অধ্যাপক মোল্লা মোঃ রিয়াছত উল্লাহর ৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

অধ্যাপক মোল্লা মোঃ রিয়াছত উল্লাহ একজন জ্ঞান তাপস সজ্জনব্যক্তি ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। চাঁদপুর জেলার মতলব (দঃ) থানার কদমতলী গ্রামে ১৯৪১ সালের ১০ ডিসেম্বর জন্ম গ্রহন করেন। উনার পিতার নাম মৌলভী মুখলেছুর রহমান, মাতার নাম মোসাম্মৎ রাশিদা খাতুন।

বাবার বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব (দঃ) থানার কদমতলী গ্রামে আর মায়ের বাড়ি চাঁদপুর সদর থানার পুরানবাজার এলাকায়। চাঁদপুরের বর্তমান মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে উনার আপন খালাতো ভাই হন।

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত ত্যাগের রাজনীতির এক উজ্জ্বল উদাহরন হচ্ছেন মোল্লা মোঃ রিয়াছত উল্লা, যার শিক্ষা ও রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় মতলব জেবি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। সেখান থেকে মেট্রিক পাস করেন। এরপর চাঁদপুর সরকারী কলেজ অধ্যয়নরত অবস্থায় রাজনীতির প্রকৃত হাতেখড়ি ঘটে এবং তিনি চাঁদপুর সরকারী কলেজ থেকে ইন্টার মিডিয়েট পাশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম দশের মধ্যে অবস্থান করে ভর্তি হন ইংরেজী বিভাগে।

পড়াশুনার সাথে চলে তুখোড় রাজনীতি। উনার বন্ধু বাংলা একাডেমীর পরিচালক বিখ্যাত কবি আসাদ চৌধুরীর মতে তখন রাজনীতি করতোই উনার মতো মেধাবীরা। অমেধাবীরা রাজনীতিতে স্থানই পেত না। তাই উনার মতো মেধাবীরা এগিয়ে এসেছিলেন দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের রাজনীতিতে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স ও মাষ্টার্স পাশ করেন।

ষাটের দশকের শুরুতে যখন পশ্চিম পাকিস্তানিদের বৈষম্যের প্রতিবাদে বাংলাদেশ উত্তপ্ত তখন উনি ৬২ ’র শিক্ষা আন্দোলনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও হলের ভিপি নির্বাচিত হন।  এরপর তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৬৩-৬৪ সালে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের পক্ষে ভিপি পদে নির্বাচন করেন। ওই সময় বাংলার প্রাক্তন মূখ্যমন্ত্রী (১৯৪৬-৪৭) ও পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৬-৫৭) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী লেবাননে মৃত্যুবরন করায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামীলীগ শোক বিহবল থাকার কারনে বঙ্গবন্ধু ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি উনাকে কোন সহযোগীতা করতে পারেননি।

ফলশ্রুতিতে মাত্র এক ভোটের ব্যাবধানে জিতে যায় ছাত্র ইউনিয়নের ভিপি পদপ্রার্থী জনাব রাশেদ খান মেনন (জিএস পদে বিজয়ী হন ছাত্র ইউনিয়নের মতিয়া চৌধুরী)। এরপর বঙ্গবন্ধু ও শেখ ফজলুল হক মনির স্নেহধন্য হয়ে তাদের পরামর্শে রাজনীতি চালিয়ে যান ও ১৯৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলন ও ১৯৬৯ এর গণ-অভ্যূত্থানের সময় আন্দোলনে শরীক হন। এলাকার মানুষের জন্যে উনার এত প্রবল ভালোবাসা ছিল যে উনি ঢাকার তেজগাঁও কলেজ ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া কলেজের শিক্ষকতা বাদ দিয়ে নিজের এলাকায় চলে আসেন ও উনার শিক্ষক পাটোয়ারী স্যারের অনুরোধে মতলব ডিগ্রী কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন।

