আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্মদিন পালন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মদিন পালন করেছে আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়া (একাংশ)। বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

উক্ত আলোচনা সভাতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এনায়েতুর রহিম (বেলাল) ভিডিও কলের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা এবং সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর ডঃ শামস রহমান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান রিতু, শাহ্ আলম, শিমুল ফারুক রবিন, মইদুজ্জামান সুজন, অপু সরোয়ার, আনিছুর রহমান, মকসুদুর রহমান চৌধুরী সুমন ,মামুনুর রশিদ, কামরুজ্জামান বাপ্পি, ওসমান গনি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী  শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ মোনাজাত এবং শেখ হাসিনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার নেতৃত্বে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ সেই প্রত্যাশা করে এবং  কেক কাটার মধ্য দিয়ে  অনুষ্ঠান শেষ করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্মদিন উপলক্ষে সিডনিতে আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়ার আলোচনা সভা

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়া শাখার উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সিডনিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়। সভাপতি সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক পিএস চুন্নুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে  টেলিফোনে বক্তব্য রাখেন মৎস্য এবং প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ।

মন্ত্রী বলেন, আজ বাংলাদেশে অন্য বস্ত্র বাসস্থান চিকিৎসায় শিক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য এসেছে,  বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল এবং এই রোল মডেল এর ম্যাজিশিয়ান হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি আরো বলেন, বিচারপতি এসকে সিনার নেতৃতে জুডিশিয়াল ক্যু করার চেষ্টা করা হয়েছিলো কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা বার্থ করে দিয়েছেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড: রতন লাল কুণ্ডু।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন মোসলেউর রহমান খুশবু, এস এম দিদার হোসেন, সফিকুল আলম, সেলিমা বেগম, এমদাদুল হক বকুল, আব্দুল খান রতন, আবুল বাসার রিপন, আকিদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম রুবেল, জাকারিয়া আল মামুন, আলতাফ হোসেন লাল্টু প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন সিডনী আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুস সালাম।

বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা, দেশের প্রতি তাঁর অবদান ও সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায় তাঁর পথচলার কথা তুলে ধরেন এবং সুস্বাস্হ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। অনুষ্ঠান দোয়া মোনাজাত এবং কেক কাটার মাধ্যমে সমাপ্তি করা হয়।

ভিক্টোরিয়ায় কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশী এনামুল হক

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রবাসী বাংলাদেশী ড. এনামুল হক। তিনি গ্রেটার জিলং সিটি কাউন্সিলের উইনডামিয়ার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন।

ড. এনামুল হক সিডনি সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিক্যাল এন্ড বয়োমলিক্যুলার ইঞ্জিনিয়ারিং এ পিএইচডি শেষ করে  উলংগন বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয় ও  ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক পদে কর্মরত ছিলেন।  তিনি বর্তমানে মেলবোর্নের  আর এম আইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত।

ড. এনামুল হক অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন কমিউনিটি ও সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার পাশাপাশি সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট, অরকা অস্ট্রেলিয়ার এক্সিকিউটিভ সদস্য, জিলং চেম্বার অফ কমার্স এর  সদস্য। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি ইন্টারন্যাশনাল জার্নালের বোর্ডের সদস্য।

ড. এনামুল হক জানান, সিটি কাউন্সিল নির্বাচন নিয়ে শুরু করলাম এবং ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছি। তিনি আরও জানান, অস্ট্রেলিয়ার মূল ধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশিরা অনেক পিছিয়ে আছে  তাই যোগ্যতা সম্পর্ণ ব্যাক্তিরা এগিয়ে আসলে এতদিনে হয়তো  বাংলাদেশী এমপি, মন্ত্রী থাকতো অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে।  সিটি কাউন্সিল নির্বাচনের পর তিনি অস্ট্রেলিয়ার মূল ধারার রাজনীতিতে যোগ দিবেন বলেও জানিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সরকার কাঠামো তৈরির নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহনে আনন্দিত অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা। উল্লেখ্য করোনার জন্য ডাকযোগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন অক্টোবরের ৬ তারিখ  থেকে স্থানীয় সকল ভোটারের ঠিকানায় ব্যালট পেপার সরবরাহ করবে।

