ আসিফ ইকবালের ক্বোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। কাউন্সিলের সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ ইউসুফ শামীমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আবদুল মতিনের উপস্থাপনায় এই সভায় কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যন্য সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন; মোহাম্মেদ আসলাম মোল্লা (সহ-সভাপতি), শিবলী আবদুল্লাহ (সহ-সভাপতি), আবদুল আউয়াল (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক), মাকসুদা সুলতানা (কোষাধ্যক্ষ), নামিদ ফারহান (সাংস্কৃতিক সম্পাদক), মোহাম্মাদ আসিফ ইকবাল (মিডিয়া অ্যান্ড কমুনিকেশন সম্পাদক) এবং কার্যকরী পরিষদের সদস্য নাইম আবদুল্লাহ ও ড. ফজলে রাব্বি। এছাড়াও মিজানুর রহমান সুমন (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক) এবং কার্যকরী পরিষদের সদস্য মোহাম্মাদ রেজাউল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পেরে দু:খ প্রকাশ করেন এবং কার্যকরী পরিষদের সকল সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করেন।

কার্যকরী পরিষদের সভায় উপস্থিত সকল সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে কাউন্সিলের বর্তমান কার্যক্রম ও নির্বাচন পরিচালনার সুবিধার্থে আবদুল্লাহ ইউসুফ শামীমকে সর্বসম্মতিক্রমে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচন করে তিন সদস্যের একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়। বাস্তবায়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ড. ফজলে রাব্বি ও নাইম আবদুল্লাহ। কাউন্সিলের সভাপতি ড. এনামুল হক মেলবোর্ন অবস্থান করায় এবং এপর্যন্ত কার্যকরী পরিষদের কোন সভায় তিনি উপস্থিত থাকতে না পারায় কাউন্সিলের বর্তমান কার্যক্রম ও নির্বাচন পরিচালনার সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

কার্যকরী পরিষদের বিভিন্ন সিদ্বান্তের পর অনুষ্ঠানের সভাপতি আবদুল্লাহ ইউসুফ শামীম সবাইকে নৈশভোজের আহব্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

প্রশান্ত পাড়ের দেশ অস্ট্রেলিয়াতে আগাম বাংলা নববর্ষ উদযাপন

ডঃ রতন কুণ্ডুঃ আজ স্থানীয় সময় ৩ এপ্রিল (শনিবার) দুপুরে সিডনির এক ঝাঁক প্রত্যয়ী ও প্রগতিশীল রমনীদের নতুন সংগঠন “আমাদের কথা” সিডনির ইঙ্গেলবার্ন রিসার্ভে আগেভাগেই নুতন বাংলা বর্ষবরণের আয়োজন করে। তারা বিশাল বনরাজি শোভিত ছায়া সুনিবিড় ইঙ্গেলবার্ন পার্কে রমনার বটমূলের আদলে মঞ্চ তৈরী করে ও মঙ্গল শোভাযাত্রার চিত্রকর্ম দিয়ে সাজিয়ে বাংলা বর্ষবরণ করে।

সংগঠনের পরিচালক পূরবী পারমিতা বোসের সঞ্চালনায় তিশা তানিয়া, চিনু দাস, মুনা মোস্তফা, নিলুফা ইয়াসমিন ও আরো একঝাঁক প্রত্যয়ী তরুণীদের অংশগ্রহণে  “এসো হে বৈশাখ এসো এসো” আবাহন দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের বিশেষ উপস্থাপনায় ছিলো বর্তমান প্রজন্মের কিশোর কিশোরীদের অংশগ্রহণে বাংলা গান, সাথে নাচ ও কবিতা আবৃত্তি। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের দেশজ খাবার, হরেক রকমের ভাজি, ভর্তা, সবজি, মাছের ঝোল, মুরগি ভুনা সহ প্রায় বিশ পদের খাবারে মধ্যাহ্ন ভোজে আপ্যায়ন করা হয়।

মধ্যাহ্ন ভোজের পরে শুরু হয় বড়োদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান । বিকেলের নাস্তায় দেশজ পিঠা, পুলি, রসগোল্লা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। আমাদের কথা সংগঠনের আয়োজক কমিটি জানান, সব ধরনের মুখরোচক খাবার আমাদের সদস্যবৃন্দ নিজেরা তৌরি করেছে। তারা সিডনির রেনেসাঁ সংগঠনকে একটি পরিশীলিত বর্ষবরণ উপহার দেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সিডনিতে নবধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘অটিজম দিবস’ পালিত

