সিডনিতে পুলিশ পরিচয়ে ছিতাইকারীদের কবলে প্রবাসী

গতকাল ২০ নভেম্বর দিবাগত রাত প্রায় দুইটায় দিকে একজন প্রবাসী বাংলাদেশী কাজ শেষে বাসার সামনে এসে পুলিশ পরিচয়দানকারী একদল ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। সিডনির মিন্টু এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী জানান, ঐ রাতে বাসার সামনে গাড়ি থেকে নামার সময় তার মোবাইল ফোনে দেশ থেকে একটি জরুরি কল আসে। তিনি গাড়ীর সিটে বসে দরজা খোলা অবস্থায় কথা বলছিলেন। এই সময় পেছন থেকে সাদা রঙের একটি প্রাইভেট গাড়ি তাঁর পার্ক করা গাড়ীর সমান্তরালে রাস্তার মাঝে এসে দাঁড়ায়। এই সময় সাদা পোশাকে ৩০- ৩২ বছরের একজন গাড়ি থেকে নেমে এসে আন্ডারকভার পুলিশ পরিচয় দিয়ে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে চায়। অন্য দুইজন আরোহী তাদের গাড়িতেই বসে ছিল। তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স বের করে দিলে তাঁর কাছে কিংবা গাড়িতে ড্রাগ আছে সন্দেহে ছিনতাইকারী প্রথমে তাঁর ওয়ালেট ছিনিয়ে নেয় এবং পরে তাকে গাড়ির পিছনে গিয়ে দাঁড়াতে বলে। তিনি গাড়ির পিছনে গিয়ে দাঁড়ালে সে এলোপাথারি ভাবে গাড়ি ছার্চ করতে থাকে। তারপর দ্রুত নিজেদের গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ভদ্রলোক আরও জানান, পালিয়ে যাবার সময় তারা গাড়ির চাবি ও চশমা রাস্তায় ছুড়ে ফেলে যায়। পরে ঘটনা স্থলে পুলিশ এসে পৌছায়। কেউ আন্ডারকভার পুলিশ পরিচয় দিলে পুলিশ কমান্ড কমুনিটির সবাইকে তার পরিচয়পত্র চাওয়ার পরামর্শ দেয়। পুলিশ অনুসন্ধান চলছে।

আবুল হোসেনকে বাঁচাতে সিডনিতে কনসার্ট

অন্তরের সাড়ায়,
হৃদয়ের ডাকে,
জীবন বাঁচাতে,
বাড়াবে তোমার হাত……? 

আবুল হোসেন সহজ সরল, নির্বিবাদী, নিরীহ, নির্ঝঞ্ঝাট এক মানুষ। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা ( বর্তমানে কর্মহীন) আবুল একজন স্নেহময় পিতা, একজন প্রেমময় স্বামী, একজন বন্ধুবৎসল প্রিয় মুখ। স্বপ্নের মতই সাবলীল জীবনে হঠাৎ বিপর্যয় হয়ে আবুলকে গ্রাস করল এক মরণ ব্যাধি। দুটি কিডনীই অকেজো হয়ে গিয়ে আবুল এখন ঘোর অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। কিডনি প্রতিস্থাপন ছাড়া আবুলের জীবনে নতুন করে আলো ফোঁটার কোন সুযোগ এখন আর অবশিষ্ট নেই। আশার কথা হচ্ছে একজন কিডনি দাতার সন্ধান পাওয়া গেছে। যেখানে কিডনী দাতা প্রাপ্তি একটি দুরূহ ব্যাপার সেখানে দাতা পাওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র অর্থাভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন করা যাচ্ছে না–ভাবা যায়?

এই পর্যন্ত চালিয়ে আসা চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে সে এখন কপর্দকশূন্য। দৈনন্দিন ব্যয়ভার সংকুলান অসম্ভব প্রায় হওয়াতে তাকে চলে যেতে হয়েছে গ্রামের বাড়িতে। কিডনি প্রতিস্থাপনের মত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানোর আর্থিক সংগতি তার আর নেই। 

সবার সম্মিলিত সহযোগিতাই আবুলকে ফিরিয়ে দিতে পারে নতুন জীবন, বাঁচিয়ে রাখতে পারে একটি পরিবারের স্বপ্ন। একটি জীবন, একটি স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টায় সিডনির স্বনামধন্য শিল্পীদের পরিবেশনায় তহবিল সংগ্রহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি একান্তভাবে কাম‍্য।

