অস্ট্রেলিয়া যুবদলের উদ্যোগে দুইদিন ব্যাপি খাদ্য সামগ্রী বিতরন

দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা জনাব হামিদুর রহমান হামিদের পরামর্শে জাতীয়তাবাদী যুবদল অস্ট্রেলিয়া শাখার সভাপতি ইয়াসির আরাফাত সবুজের নিজস্ব অর্থ সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া যুবদলের উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দলীয় নেতা কর্মী ও অভাবগ্রস্ত ২৫০টি পরিবারের মাঝে দুইদিন ব্যাপি খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে  রাজধানীর ওয়ারি, জয়কালি মন্দির, বিএনপি পার্টি অফিস সহ ৩৮নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে বিতরণ করা হয়। বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, ওয়ারি থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সেলিম, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের সাবেক ভিপি ও এইচড্যাব এর সভাপতি ডাঃ শফিকুল আলম নাদিম,  সম্মিলিত হোমিওপ্যাথিক জোটের আহবায়ক ডাঃ আরিফুর রহমান মোল্লা, সদস্য সচিব মজিবুল্লা মজিব, যুগ্মআহবায়ক ডাঃ এ কে এম জাকির হোসেন, ডাঃ আবুল খায়ের ভূইয়া, ডাঃ মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। 

এছারাও উপস্থিত ছিলেন ৩৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি গোলাম মাওলা, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক ফয়সাল মেহবুব মিজু, সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম সোহেল শেখ, ছাত্রনেতা মহিদুর রহমান রুমান ও সহসাধারন সম্পাদক রমজান ভূঁইয়া সহ কলেজ শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

পর্যায়ক্রমে যতদিন এই দুর্যোগ থাকবে ততদিন অসহায় নেতাকর্মীদের পাশে থাকার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যক্ত করেন অস্ট্রেলিয়া যুবদলের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত সবুজ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

করোনা নিয়ে চীন-অস্ট্রেলিয়া অসন্তোষ

মোহাম্মাদ আবদুল মতিন: শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের অস্ট্রেলিয়ায় না পাঠানোর হুমকি দিয়েছে চীন। করোনাভাইরাস নিয়ে সম্প্রতি স্বতন্ত্রভাবে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির এমন ঘোষণার পরই সেখানে শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের পাঠানো হবে না বলে সতর্ক করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত।

সম্প্রতি মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব নিয়ে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। করোনা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকারের এমন ঘোষণাকে বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত চেং জিনগিয়ে।

করোনা পরিস্থিতি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করে নিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রদূত চেং জিনগিয়ে। তিনি বলেন, তার দেশ সঠিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলো যে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে তাতে চীনাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, আমার মনে হয় এই পরিস্থিতি যদি খারাপ থেকে আরও খারাপের দিকে যায় তবে লোকজন ভাবতে শুরু করবে যে, আমরা কেন এমন দেশে যাব যারা চীনের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, পর্যটকরা অস্ট্রেলিয়ায় সফরের বিষয়ে দ্বিতীয়বার ভাববে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর বিষয়েও চিন্তা করবেন অভিভাবকরা। বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করতে যায় শিক্ষার্থীরা। এ থেকে দেশটির অর্থনীতিতে বড় অংকের অর্থ জমা হয়।

চীন থেকেও অনেক শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করতে যায়। যদি চীন তাদের শিক্ষার্থীদের আর অস্ট্রেলিয়ায় না পাঠায় তবে তা দেশটির জন্য নেতিবাচক হবে বলে উল্লেখ করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

সিডনি প্রবাসি নাসিম হোসেনের মৃত্যুতে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে শোকের ছাঁয়া

মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন: গত ২৭ এপ্রিল (সোমবার) সকালে ক্যান্টারবারী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সিডনির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসিম হোসেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইনল্লা ইলাহি রাজেউন)।

দীর্ঘদিন যাবত তিনি মরণব্যাধী ক্যানসারে ভোগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিলেন ৬২ বছর।  মরহুম নাসিম হোসেন স্ত্রী, দুই কন্যা, এক পুত্র এবং বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃতু্তে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে শোকের ছাঁয়া নেমে আসে।

নাসিম হোসেন ১৯৮১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশে আসেন। তিনি সিডনির লাকেম্বায় বসবাস করতেন। নাসিম হোসেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, দক্ষ সংগঠক এবং একজন কন্ঠশিল্পী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ কমিউনির বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। নাসিম হোসেনকে ন্যারিল্যান্ড কবরস্থানের দাফন করা হয়।