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত একটি দিবস যা প্রতিবছর ২রা এপ্রিল পালিত হয়। অটিজম হচ্ছে স্নায়ুর বিকাশজনিত সমস্যা। অটিজমের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অস্ট্রেলিয়াতে সিডনির ল্যাকান্বায় একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে নবধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘Autism Day’ বা অটিজম দিবস পালিত হয়। অটিজম সম্পর্কে গণজনসচেতনতা বাড়াতেই এই সেমিনারের আয়োজন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন আবিদা আসওয়াদ। সাংবাদিক আব্দুল মতিন কোরআন তেলয়াত পাঠের পর আলোচনা শুরু হয়।

প্রধান বক্তা ডাক্তার রোজিনা বেগম অটিজম দিবসটির উপর ব্যাপক আলোচনা করেন। তিনি বলেন, সাধারণত শৈশবে শুরু হয় এবং বড় হওয়া পর্যন্ত থাকে। অটিস্টিক ডিজঅর্ডার, পার্ভেসিভ ডেভোলাপমেন্টাল ডিজঅর্ডার, এসপারজার সিন্ড্রোম, উপসর্গ, কারণ, রোগ নির্ণয়, করনীয় নিয়ে ডা: রোজিনা আলোচনা করেন।

সহকারী নার্স ও মানসিক স্বাস্থ্য এডুকেটর আবুল কালাম আজাদ খোকন বলেন, এই রোগটি নিয়ে আগে অনেকেই সচেতন ছিলেন না কিন্তু এখন অটিজম সম্বন্ধে মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। অস্ট্রেলিয়াতে ১৫০ জনের মধ্যে প্রায় ১ জন অটিজমে আক্রান্ত।

চাইল্ড কেয়ার এডুকেটর লিপি আক্তার বলেন, অটিজম একটি জটিল স্নায়বিক বিকাশ সংক্রান্ত রোগ যা সামাজিক বিকলতা, কথা বলার প্রতিবন্ধকতা, সীমাবদ্ধ, পুনরাবৃত্তিমূলক এবং একই ধরনের আচরণ  দ্বারা চিহ্নিত হয়। এটা একটি মস্তিষ্কের রোগ যা  সাধারণত: একজন ব্যক্তির অন্যদের সাথে কথা বলার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। রুমানা সাফেইন ও ফারহানা আমিন বলেন, অটিজম হল মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা।

অটিজম এমন একটা অবস্থা যেখানে শিশুর সামাজিক বিকাশ ঠিকমতো হয় না। এ ধরনের শিশুরা অন্যান্য স্বাভাবিক শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলো করতে পারে না। অন্যদের সঙ্গে ঠিকমতো মিশতেও পারে না। এরা একা একা থাকতে ভালবাসে।

ইজ্ঞিনিয়ার আব্দুল কাইয়ুম বলেন, অনেক ক্ষেত্রে এদের কথা বলা শুরু হতে বেশ দেরি হয়। সাধারণত হাত দিয়ে কোনো জিনিস দেখা বা হাসি-কান্নার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশের যে ভঙ্গি শিশুদের মধ্যে দেখা যায় অটিজম-এ আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে তা ঠিকমতো দেখা যায় না।

সাংবাদিক আব্দুল মতিন বলেন, অটিজম রোগের কোনো নিরাময় নেই। এটা ঔষধ ও বিশেষজ্ঞ শিক্ষার সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। একটি নির্দিষ্ট জিনিসের প্রতি তাদের আকর্ষণ বেশি থাকে এবং একই কাজ এরা বারবার করতে থাকে।

আয়োজক আজাদ খোকন সকলকে ধন্যবাদ জানান। ডিনারের পর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার্স এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার উম্মুক্ত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার্স এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া এর এক যুগ পূর্তি আর বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তী উপলক্ষে এসোসিয়েশন আয়োজন করে উম্মুক্ত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা। ৩২ টি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ২১ মার্চ সিডনির লাকেম্বাস্থ পেরী পার্কে খেলা উদ্বোধন করেন এসোসিয়েশনের সভাপতি কেসিম শামীম। তিনি সুন্দর একটি বক্তৃতার মাধ্যমে সবাইকে সহযোগীতা করার জন্য অনুরোধ করেন। এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক রাশেদ খান এর সক্রিয় উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। ব্যাডমিন্টন পরিবারের একমাত্র মুক্তিযাদ্ধা জনাব হেলাল উদ্দিনকে ক্রেষ্ট দিয়ে সন্মান জানানো হয়। ক্রেষ্ট নিয়ে হেলাল উদ্দিন আবেগ প্রবন হয়ে পড়েন।

খেলা পরিচালনার সার্বিক দিয়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন আসাদুজ্জামান শাহীন এবং আদিল শরীফ রবীন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ছিলেন আরমান শেখ, শহীদুজ্জামান বাবু ও সুমিত মাসুম। আসাদুজ্জামান শাহীনের সুন্দর এবং সাবলীল উপস্থাপনা সবাইকে মুগ্ধ করে। প্রধান পৃষ্ঠপোষক রশীদ ভুইয়া সঙ্গে থেকে সবাইকে অনুপ্রানিত করেন।