সরাসরি সাহায্যের জন্যঃ
1. Account Name: SM Haque Sohag- Sumon Zahid & Anwar Hossain.
A/C No: 107-12100057641
A/C Type: Savings 
Bank Name: The Premier Bank Limited
7-9 Kawran Bazar, Dhaka
Swift Code: PRMRBDDHKBR
Routing No: 235262534

2. Bkash:
Sohag: 01927370551
Sumon Zahid: 01713163789

3.Kazi Ashfaqur Rahman & Syeda Tanzeen Fatema
BSB 062217
Account No 10567019
Commonwealth Bank of Australia. 
(Please mention for Abul and your name as reference.
e.g. For Abul/Ashfaq) প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিএনপির ফরেন রিলেশন কমিটির সদস্য হয়েছেন রাশেদুল হক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ফরেন রিলেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সিডনি বাংলাদেশী কমিউনিটি পরিচিত মুখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক  ছাত্রদল নেতা ও অস্ট্রেলিয়া বিএনপি নেতা মোহাম্মদ রাশেদুল হক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ফরেন রিলেশন কমিটির সভাপতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই নিয়োগ দেন। 

উল্লেখ্য গত ১৭ জানুয়ারি দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আগের কমিটি ভেঙে দেয়া হয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে ২১ সদস্যের এ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করেন তারেক রহমান। ২১ সদস্যের ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে পুরানো সদস্যদের মধ্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছাড়াও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহউদ্দিন আহমেদ, রিয়াজ রহমান, ড. এনামুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফাহিমা মুন্নী, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলালউদ্দিন, তাবিথ আউয়াল ও জেবা খান প্রমুখ আছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া শাখার বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

গত ১৭ নভেম্বর (রোববার) কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া শাখা সিডনির স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে তাদের বার্ষিক সাধারণ সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া শাখার সভাপতি কৃষিবিদ ডঃ আব্দুস সাদেক। সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ পরমেশ ভট্টাচার্য’র সঞ্চালনায় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ কৃষিবিদ এম আমিনুল ইসলাম।

সভার শুরুতেই প্রয়াত কৃষিবিদদের স্মরণে শোক প্রস্তাব পাঠ করে তাঁদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সম্প্রতি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর  সভাপতি কৃষিবিদ এম, এম সালেহ এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ জাভেদ ইকবাল এর স্মরনে স্মৃতিচারণ করা হয়। কৃষিবিদ সালেহ এর সতীর্থ বন্ধু কৃষিবিদ মাহবুবুর রহমান পাটোয়ারী, কৃষিবিদ ডঃ মঞ্জুর হামিদ কচি বিস্তারিত ভাবে আলোচনায় তুলে ধরেন।

সফররত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ কৃষিবিদ এম আমিনুল ইসলাম আনন্দের সাথে জানান যে, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যালয়ের সভা কক্ষটি  প্রয়াত কৃষিবিদ সালেহ এর স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর নামে নামকরন করা হয়েছে। উপস্থিত সকলেই এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ ও স্বাগত জানিয়ে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটি কে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে।

শরীয়তপুর জেলাবাসী অষ্ট্রেলিয়া’র বার্ষিক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উদযাপিত

গত ১৭ নভেম্বর (রবিবার) সন্ধ্যায় লাকেম্বা পাবলিক লাইব্রেরী হলে স্থানীয় শরীয়তপুর বাসীদের উপস্হিতিতে আনন্দ ও উল্লাসের মধ্য দিয়ে প্রথম বারের মত বাৎসরিক নৈশ ভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলোওয়াত, বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সদ্য প্রয়াত স্বপন দেওয়ানের  বাবা, কেয়া নুরের মা এবং নিরুপমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন মাসুম দেওয়ান, পলাশ হক, আসমা আলম ও সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ফারিয়া আহমেদ, রুনু রফিক, সুলতানা নুর ও সুজন মনমুগ্ধকর গান পরিবেশন করে। ছোট্ট সোনামনিদের জন্য ফেইস পেন্টিং, ফেয়ারী ডান্স, কবিতা আবৃতি ও লোকগীতি সহ আধুনিক গান পরিবেশিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্হ ‘শরীয়তপুর জেলা সমিতি’র সভাপতি আনিস উদ্দিন মিয়া। প্রধান অতিথ তার বক্তব্যে শরীয়তপুর জেলার কৃষ্টি ও ঐতিহ্য বিশদভাবে তুলে ধরে ১৯৮৪ সালে ইতিহাস খ্যাত ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহর নামে ৬ টি উপজেলার সমন্বয়ে নুতন জেলা শরীয়তপুর স্থাপনের প্রেক্ষাপট ও বর্ননা করেন। সুদুর প্রবাস অষ্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত শরীয়তপুর বাসীদের এক্যবদ্ধ্য হয়ে পারস্পরিক কল্যানে অত্র সংগঠন গড়ে তোলায় উপস্হিত শরীয়তপুর জেলাবাসীদের তিনি অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। 

