জিয়া ফোরামের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে মিলন মেলা

গত ৭ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) জিয়া ফোরাম অস্ট্রেলিয়া স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন উপলক্ষে বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করে। সিডনির এই মিলন মেলায় সাংবাদিক, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, শিল্পী সাহিত্যিক সহ কমিউনিটির বিভিন্ন পেশাজীবীরা অংশ গ্রহন করেন।

অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন কাউন্সিলর শাহে জামান টিটু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী টেলিঅস এর সিইও জাহাংগীর আলম, সাংবাদিক আকিদুল ইসলাম, আব্দুল মতিন, নাঈম আব্দুল্লাহ ও আব্দুল আওয়াল, বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারন সম্পাদক ফারুক আহমেদ খান, বিএনপি একাংশের সভাপতি ব্যারিস্টার নাসির উল্লাহ, আবৃত্তিকার হাবিবুর রহমান, ফাগুন হাওয়ার সভাপতি তিশা তানিয়া, গ্র্যান্ড ল্যাকেম্বার তাম্মি পারভেজ, ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন, নাট্যকার বেলাল ঢালী, প্রবীন রাজনীতিবিদ রুহুল আহমেদ সওদাগর, বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সদস্য সচিব হায়দার আলী প্রমুখ।

এছাড়াও  বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার আহ্বায়ক ও জিয়া ফোরাম অস্ট্রেলিয়ার উপদেষ্টা  ড: হুমায়ের চৌধুরী .আশরাফুল আলম রনী ,মাহমুদা বেগম, সৈয়দা মাসুদা কাদরী মিতা , তাফতুন নাঈম নিতু, মোহাম্মদ ফরিদ মিয়া,কেএম মনজুরুল হক আলমগীর, ফয়জুর চৌধুরী, ইয়াছিন আরাফাত অপু .রাকিবুল আলম মিয়া অপু,  মিজানুর রহমান, সা’দ সামাদ ইউসুফ আলী সহ জিয়া ফোরাম অস্ট্রেলিয়ার সকল সদস্য ও তাদের পরিবারবৃন্দ এতে অংশ গ্রহন করেন।

অনুষ্ঠানে বাচ্চাদের জন্যে আঁকার সামগ্রী ও উপস্থিত সবাইকে স্বাধীনতার ৫০ বৎসর পুর্তি উপলক্ষে জিয়া ফোরামের মনোগ্রাম খচিত একটি সুভেনিওর প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য জিয়া ফোরাম অস্ট্রেলিয়া স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনের জন্য সোহেল মাহমুদ ইকবালকে আহ্বায়ক ও জাকির আলম লেনিনকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করে। এই কমিটি সুবর্ণ জয়ন্তীতে বৎসর ব্যাপী বিভিন্ন আয়োজনের অংশ হিসাবে এই সংগঠনটি গত ১৯শে জানুয়ারী বাংলাদেশ সহ সমগ্র প্রবাসীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ, জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশ শীর্ষক এক প্রবন্ধ প্রতিযোগিতারও  আয়োজন করে।

অজি ইমি এ্যান্ড এডুকেশন কনসালটেন্সি’র ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে যোগদান করেছেন সাংবাদিক মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন

নাইম আবদুল্লাহ: সিডনি প্রবাসি সাংবাদিক মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন ‘অজি ইমি এ্যান্ড এডুকেশন কনসালটেন্সি’র ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে যোগদান করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার স্বনামধন্য এডুকেশনাল কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান ‘অজি ইমি এ্যান্ড এডুকেশন কনসালটেন্সি’র প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মাদ আলতাফ হোসেন তাঁকে এই দায়িত্ব প্রদান করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন যাবত স্টুডেন্ড ভিসা, স্কীল মাইগ্রেশন, ওয়ার্কিং এন্ড ট্রেনিং ভিসা, ফ্যামিলি ভিসা, ভিজিট ভিসা, রিজিওনাল স্পন্সরশীপ ভিসাসহ শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন সিডনি অফিস থেকে তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন এবং বাংলাদেশের অফিস পরিচালনাসহ অন্যান্য দেশের সাথে আন্তর্জাতিক সমন্বয় করবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল মতিন বলেন, অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ হলো অপার সম্ভাবনার দেশ। এই দেশে লোক সংখ্যা মাত্র আড়াই কোটি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে মাইগ্রেশন নিয়ে এবং উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবছর কয়েক লক্ষ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় আসে। বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রী পড়তে আসে। তবে যোগ্যতা থাকা সত্বেও উপযুক্ত তথ্য এবং গাইডলাইনের অভাবে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ায় আসতে পারেনা। অনেক সময় তারা বিভিন্নভাবে প্রতারিত হয়। এক্ষেত্রে শুধু অর্থই নয়, ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের জীবনের মূল্যবান সময়ও হারিয়ে ফেলে। এজন্য দরকার নির্ভরযোগ্য তথ্য ও গাইডলাইন। আমি চাচ্ছি, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ায় এসে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখুক। এছাড়াও আমাদের দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারদর্শীরা মাইগ্রেশন নিয়ে এবং ওয়ার্কিং ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় আসুক। আমি তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতার চেস্টা করবো।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অজি ইমি এ্যান্ড এডুকেশন কনসালটেন্সি শুধু অস্ট্রেলিয়াই নয়, মালয়েশিয়া, কানাডা, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে ভর্তি ও স্টুডেন্ট ভিসার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

তিনি আরো বলেন, অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ড স্কলারশিপ ২০২১ চালু হয়েছে এবং এর অধীনে অনেকগুলো ইউনিভার্সিটি রয়েছে। এই স্কলারশিপের আওতায় সম্পূর্ণ বিনাবেতনে পড়াশুনার সুযোগ, ফ্রি আবাসন সুবিধা, লিভিং এক্সপেন্স এর জন্য মাসিক ভাতা, হেলথ ইনস্যুরেন্স, ফ্রি এয়ার টিকেট এর সুবিধা, টেক্সটবুকসহ নানা প্রকার শিক্ষা সামগ্রী ক্রয় করার জন্য অতিরিক্ত এলাউন্স প্রদান করা হবে। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা এই সুযোগ গ্রহন করতে পারেন।

মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন বর্তমানে বিদেশবাংলা টোয়েন্টিফোর ডট কমের সম্পাদক ও টাইমস্ টোয়েন্টিফোর টিভি’র অস্ট্রেলিয়া ব্যুরো প্রধানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এছাড়াও তিনি সিডনি প্রেস ও মিডিয়া কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরামের (বিজেআরএফ) শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যাবেঃ matin@aussieconsultancy.com.au