সিডনিতে ‘আমরা কজনা’র পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

গত ২৬ অক্টোবর (শনিবার) সিডনির গ্লেনফিল্ডে মহিলাদের সংগঠন “আমরা কজনা” বন্ধুদের সাথে ঘরোয়া পরিবেশে তাদের ষষ্ঠ পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। শীতের শেষে বসন্তের এই আয়োজনে হাতের তৈরি হরেক রকমের দেশীয় পিঠা-পুলি উৎসবে স্থান পায়।  আয়োজকরা জানান, দেশীয় ঐতিহ্য কে বিদেশের মাটিতে ধরে রাখতে ও প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এই পিঠা উৎসব আমাদের সামান্য  প্রচেষ্টা।

প্রতিবারের মতো এবারের আয়োজনেও  ছিল  ক্ষুদের ভাতের সাথে  রকমারি ঝাল ভর্তা সহ হরেক রকমের মুখরোচক দুপুরের  খাবার।  পিঠা প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলার জন্য ছিল তিনটি করে পুরস্কার।  পাশাপাশি দিপতী পল চৌধুরীর শাড়ীর দোকান, সীমা আহমেদ ও রুনু  রফিকের কণ্ঠে দেশীয় গান পিঠা উৎসবকে আরও প্রানবন্ত করে তোলে।  পিঠা উৎসব সফল ও প্রানবন্ত করতে আয়োজকরা সবাইকে অসংখ্য  ধন্যবাদের পাশাপাশি আন্তরিক ভালবাসা জানিয়েছেন।

পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে উইমেন কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া’র আত্মপ্রকাশ

গত ২৬ অক্টোবর (শনিবার) দুপুরে সিডনির ল্যাকেম্বাস্থ সিনিয়র সিটিজেন সেন্টারে প্রবাসী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উইমেন কাউন্সিল  অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আলোচকরা, পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে  সচেতনতা বৃদ্ধিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে  কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

এ্যানি সাবরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন, নিউ সাউথ ওয়েলস সংসদের অ্যাসিস্ট্যান্ট স্পিকার মার্ক কুরি এমপি, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের শ্যাডো পাবলিক সার্ভিস মিনিষ্টার সফি কস্টিস এমপি,  ক্যান্টাবেরী ব্যাংকসটাউন কাউন্সিলের মেয়র কাল আসফুর, কাউন্সিলর নাদিয়া সালেহ, কাউন্সিলর লিন্ডা ইসলার, কাউন্সিলর জর্জ জাকিয়া, কাউন্সিলর রিশেল হারিকা, বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ডাঃ আয়াজ চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি নিউ সাউথ ওয়েলসের সাবেক সভাপতি ডাঃ জেসি চৌধুরী, শক্তি অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল কো অর্ডিনেটর  ডঃ সাবরিন ফারুকি উর্শী, সাবেক কাউন্সিলর রাজ দত্ত, সলিসিটর আমজাদ খান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উইমেন  কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া’র পক্ষে  বক্তব্য রাখেন নাসরিন নাহার। এই সময় উপস্হিত ছিলেন তিশা তাসনিম তানিয়া, পপি কবির, এলিজা জারা টুম্পা, সাজেদা আক্তার। আলোচকরা বলেন, প্রবাসে আমাদের অনেক অর্জনের পাশাপাশি অবক্ষয়ও আছে। প্রতিটি  সমাজেই নারী নির্যাতন সহ  অভিবাসী নারীদের ভাষাগত দুর্বলতা বিশেষত ইংরেজি না জানা বা কম জানার কারনে  অনেক নারী গৃহে নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন না। ফলে  তাঁরা যথাযত প্রতিকারও খুঁজে পাচ্ছেন না। সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা হ্রাস করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন ক্যান্টাবেরী ব্যাংকস টাউন কাউন্সিলের কাউন্সিলর শাহে জামান টিটো এবং পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জাহাঙ্গীর আলম। উল্লেখ্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উইমেন কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী নারীদের বিভিন্ন পরামর্শ ও সেবা সম্পর্কে সচেতন করে তোলার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক ও বিনোদনমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।