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন বেলায়েত হোসেন, মোঃ আলী সিকদার, নুরুল হক মিলন, মাসুম দেওয়ান, আবু বক্কর, পলাশ হক, সিরাজুল ইসলাম, শরীফ আহমেদ, স্বপন দেওয়ান, শফিক সেখ, আসমা আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধায়ন ও পরিকল্পনায় ছিলেন অত্র সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর রফিক উদ্দিন।

এএমডব্লিওসি সানডে ইসলামিক স্কুলের বার্ষিক শিক্ষা প্রতিযোগিতা ২০১৯

অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার (এএমডব্লিওসি) কর্তৃক পরিচালিত এএমডব্লিওসি সানডে ইসলামিক স্কুলের বার্ষিক শিক্ষা প্রতিযোগিতা ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। বার্ষিক এ প্রতিযোগিতায় স্কুলের বিপুল ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহন করেন। সানডে মাদ্রাসা প্রতি রবিবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কুরআন ও ইসলামিয়াত অত্যন্ত অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালিত হয়। এএমডব্লিওসি এর এডুকেশন ও ইয়ূথ এফেয়ার সম্পাদক জনাব গোলাম মোস্তফা দায়িত্ব দেয়ার পরই নতুন আঙ্গিকে স্কুল পরিচালনার পরিকল্পনা নেন। সে অনুযায়ী অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা নেয়া হয়েছে।  এ বৎসর ছাত্র-ছাত্রীর বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক। ক্লাশ বা লেবেল ভিত্তিক অনুযায়ী কুরআন তেলওয়াত, ইসলামিক ষ্টাডিস ও তাজওহীদ বিষয়ে বার্ষিক প্রতিযোগিতা হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন মিন্টো মসজিদের পেশ ইমাম শেখ শহীদ, এএমডব্লিওসি এর সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, স্কুলের প্রিন্সিপাল গোলাম মোস্তফা, স্কুলের শিক্ষক রফিক ভূঞা ও মো. ফকরুল ইসলাম।

বিচারকদের সহায়তা করেন ষ্কুলের শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দ শাইয়ার শাহ শাহেদ, শালিনী শাহ, আবরার চৌধুরী, মেহনাজ ইকবাল, নাইম মোস্তফা, সাদাব হোসেন ও সাজেদুর প্রান্ত।  বার্ষিক প্রতিযোগিতায় স্কুলের অভিভাবক সহ সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সদস্যসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিল জনাব মাসুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।  পুরষ্কার বিতরন করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ড. আনিছুল আফছার, মিন্টো মসজিদের পেশ ইমাম শেখ শহীদ, স্কুলের প্রিন্সিপাল গোলাম মোস্তফা।  প্রতিযোগিতার তত্বাবধানে ছিলেন মহিউদ্দিন উল হক ও এ কে এম জামান। দুপুরের নামাজের পর বারবিকিউ  এর মাধ্যমে শিক্ষাথী ও অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