অস্ট্রেলিয়ায় বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভা অনুষ্ঠিত

অস্ট্রেলিয়া বিএনপির (একাংশ) আয়োজনে বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সাবেক আমলা, সাবেক বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী এবং বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান  আব্দুল মান্নানের রুহের মাগফিরাতে দোয়া করা হয়। সিডনি লাকাম্বায়  ২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উদ্যোগে কেক কেটে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করা হয়।

বিএনপি নেতা নাসির উল্লার সভাপতিত্বে এবং অস্ট্রেলিয়া বিএনপির নেতা ও মূলধারার রাজনীতিক রাশেদুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে  নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ছাত্রনেতা  রুহুল আমিন ও নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের  সাবেক সাধারন সম্পাদক ইলিয়াস কাঞ্চন শাহিনকে অস্ট্রেলিয়া বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রদান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিবলী সোহাইল।  

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্যে রাখেন যুগ্ম আহবায়ক তাওহিদুল ইসলাম ,ইলিয়াস কাঞ্চন শাহিন,আসরাফুল ইসলাম, সিনিয়র  যুগ্ম সদস্য সচিব ও  জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এর জয়েন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট শিবলু গাজী,যুগ্ম সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম মিটু,  জাসাস অস্ট্রেলিয়া শাখার সভাপতি আব্দুস সামাদ সিবলু, জাসাস অস্ট্রেলিয়া শাখার সিনিয়র  সহ সভাপতি ডাঃ শাহজাহান,জাসাস অস্ট্রেলিয়া শাখার  সহ সভাপতি মিজানুর রহমান,নজরুল ইসলাম নাফিস, সেক্রেটারি মোঃ জুমান হোসান(অনলাইন), সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবিদা সুলতানা, যুগ্ম সম্পাদক আহবাব হোসেন সুন্না, সিডনি বিএনপির সেক্রেটারি খালিদ হোসেন , ছাত্রদল সভাপতি মসিয়োর রহমান তুহিন, মহরীপুর জেলার সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ  নূর, যুবদল নেতা  পলাশ ফারুক, যুবদল  সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলিম,  বিএনপি  নেতা আঃ সালাম, মাহমুদুল হাসান সুমন, মুশতাক আহমেদ, নওশাদ প্রমূখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

বঙ্গবন্ধু তনয়া বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী- দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা- বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া

রতন কুণ্ডুঃ বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া এই ক্ষণজন্মা মহিয়সী নারীর জন্মদিনে জানায় প্রানঢালা অভিনন্দন ও অফুরান শুভেচ্ছা।

১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্টের কালো রাত্রিতে এক বোন ছাড়া বাবা-মাসহ পরিবারের সবাইকে হত্যা করেছিল ঘাতকরা- সেই শোক বুকে নিয়ে দেশের মাটিতে পা রেখে হন্তারকদের বিচারের প্রত্যয় জানিয়েছিলেন; যে বাঙালির মুক্তির জন্য বাবা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তাদেরকে ‘হারানো স্বজনদের’ জায়গায় বসিয়ে এই জাতির উন্নয়নে নিজেকে সঁপেছিলেন।

১৯৮১ সালে দেশে ফিরে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠিত করে দেশের রাজনীতির পটপরিবর্তনের সূচনা করেন এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাসীন করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কাজ সমাধা করে বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলেন | জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন তার জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৮০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা খবর পান, ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে।

১৭ মে শেখ হাসিনা যেদিন দেশে ফেরেন, সেদিন প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে হাজার হাজার জনতা জড় হয়েছিল তেজগাঁওয়ের পুরনো বিমানবন্দরে। সেদিন বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান সভাপতি – ড. রতন কুণ্ডু ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদকঃ জনাব রফিক উদ্দিন ও সে কাফেলায় সামিল হয়েছিলেন।

