সিডনির ল্যাকাম্বায় নেতৃত্ব হারাচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশীরাঃ শঙ্কায় কমিউনিটি

সম্প্রতি ক্যাণ্টারবুরি ব্যাঙ্কসটাউন কাউন্সিলর মোহাম্মাদ জামান টিটু নির্ধারিত সময়ের আগেই পদত্যাগ করলে তার কাউন্সিলর পদটি শূন্য হয়। সাবেক এই কাউন্সিলর জানান, আমার কাউন্সিলর পদে না থাকার বিষয়টি সত্য। আমি কাউন্সিলর পদ থেকে স্ব-ইচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।

নির্ধারিত সময়ের আগে এই পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি মুঠোফোনে জানান, ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতার কারনে আমি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষনা করেছি। কেউ নিজেকে দেউলিয়া ঘোষনা করলে স্থানীয় সরকার আইনের ধারায় তার কাউন্সিলর পদে থাকা অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই দেউলিয়া ঘোষনার পাশাপশি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি কাউন্সিলর পদও ছেড়ে দিয়েছি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হাওয়া তার দুর্নীতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি জানান, দুর্নীতির কারনে আমি পদত্যাগ করিনি। অতি উৎসাহী যে কেউ কাউন্সিল থেকেই আমার পদত্যগের কারনটি জানতে পারবেন। দুর্নীতি করে থাকলে তো আমি মিলিয়ন ডলারের মালিক হতাম। তাহলে তো নিজেকে দেউলিয়া হিসেবে ঘোষনা দিতাম না।

মোহাম্মাদ জামান টিটু আবেগ জড়িত কণ্ঠে বলেন, যতদিন কমিউনিটির জন্য কাজ করেছি নিষ্ঠা ও সততার সাথে সবাইকে যথাসাধ্য সহযোগিতার চেষ্টা করেছি এবং আগামীতেও আমাকে কমিউনিটির পাশেই পাবেন। লিবারেল পার্টিতে তার অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি লিবারেল পার্টির পূর্বেকার সব দায়িত্বেই রয়েছি কারন দলের পদের সাথে দেউলিয়াত্বের কোনো সম্পর্ক নেই।

কমিউনিটির বিজ্ঞজনেরা বলছেন, কাউন্সিলর পদ থেকে মোহাম্মাদ জামান টিটুর এই পদত্যাগ সিডনির ক্যাণ্টারবুরি ব্যাঙ্কসটাউন বিশেষত ল্যাকাম্বায় বাংলাদেশীদের নেতৃত্বের প্রতি চ্যলেঞ্জ ও হুমকি স্বরূপ। আভ্যন্তরীন রেষারেষি ও দলীয় ক্রন্দোল মিটিয়ে বৃহৎ বাংলাদেশী কমিউনিটির স্বার্থে কাজ না করতে পারলে বাংলাদেশীরা অচিরেই ল্যাকাম্বায় নেতৃত্ব হারাবে বলেও তারা মনে করেন।