বিজয়ীরা হলেন -কুরআন তেলওয়াত (লেবেল-ওয়ান ১) প্রথম- নওয়া ভূঞা, দ্বিতীয়-সুমাইতা খান তৃতীয়-সাইয়ান। কুরআন তেলওয়াত (লেবেল-টু) প্রথম-আয়েশা ইমরান, দ্বিতীয়-জুনাইয়াহ জামান, তৃতীয়-নাডিড রহমান। কুরআন তেলওয়াত (লেবেল-থ্রি) প্রথম-সাফির হুসেন, দ্বিতীয়-আয়াত ভূঞা, তৃতীয়-সুহানা মুকিব। কুরআন তেলওয়াত (লেবেল-ফোর) প্রথম-আরিশা হক দ্বিতীয়-অদ্রিতা ভূঞা, তৃতীয়-আইমন হক। ইসলামিক ষ্টাডিস (লেবেল ওয়ান) প্রথম-রায়িড মোরশেদ, দ্বিতীয়-জাকারিয়া হুদা, তৃতীয়-সুমাইতা খানক।  ইসলামিক ষ্টাডিস (লেবেল টু) প্রথম-সাবরিন ইসলাম, দ্বিতীয়-আইডিন ভূঞা, তৃতীয়-রাজিয়া জেবিন। ইসলামিক ষ্টাডিস (লেবেল থ্রি) প্রথম-আরিশা হক ও সাকিব রশিদ, দ্বিতীয়-মাহিন মান্নান, তৃতীয়-তাসনিম হুশেন। তাজওহীদ (লেবেল ফোর) প্রথম-আরিশা হক,  দ্বিতীয়-আইয়েনা রহমান, লাবিব, সাফিন, তৃতীয়-অদ্রিতা ও সাবরিন।

উল্লেখ্য যে, সাউথ ইষ্ট এর ক্যাম্নেলটাউন সিটি কাউন্সিলস্থ মিন্টোতে মাল্টিপারপাস ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টার তৈরীর জন্য জমি ক্রয় করা হয়েছে। সম্প্রতি কমিউনিটি সেন্টার গড়ে তোলার জন্য সিটি কাউন্সিলের অনুমোদন নেয়া হয়েছে। যা শীঘ্রই প্রজেক্টের কাজ শুরু হবে।

অষ্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার এর কোন ভেরিফাইড ফেসবুক নেই

সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আতিকুর রহমান জানান যে, অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের এখনও কোন ভেরিফাইড ফেসবুক একাউন্ট নেই। সম্প্রতি কেহ কেহ বেনামে সংগঠনের নামে ফেসবুক আইডি খুলে বিভিন্ন প্রচারের কাজ করে যাচ্ছে যা সম্পূন বেআেইনী। এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে প্রচার সম্পাদক।

সবুজ বাংলা বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী শুরু হয়েছে

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের নিজস্ব জায়গায় সবুজ বাংলা বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী নেয়া হয়েছে। সংগঠনের যুগ্ন সম্পাদক সাদেকুর রহমান মুন ও কোষাক্ষ্য জাহিরুল ইসলামের তত্বাবধানে এ বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জাতের আম, কাঠাল, ফিক, দেশী জাম ও জামবুরা, লাউ, চকু, মিষ্টি কুমড়াসহ বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। কমিউনিটির অনেক সদস্য এ ধরনের প্রকল্পকে প্রসংশা করেছে এবং সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। যে কেহ এ প্রকল্পে সহায়তা করতে পারেন এবং সাদেকুর রহমান মুন ও জাহিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত

গত ১৬ নভেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে স্থানীয় একটি ফাংশন সেন্টারে শুভানুধ্যায়ী মিলন মেলার আয়োজন করা হয়। মিলন মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বানিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সুফিউর রহমান।

অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের সভাপতি মোস্তাক মেরাজের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অপু সরোয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বানিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী এমপি বলেন, ভারত হঠাৎ করে পেঁয়াজ রপ্তানী বন্ধ করে দেয়ায় দাম অতিরিক্ত বেড়ে গেছে। আমাদের পেঁয়াজের চাহিদা ২৫ থেকে ২৭ লক্ষ মেট্রিক টন। যার মধ্যে ২২ লক্ষ মেট্রিক টন দেশেই উৎপাদন হয়। কিন্তু যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে ২ থেকে ৫ লক্ষ মেট্রিক টন নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রায় সাত লক্ষ মেট্রিক টন ঘাটতি থেকে যায়। অতীতে সেই পেঁয়াজের জন্য আমরা কেবলমাত্র ভারতের উপর নির্ভরশীল ছিলাম। তারা হঠাৎ করেই রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।