পঁচাত্তরের পর থেকে বাংলাদেশকে যেভাবে দেখেছি, গণতন্ত্র বেয়নেট বুলেটে যেভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল, রক্তাক্ত হয়েছিল; সে দেশে বাস্তব অর্থে জীবন-মৃত্যুকে তুচ্ছ মনে করে এ দেশের নিপীড়ত মানুষকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে তিনি পা রেখেছিলেন। চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দান, নাটোরের সমাবেশে, বঙ্গবন্ধু এভেন্যুতে একুশে অগাস্টের গ্রেনেড  হামলা  করে তাঁকে বারবার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিলো | শেখ হাসিনার উপর হামলাসহ তার জেল-জুলুম, কারা-নির্যাতন, এসব শুধু তার পথ চলার পাথেয় নয়, বলতে গেলে প্রতিক্ষণের সঙ্গী। কিন্তু নিজের উপর আক্রমণের বিচার কিন্তু হয়নি। তার প্রতিজ্ঞা এত সুকঠিন ছিল যে তিনি তা থেকে এক চুলও নড়েননি।

শেখ হাসিনার সে প্রতিজ্ঞা ছিল, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের মধ্যে তিনি যে শুধু পিতৃহত্যার বিচার করেছেন, তা নয়। তিনি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। যে আইনের শাসন বাংলার মানুষ ভুলেই গিয়েছিল। সে বিচার করেছেন কোন আদালতে? সাধারণ মানুষ যে আদালতে গিয়ে পিতা হারানোর বিচার চায়, সেই আদালতেই। আজকে বাংলাদেশে গণতন্ত্র এসেছে, এটা কার লড়াইয়ের বিনিময়ে বাংলার মানুষ জানে।

একজন কন্যা তার অন্তহীন যাত্রা… ঝড়-জল-আঘাত-বুলেট-গুলি…রক্তাক্ত ও কণ্টকাকীর্ণ পথ যাকে কোনো অবস্থাতে দমাতে পারেনি। নবম জাতীয় সংসদে নির্বাচনে জিতে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করেই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

ডিজিটাল বাংলাদেশের নানা সুফল যখন জনগণ এখন পেতে শুরু করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে অভূতপূর্ব বিজ্ঞানমনস্কতা, আজকে উন্নত যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে আমরা সারা পৃথিবীর সঙ্গে সহজে নিজেদের যুক্ত করতে পারছি।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগের অনেক প্রবীণ নেতা যোগ দিয়েছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদের মন্ত্রিসভায়। যারা যোগ দেননি, তাদের কেউ জেলে, কেউ পালিয়ে বেড়িয়েছেন। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত যেসব কাজ সম্পূর্ণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন, দলের ভেতরে-বাইরে সব বৈরিতা মোকাবেলা করে তিনি যে পুরো পথটা হেঁটেছেন, সেদিন তিনি যে অঙ্গীকার করে করেছিলেন, তার অধিকাংশ বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন বলে আমরা মনে করি। ১৭ মের সংগ্রামের আরেকটা রূপ আমরা দেখি ২০০৭-০৮ সালে বন্দি হওয়ার আগে তিনি যেমন বলেছেন, বাংলার মানুষ আন্দোলন করে, সংগ্রাম করে আমাকে অবশ্যই মুক্ত করবে, এ সরকার অবশ্যই নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে এবং সে নির্বাচনে বাংলার জনগণ নৌকাকে জয়ী করবে।

“এই যে প্রত্যয়, আমার মনে হয় না এটি তার আশা ছিল, এটি ছিল তার স্বপ্ন, এটি তিনি বিশ্বাসও করতেন। আমার কাছে মনে হয়, দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসার গভীরতা থাকলে, সে ধরনের ইতিহাসবোধ থাকলে, মানুষের সাথে সম্পৃক্ততা থাকলে ভবিষ্যৎ দেখবার দৃষ্টি মানুষের তৈরি হয়।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া এই মহান নেত্রী বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করছে।

সিডনীতে সিস্টার হুডের বসন্ত বরণ

সিডনীতে বসন্ত এসে গেছে। করোনা আক্রান্ত বিশ্বে বসন্ত যেনো দোরগোড়ায় কড়া নেড়ে যাচ্ছে। বসন্তের হাওয়া দোলা দেয় সবার মনে। এই বসন্ত উদযাপনের লক্ষ্যে সিডনীর বাংলা শহর খ্যাত  ল্যাকেম্বা তে বসেছিলো প্রানের মেলা। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) দুপুরে সিস্টার হুডের মহিলারা করোনা কালে সীমিত পরিসরে ল্যাকেম্বার জুবিলী রিসার্ভে বসন্ত বরণের আয়োজন করে। সবাই হলুদে সবুজের রঙে নিজেদের সুসজ্জিত করে এসেছিল আর বাংলার ঐতিহ্যগত  বিভিন্ন রকমের ভর্তা ও সাথে মিষ্টান্নর আয়োজন করেছিল।

