বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলমনাই এসোসিয়েশন অষ্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আতিকুর রহমানঃ অহংকারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। রাজধানী ঢাকা থেকে ১২০কিলোমিটার উত্তরে ও ময়মনসিংহ শহর থেকে ৪কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চতর কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম বিদ্যাপীঠ জাতীয় ও আন্তজার্তিকভাবে স্বীকৃত ও গৌরবমন্ডিত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়(বাকৃবি)। ১৯২১সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ১৯৫৩সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরেই ১৯৬১সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। গৌরবোজ্জ্বল ৫৯ বছর পাড়ি দিয়ে ৬০ বছরে পর্দাপন করেছে বাকৃবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতে অভাবনীয় উন্নয়ন সাধনে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে আরও উঁচুতে পৌছাঁনো এবং বিভিন্ন সময়ে কোভিট-১৯ সহ বিভিন্ন কারনে পরলোকগত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলমনাই এসোসিয়েশন অব অষ্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে অদ্য ২২শে আগষ্ট  দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল । 

সিডনীসহ সারা পৃথিবীতে কোভিট-১৯ প্রভাবের জন্য অষ্ট্রেলিয়াতেও স্বাস্থ্যনীতি থাকায় ব্যাপক আকারে কোন অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। অষ্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যনীতি নিয়ম মেনে স্বল্প পরিসরে গত ২২ অগাস্ট (শনিবার) সন্ধ্যায় সিডনীর মিন্টোস্থ প্রপার্টি  কেয়ারটেকার এর অফিসে এ দোয়ার আয়োজন করা হয়। জুমের ব্যবস্থা থাকায় সিডনী, ক্যানবেরা, মেলবোর্ন, কানাডা, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত কৃষিবিদরা অংশগ্রহন করেন। ফলে ক্ষনিকের জন্য হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের হারানো দিনের স্মৃতিতে ভেসে যান কৃষিবিদরা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবুল সরকার সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত কৃষিবিদরা জুমের মাধ্যমে তাদের মত বিনিময় আদান-প্রদান করেন। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। 

পরিশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সময়ে হারানো শিক্ষক ও বন্ধু-বান্ধবদের জন্য দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র জনাব বাহার। দোয়া অনুষ্ঠানে ও আবুল সরকার, আবদুল্লাহ আল মামুন, ড. এখলাছ বাবু, ড. আনিছুল আফছার, ড. পাপড়িসহ  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীসহ ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, প্রপার্টি, কেয়ারটেকারের প্রিন্সিপাল ডাইরেক্টর কবীর হোসেন সহ গনমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য যে, বিশ্ববিদ্যালয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শস্যের জাত, চাষাবাদ কৌশল ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রসারে সাফল্য অর্জন করেছে।