মন্ত্রী আরও জানান, পেয়াজ রপ্তানীর সিদ্ধান্তের সময় তিনি ও প্রধানমন্ত্রী দুজনই দিল্লীতে ছিলেন। তারা ভারত সরকারকে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ না করার জন্যও বিশেষভাবে অনুরোধ করেছিলেন। তারা আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছিল আপাতত যেগুলো এলসি খোলা হয়েছে তা রপ্তানী হবে এবং পরে মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের পরে রপ্তানী বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে। কিন্তু সেটা না করায় দেশে পেঁয়াজের সঙ্কট দেখা দেয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সুফিউর রহমান, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ডাঃ আবুল হাসনাত মিলটন, যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আল নোমান শামীম, অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের সহ সভাপতি নিম তালুকদার, এমদাদ হোসেন প্রমুখ। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা এনাতুর রহমান বেলাল, এলিজা আক্তার টুম্পা, মহিউদ্দিন মুহি, আলি আশরাফ হিমেল, ওবায়দুর রহমান , বীর খান সহ অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। মিলন মেলা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশ ভোজের মাধ্যমে শেষ হয়।

জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভা করেছে আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়া

গত ১৬ নভেম্বর (শনিবার) দুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়া জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে সিডনির একটি ফাংশন সেন্টারে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। এই সভায় সফররত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি প্রধান অতিথি এবং অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সুফিউর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়া’র সভাপতি সিরাজুল হক এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক পিএস চুন্নুর সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে ৩ নভেম্বরে শহীদ মহান চার জাতীয় নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় এই সম্মানিত চার নেতা বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছেন এবং দেশের প্রতি ছিলো তাদের সীমাহীন ভালোবাসা। তিনি আরো বলেন, ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের ঘাতকরা একই সুঁতোয় গাঁথা, তারা চেয়েছিলো মহান নেতাদের হত্যা করলে তাঁদের আদর্শও হত্যা করা যাবে। কিন্তু এটা প্রমাণিত হয়েছে মহান আদর্শ কখনও হত্যা করা যায় না।

বিশেষ অতিথি হিসাবে রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন সারা দুনিয়ায় একটি জোয়ার আনতে পেরেছে। চার নেতার হত্যা বঙ্গবন্ধু হত্যার ধারাবাহিকতা এবং স্বাধীনতার চেতনাকে মুছে ফেলাই ছিল এই হত্যার মূল উদ্দেশ্য।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিরাজুল হক বলেন, হত্যা করে সব সময় মেরে ফেলা যায় না। তার প্রমাণ আজকের এই দিনটি।এই মহান চার নেতার প্রতি আমাদের এই শ্রদ্ধা নিবদেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়া, সিডনি শাখার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজাদ বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান চার নেতার জীবন ও আদর্শ ছিলো এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে অটুট। তাঁদের আত্মত্যাগের মহিমায় জাতি হিসেবে আমরা মহিমান্বিত এবং তাদের আদর্শায়িত পথে আওয়ামী লীগের রাজনীতি। আজকের দিনে আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক আমরা যেনো তাঁদের আদর্শ থেকে সরে না যাই।

ম্যাকুইরি ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ডক্টর রফিকুল ইসলাম জাতীয় চার নেতার প্রতি সন্মান জানান এবং প্রয়াত জাতীয় নেতা কামরুজ্জামানের পরিবারের সাথে সখ্যতার কথা তুলে ধরে আরও বলেন, দুর্নীতি এড়াতে পারলে সরকারের উন্নয়ন আরো টেকসই হতো। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মোল্লা, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের পারভীন খায়ের প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়া’র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান কচি, মোহাম্মদ আলী সিকদার, একেএম হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলেউর রহমান খুসবু, এসএম দিদার হোসেন, আইন সম্পাদক রিজভী শাওন, কোষাধক্ষ্য মোহাম্মদ আশরাফুল আলম লাবু, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক আবুল বাশার রিপন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, সিডনি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্মল কস্তা, সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন লাল্টু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক  মুশফিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রোহান, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম, মো. জাহিদ হোসেন, জুয়েল হাওলাদার, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক বকুল খান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ অস্ট্রেলিয়া’র সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

মেলবোর্নে ইন্টারন্যাশনাল সোর্সিং এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহন

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের কনভেনশন অ্যান্ড অ্যাক্সিভিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ইন্টারন্যাশনাল সোর্সিং এক্সপো-২০১৯। দুই দিনব্যাপী এ অ্যাক্সিভিশন গত মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) শুরু হয়ে চলে বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত।  