মেয়েরা আনন্দে মেতে উঠেছিল বালিশ খেলা সহ বিভিন্ন খেলা এবং অংশ গ্রহণ করেছিল গান, নাচ, ছড়া এবং কৌতুকে যা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রার  বিনোদন দিয়েছে। এই বসন্ত বরণের প্রাণের মেলায় অংশ নিয়েছিলেন তুলি, রুবনা, পলি, লিজা, আবিদা, শারমিন , সুইটি, শ্রাবণী, শিখা, রোজিনা, রুমানা, সিনথিয়া প্রমুখ।

জগন্নাথ হল অ্যালামনাই এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার নতুন কমিটি

শতদল তালুকদার: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দাদের সংগঠন “জগন্নাথ হল অ্যালামনাই এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া” ২০২০-২০২১ জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে। ২৬ সেপ্টেম্বর ( শনিবার) অনুষ্ঠিত ভার্চুয়্যাল প্লাটফর্ম জুম অ্যাপের মাধ্যমে সংগঠনের অধিকাংশ সদস্যদের উপস্থিতির মধ্যে পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন বছরের জন্য কমিটি দেওয়া হয়েছে। আর এ কমিটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে ।

সংগঠনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী এ বছরের কমিটি নবায়ন করা হয়েছে। সকলের সম্মতিতে সজল পালিত নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। আর তিনি সংগঠনের সদস্যদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধক্ষ ও অন্যান্য সদস্য নিয়োগ প্রদান করেন।

নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আশীষ রায়, সহ-সভাপতি নির্মল চৌধুরী। আর দিবাকর মজুমদারকে করা হয়েছে সাধারণ সম্পাদক। কোষাধক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুদীপ্ত বোস কে। অন্যান্য নির্বাহী সদস্যবৃন্দ হলেন সুদর্শন দাস, পলাশ বিশ্বাস, শিব চক্রবর্তী, প্রদীপ রায়, পংকজ বাড়ৈ, রিপন পাল ও জ্যোতি বিশ্বাস। (ফাইল ছবি)

প্রাক্তন

চেনা এই নগরীতে আবার তোমার সাথে দেখা

শুধু আমার জায়গায় অন্য কেউ তোমার পাশে,

জানিনা কেন এখনও অশ্রুসিক্ত হয়ে আঁখি

স্মৃতিগুলো বারবার হৃদয়ে ভাসে।

ভালোবেসে তুমি আমায় ‘পাগলী ‘বলে ডাকতে

আমার পাগলামি ও ছিল অদ্ভুত

মাঝরাতে ঘুম ভাঙ্গিয়ে বলতাম-

ভালোবাসো আমায়?

তুমি ঘুম ঘুম চোখে উত্তর দিতে

হুম! পাগলী আমার!

আমি একটু একটু করে করে নিজেকে

হারিয়ে ফেলেছিলাম তোমার ভিতর,

আমার সমস্ত অস্তিত্বে

মিলেমিশে তুমি একাকার।

আমি একটা সময় সত্যিই

তোমার জন্য পাগল,

আর তুমি! একটু একটু করে

ভাঙতে শুরু করলে

আমার ভালোবাসার আগোল।

তোমার সেই অবহেলায় অনেক কেঁদেছি

এখন চোখের জল শুকিয়ে গিয়েছে

কাঁদতেও আজ ভুলে গিয়েছি

নিজেকে খুঁজি নিঃসঙ্গতার মাঝে।

তুমি নতুন সাথীকে নিয়ে

বেঁধেছ সুখের ঘর

এখন তুমি অন্য কারো বর।

আর আমি!

সেই প্রাক্তনেই আটকে আছি।

তোমার জায়গাটা যে আমি

অন্য কাউকে দিতে পারিনি।

জানো! আজও তোমার নামেই সিঁদুর পড়ি

সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালিয়ে

তোমার জন্যই অপেক্ষা করি।

কি বোকা আমি তাই না!