এসোসিয়েশনের একযুগ পূর্তি উপলক্ষে একটা স্মরনিকা বের করার উদ্যোগ নেয়া হয় এবং এসোসিয়েশনের একজন উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফা এর সম্পাদনার দায়িত্ব নেন এবং সবার সাহায্য নিয়ে যথাসময়ে এটা সম্পন্ন করেন। সভাপতি ম্যাগাজিনের মোড়ক উম্মোচন করেন।

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর টান টান উত্তেজনা নিয়ে খেলা চলে এক সপ্তাহ ধরে। অনেক উত্থান পতন আর অনিশ্চয়তা নিয়ে চারটি দল সেমি ফাইনালে এবং এর মধ্য হতে দুই দল ফাইনালে উঠে। ফাইনালে উত্তীর্ন দুইটি দলের একটা দল আরাফাত ও রাকেশ এর এবং অন্য দল ওয়াসেল ও নবীন।

২৮ মার্চ নির্ধারিত হয় ফাইনাল খেলা। অনেক উৎসাহী দর্শক, খেলোয়াড়, স্বেচ্ছাসেবক এবং স্পন্সর এর উপস্হিতিতে খেলার জায়গাটা মুখরিত হয়ে উঠে। ক্যাম্বলটাউন কাউন্সিলের সন্মানিত কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী ফাইনাল খেলা উদ্ভোধন করে অনুষ্ঠানকে আরও প্রানবন্ত করে তুলেন। সঙ্গে থাকেন কেসিম শামীম এবং রাশেদ খান। বরাবরের মতো রশীদ ভুইয়া সবাইকে উৎসাহ দেন এবং ভবিষ্যতেও সঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আসাদুজ্জামান শাহীন।

শুরু থেকেই তুমুল উত্তেজনা নিয়ে ফাইনাল খেলা শুরু হয়। চলতে থাকে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই। আন্দাজ করা কষ্ট হচ্ছিল কোন দল জিতবে। প্রথম খেলায় জয়ী হয় আরাফাত ও রাকেশ দল। দ্বিতীয় খেলায় জয়ী হয় ওয়াসেল ও নবীন। উত্তেজনা তুঙ্গে উঠে যখন শুরু হয় তৃতীয় খেলা। এক শ্বাস রুদ্ধকর এবং দীর্ঘদিন মনে রাখার মতো খেলে আরাফাত ও রাকেশ দল চ্যাম্পিয়ন হয়।

খেলা শেষে শুরু হয় বহুল প্রতিক্ষিত পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান। সেমি ফাইনালে উত্তীর্ন সব খেলোয়াড়কে ট্রফি দেয়া হয়। তারপর রানার আপ ট্রফি এবং চ্যাম্পিয়নদ ট্রফি। খেলোয়ড়দের ট্রফি দেবার আগে সকল স্পন্সরদের ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। স্পন্সরদের সবাই আগামীতে সঙ্গে থাকার আশ্বাস দেন। স্বেচ্ছাসেবক এবং উপদেস্টাদের সন্মানিত করা হয় উপহার দিয়ে। সবশেষে সুস্বাদু খাবার এর সাথে গল্পে মেতে উঠে সবাই। আগামীতে আরও ভালোভাবে এই আয়োজন করার পরিকল্পনা নিয়ে রবিবার অনেক রাত পর্যন্ত খাটুনী খেটে আয়োজকরা বাড়ী যান।

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক মোঃ ইয়াকুব আলীর প্রথম বই ‘নদীর জীবন’ প্রকাশিত

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক মোঃ ইয়াকুব আলীর প্রথম বই ‘নদীর জীবন’ প্রকাশিত হয়েছে। বইটি এখন ঢাকায় বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে। বইটি মূলত লেখকের শৈশব কৈশোরের স্মৃতিকথা হলেও এতে উঠে এসেছে আবহমান গ্রাম বাংলার চিরায়ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পাশাপাশি স্থান পেয়েছে শহুরে সংস্কৃতির সাথে গ্রামীণ সংস্কৃতির সংঘাত ও সামঞ্জস্য। এই বইয়ের মূল উপজীব্য মানুষ এবং সময়ের সাথে সাথে মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন। তাই এই বই হয়ে উঠেছে একটা সময়ের দলিল। বইটি প্রকাশ করেছে ‘প্র প্রকাশনী’ আর প্রচ্ছদ করেছেন ‘ব্রত রায়’। বইটি পাওয়া যাচ্ছে অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৯১ নং ‘আনন্দম’ এর স্টলে; পাঠকেরা অনলাইনে বইটি ক্রয় করতে তাইলে নিচের লিংকে অর্ডার করতে পারবেন। https://www.kablewala.com.bd