এটি মূলত বিভিন্ন দেশের এপারেল, এক্কেসরিজ, ও টেক্সটাইল সামগ্রী রফতানিকারকদের অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতা আকৃষ্ট করার মেলা। এই উপলক্ষে গত ১১ ই নভেম্বর (সোমবার) বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর উদ্যোগে এক প্রতিনিধিদল নিয়ে মেলবোর্নে আসেন কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি ও প্রাইভেট মেম্বারস বিলস অ্যান্ড রেসোল্যুশনস কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ। মেলায় স্টল দেয়ার জন্যে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৮টি কোম্পানির লোকজন ছাড়াও উনার সফর সঙ্গী হিসেবে আসেন বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর ডিরেক্টর জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) অভিজিত চৌধুরী ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম। 

মেলা ঘুরে ও বিভিন্ন প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতারা বাংলাদেশি সামগ্রী কিনতে খুব আগ্রহী। তারা বিভিন্ন বাংলাদেশি রফতানিকারক ও পরিবেশকদের কাছে অনেক সামগ্রীর অর্ডার দেন ও চুক্তিবদ্ধ হন। সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ ও বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর ডিরেক্টর জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) অভিজিত চৌধুরীর বরাতে জানা যায়- বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের সামগ্রীর আন্তর্জাতিক ব্রান্ডিংয়ের জন্যে সারা পৃথিবীব্যাপী এই ধরনের মেলায় অংশ নেয় ও বাংলাদেশের বিভিন্ন রফতানিকারকদের সরকারি খরচে বিদেশে দেশের পণ্য বিক্রির সুযোগ করে দেয়। বাংলাদেশের গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি যাতে উত্তরোত্তর সফলতা পায়, তার জন্যে বাংলাদেশ সরকার সদা তৎপর রয়েছে।

মেলায় বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর পক্ষে সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশনের কর্মকর্তা জনাব পীযুষ। এছাড়া মেলবোর্ন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতায় ছিলেন মেলবোর্ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. মাহবুবুল আলম, ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মোল্লা মো. রাশিদুল হক। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা এ কে আজাদ খান, রহিমা খাতুন ও মেলবোর্ন কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিভিশন সেন্টারের কর্মকর্তা জুলিয়া হল্ট অনেক সহযোগিতা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সিডনিতে তিনদিন ব্যাপি অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ ট্রেড কনফারেন্স শুরু

আজ ১৩ নভেম্বর (বুধবার) থেকে সিডনির ১১৭ ম্যাকুরি স্ট্রিটস্থ ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেলে বাংলাদেশ হাইকমিশন অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ ট্রেড কনফারেন্স শুরু হয়েছে। বিকেল সাড়ে ছয়টায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার ভূমি মালিক আদিবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফার্স্ট সেক্রেটারি মিসেস তাহলীল দেলোয়ার মুন। অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মান্যবর হাইকমিশনার সুফিউর রহমান স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনদিন ব্যাপি এই ট্রেড কনফারেন্স শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী জনাব টিপু মুন্সী।

হাইকমিশনার অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের বর্তমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক, উন্নয়ন পরিকল্পনা, ভিশন ২০২১ ও ভিশন ২০৪১ এর উপর বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি ট্রেড কনফারেন্সের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসহ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া’র দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্কের ইতিহাস তুলে ধরে ট্রেড কনফারেন্সটি এযাবৎ কালের সর্ববৃহৎ এবং বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক কুটনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই সময় বাংলাদেশ সরকারের অধীনে ব্যাপক উন্নয়নের উপর পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিও চিত্র দেখানো হয়।

এই ট্রেড কনফারেন্সে ৩৯ সদস্যের বাংলাদেশের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলও অংশগ্রহণ করছেন। অনুষ্ঠানে নিউ সাউথ ওয়েলস প্রিমিয়ারের প্রতিনিধি মার্ক কুরী এমপি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অস্ট্রেলিয়ায় বাঙলাদেশী কমুনিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন ও অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধিতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সদিচ্ছার কথা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে রাতের খাবার পরিবেশন করা হয়।

এই ট্রেড কনফারেন্সটি অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় রুপান্তরিত করবে বলে স্থানীয় বাংলাদেশী প্রবাসীরা আশা প্রকাশ করছেন।