তুমি তো কবেই আমাকে ছুড়েঁ ফেলেছ

কবেই দিয়েছ বিসর্জন।

তোমার কাছে তো আমি শুধুই ” তোমার প্রাক্তন”।

লাভলী রায়

স্বদেশ এন্টারটেইনমেন্ট এর নতুন চমক ‘আয়ত্তি’

বৈশ্বিক করোনা কালেও একের পর এক চমক দিয়ে চলেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘স্বদেশ এন্টারটেইনমেন্ট’। প্রতিষ্ঠানটির এবারের চমক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে মেগা বাজেটে তৈরি নতুন ওয়েব সিরিজ ‘আয়ত্তি’। ইতোমধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার আকর্ষণীয় সব লোকেশনে ওয়েব সিরিজটির ৫ টি পর্বের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে।

খুব শীঘ্রই ‘আয়ত্তি’ ওয়েব সিরিজের প্রাথমিক ধাপে নির্মিত ৫টি পর্ব ধারাবাহিকভাবে ‘স্বদেশ এন্টারটেইনমেন্ট’র ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেয়া হবে।

ফয়সাল আজাদের প্রযোজনায় ও  জায়েদ রিজওয়ানের পরিচালনায় ওয়েব সিরিজ ‘আয়ত্তি’তে অভিনয় করেছেন বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান অভিনেতা ও অভিনেত্রী। উল্লেখযোগ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন, সাইফুল্লাহ সাদি, তাজজী হোসেন, রুপন্তি আকিদ, শাওন অরিজিৎ, মাসুদুর রহমান, সারিয়া আকবার ইভা, ফয়সাল চৌধুরী, তাকাশি হারা, মারিয়া ট্রান,এডি টাকারম্যান, আইডেন ম্যাকেনজি জেসমিন ভ্যান্ডেনবার্গ প্রমুখ। ওয়েব সিরিজটির সংগীতের সুর ও কম্পোজ করেছেন দেশের খ্যাতিমান কম্পোজার নাভেদ পারভেজ। এছাড়া ওয়েব সিরিজটি নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন মাহফুজ আহমেদ।

ওয়েব সিরিজ ‘আয়ত্তি’ নির্মাণ প্রসঙ্গে প্রযোজক ফয়সাল আজাদ বলেন, সারাবিশ্বে এখন এক মঞ্চে মিডিয়ার প্রতিযোগিতা হয়। বিশেষ করে ইউটিউব কেন্দ্রিক যে ওয়েব সিরিজ বিনোদন সেখানে প্রতিযোগিতা করেই টিকে থাকতে হয়। সেই বিবেচনায় বাংলাদেশি ওয়েব সিরিজ যাতে পিছিয়ে না পড়ে, সেই প্রচেষ্টায় নির্মাণ করা হয়েছে ‘আয়ত্তি’।

তিনি আরো বলেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা মাথায় রেখেই এ যাবৎ বাংলাদেশের অন্যতম মেগা বাজেটে আমরা ওয়েব সিরিজটি নির্মাণ করেছি। এটির গল্প ও নির্মাণ নান্দনিকতার জোরে দর্শকের মন জয় করতে পারবে বলে আশা করি।

‘আয়ত্তি’র পরিচালক জায়েদ রিজওয়ান বলেন, ওয়েব সিরিজটির বিশেষত্ব হচ্ছে এটি অনেকটা সিনেমাটিক এবং বিভিন্ন দেশের অভিনেতাদের নিয়ে তৈরি। যাতে গল্পের চমক ও বাঁকে দর্শকদের মনোরঞ্জন করতে সক্ষম হবে বলে মনে করি।

‘আয়ত্তি’র অভিনেতা সাইফুল্লাহ সাদি বলেন, আমি সত্যি আনন্দিত যে এ রকম একটি ওয়েব সিরিজে কাজ করছি, কারণ এই করোনাকালেও এত বড় আয়োজনের কাজ ভাবাই যায় না। আমি ‘আয়ত্তি’র সফলতার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।

