মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক বীর উত্তম সহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীরত্বের প্রতীক বীরউত্তম খেতাব বাতিলের তিব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি ও অংগ সংগঠন

মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ যোদ্ধা এবং স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীরউত্তম খেতাব বাতিলের ঘৃন্য অপচেষ্ঠাকে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে অষ্ট্রেলিয়া বিএনপি তার অংগ সংগঠন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা এক সুত্রে গাথা। জিয়ার অবদানকে অস্বীকার করলে পুরো স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করা হবে। আমাদের মহান স্বাধীনতার মূল স্তম্ভে আঘাত করার ধারাবাহিক অংশ এটি। জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিলেই জিয়ার নাম বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের হৃদয় থেকে মোছা যাবে না। তারা বিবৃতিতে আরও বলেন, সরকারকে এ সিদ্ধান্ত থেকে সবে আসার শুভ বুদ্ধির উদয় হবে বলে আমরা আশা করি। অন্যথায় এ সরকারকে কঠিন আন্দোলনের মাধ্যমেই তার জবাব দেয়া হবে।

বিবৃতিত স্বাক্ষর করেন: বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা মনিরুল হক জর্জ, সভাপতি আলহাজ্জ লুৎফুল কবির, সহ সভাপতি- ডা: আব্দুল ওয়াহাব, ফজলুল হক শফিক, নুর আলম লিটন, রেজাউল হক, সাধারন সম্পাদক মো: আবুল হাছান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিব রহমান, প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা – মুনা মুস্তাফা, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম লকিয়াত, সাধারন সম্পাদক আব্দুল মতিন উজ্জল প্রমুখ। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার অবনামায় বিএনপি অস্টেলিয়ার প্রতিবাদ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি অস্ট্রেলিয়া মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশের প্রথম রাস্ট্রপতি এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের স্থপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের যুদ্ধকালীন সময়ের সাহসীকতার  স্বীকৃতির জন্য প্রাপ্ত খেতাব কেড়ে নেওয়ার পায়তারার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এর প্রতিবাদে অস্স্ট্রেলিয়া বিএনপি  সংগঠনের আহ্বায়ক ড: হুমায়ের চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক জরুরী সভায় মিলিত হয়। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত  ছিলেন সদস্য সচিব হায়দার আলী, সোহেল মাহমুদ ইকবাল, জাকির আলম লেনিন, আশরাফুল আলম রনী, মোহাম্মদ ফরিদ মিয়া ও কে এম মনজুরুল হক আলমগীর।

সভায় নিম্নসিখিত কর্মসুচী গ্রহনের সিদ্ধান্ত হয়ঃ

১।আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী থেকে সপ্তাহ ব্যাপী গনস্বাক্ষর সংগ্রহ

২।আগামী ১৪ ই ফেব্রুয়ারী সাংবাদিক সম্মেলন

৩। ১৯ শে ফেব্রুয়ারী সিডনিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিস ঘেরাও এবং স্বারকলিপি পেশ।

সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে এই সব কর্মসুচীতে অংশগ্রহনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে । (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)