‘আয়ত্তি’র এক জাপানি অভিনেতা তাকাশি হারা বলেন, আন্তঃ সাংস্কৃতিক প্রকল্পে কাজ করা সত্যি আনন্দের। এর আগে আমি কখনও শুনিনি কোনো জাপানি অভিনেতা বাংলাদেশের এরকম একটি প্রকল্পে কাজ করেছেন। সেই জায়গাতে মনে করি ‘আয়ত্তি’র মত একটি ওয়েব সিরিজে কাজের সুযোগ আমার জন্য সত্যি সৌভাগ্যের। পরিচালক নিঃসন্দেহে খুবই সহযোগিতা করেছেন। আর প্রযোজক ও পুরো টিম তো এক কথায় অসাধারণ।

ওয়েব সিরিজটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে অভিনেত্রী তাজজী হোসেন বলেন, পরিচালক জায়েদ রিজওয়ান ও প্রযোজক ফয়সাল আজাদ টিমের সাথে এটা আমার প্রথম কাজ হলেও আমি দারুণভাবে কাজটি উপভোগ করছি। যদিও আমি এর আগে বেশ কিছু কাজ করেছি কিন্তু এই ওয়েব সিরিজটি হবে অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা এবং চরিত্রটি নিয়ে আমি আশাবাদী।

নির্মাতাদের সূত্রে জানা গেছে, ওয়েব সিরিজটির সম্পূর্ণ নির্মাণ অস্ট্রেলিয়ার দৃষ্টিনন্দন লোকেশনগুলোতেই সম্পন্ন করা হবে। তাছাড়া ওয়েব সিরিজটির পরিচালক জায়েদ রিজওয়ানের নির্মাণে ঝুলিতে রয়েছে ‘আঘাত’-এর মত সফল ওয়েব সিরিজ এবং মুক্তির অপেক্ষায় আছে তাঁর নির্মিত সিনেমা ‘মৃত্যুপুরী’। উল্লেখ্য, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘স্বদেশ এন্টারটেইনমেন্ট’ ইতোমধ্যেই সাড়া জাগানো অনেক কাজ উপহার দিয়েছে। এখন সামনে ‘আয়ত্তি’র চমকের অপেক্ষা।

সিডনিতে দেশীয় রকমারি ভর্তার আয়োজন

বাঙালী মানেই তো ভাত, ভর্তা- ভাজীর রকমারি সম্ভারের খাবারের আয়োজন। ভর্তার নাম শুনলেই জ্বিভে পানি চলে আসে। প্রবাসেও এমন অনেক পরিবারই আছেন যারা প্রবাসেও ছুটির দিনের খাবারে শুধু ভর্তাই রাখেন। ভর্তা খেতে পছন্দ করে না এমন হয়তো কাউকে পাওয়া যাবে না। আমাদের প্রতিদিনের খাবারের টেবিলে ছাড়াও অতিথি আপ্যায়নেও নানা ধরনের ভর্তার জুড়ি মেলা ভার।

সিডনিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) এক অনন্য সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। ডঃ সুসান ফেরদৌস এবং তার বন্ধু নিশাত কথা, নাহিদ শাওন, যাকিয়া মুসান্না, প্রান্তিক, রত্না, লুশান এবং কুহেলি মিলে আয়োজন করেছিলেন এই সন্ধ্যার। ‘ওয়ান ডিশ পার্টি’ বা ‘পট লাক’ অনুষ্ঠানে প্রত্যেকেই একেক পদের ভর্তা বানিয়েছিলেন। ভর্তার মধ্যে ছিল, আলু ভর্তা, চেপা শুটকি ভর্তা, লইট্যা শুটকি ভর্তা, ছুড়ি শুটকি ভুনা, টাকি মাছ ভর্তা, চিংড়ি মাছের ভর্তা, মরিচ ভর্তা, ডাল ভর্তা, ডিম ভর্তা, ধনে পাতা ভর্তা, বালাচাও ভর্তা এবং আম ডাল।

আয়োজকরা জানান, সিডনিতে দেশীয় প্রায় সব রকমের খাবারই পাওয়া যায় সব সময়। আর তাইতো আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিরা সুযোগ পেলেই দেশীয় সংস্কৃতিকে আগামী প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে হরেক স্বাদের দেশীয় খাবারের আয়োজন করি।