শুধু তাই না, বিয়ের পর উনার স্ত্রীকে রংপুর সরকারী মহিলা কলেজ থেকে নিয়ে এসে সদ্য প্রতিষ্ঠিত মতলবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেওয়ান। পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে পুরো পাকিস্তানে ১১৪ তম হয়েও শুধুমাত্র ছাত্রলীগ করার অপরাধে উনাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়নি এবং উনি সরকারী আমলা হতে পারেন নি।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে চাঁদপুরের বিখ্যাত রাজনীতিবিদ জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরীর আত্মীয় ও আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনির স্নেহধন্য হয়ে মনোনয়ন লাভ করেও ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক কারনে নির্বাচন করতে পারেন নাই। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করার ইচ্ছে থাকলেও হানাদার বাহিনীর কারনে যেতে পারেননি।

তরুন যুবনেতা হবার কারনে হানাদার বাহিনীর শর্তই ছিল উনাকে প্রতিদিন থানায় গিয়ে হাজিরা দিতে হবে, নইলে উনার পুরো গ্রাম তারা জালিয়ে ছাড়খার করে দেবে। তাই উনি সংগঠকের ভুমিকা পালন করেন। নিজের আত্মীয় স্বজনসহ অনেককেই উনি মুক্তিযুদ্ধে পাঠান। এটা টের পেয়ে উনার বাস ভবনে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী প্রথমে লুটপাট করে ও পরে অগ্নি সংযোগ করে ভস্মিভুত করে দেয়। এসময় উনি ও উনার স্ত্রী (মিসেস রহিমা খাতুন – প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা, মতলবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়) সীমাহীন নির্যাতনের শিকার হন। এ সময় স্বামী-স্ত্রী দুই জন চাকুরীচ্যুত হন।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু উনাকে বাংলার বানী পত্রিকার সম্পাদক অথবা বাংলাদেশ বেতারের ডাইরেক্টার হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন কিন্তু তিনি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চান বলে ঢাকায় যেতে চাননি। তখনকার চাঁদপুর মহকুমায় রাজনীতি চালিয়ে যেতে থাকেন। ১৯৭১ সালের পর তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অদর্শের রাজনীতিতে অবিচল থেকে মতলবের রাজনীতিতে আজীবন অসামান্য অবদান রাখেন।

১৯৭৫ সালের পরবর্তী দুঃসময়ে যখন আওয়ামী লীগ করার জন্যে লোক খুজে পাওয়া যেতো না তখনও তিনি অসীম সাহসে তার রাজনৈতিক কাজ চালিয়ে যান।  তখন আওয়ামী লীগ বিভেদ দেখা দিলে তিনি মিজানুর রহমান সাহেবের আত্মীয় হয়েও তার সাথে যোগ না দিয়ে মুল ধারার আওয়ামী লীগে (আব্দুল মালেক উকিলের সভাপতিত্বে থাকা গ্রুপ – যাদের কাছ থেকে ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা সভাপতির দায়িত্ব বুঝে নেন) কাজ করে যান ও পরে অবিভক্ত মতলব থানা শাখার সভপতি হন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে তিনি এ অঞ্চলে অওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কে সংগঠিত করে রেখেছিলেন।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে আসার পর তিনি পর পর দুই বার পুনরায় অবিভক্ত মতলব থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। জেনারেল এরশাদের শাসনামলে যখন অনেকেই জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন ও যখন বাংলাদেশে ফ্রীডম পার্টির মহোৎসব চলছিল তখন মতলবে আওয়ামী লীগের একজন প্রাক্তন সংসদ সদস্যসহ অনেকেই দল ছাড়েন, তখনও উনি দলচ্যুত না হয়ে দৃঢ়তার সাথে আওয়ামী লীগের জন্যে কাজ করে যান। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে উনি আওয়ামী লীগ মনোনীত লোকের জন্যে কাজ করেন।

জেনারেল জিয়া ও জেনারেল এরশাদের শাসনামলে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাক্কা থাকায় উনি উনার কর্মীদের নিয়ে রাতের আঁধারে বৃষ্টির মধ্যে “চিকা” মারতেন যাতে লেখা থাকতো “বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চাই”। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে উনি শোক দিবসের অনুষ্ঠান করতেন কিন্তু তৎকালীন সরকার ও পুলিশের ভয়ে দু একজন ছাড়া কেউ অনুষ্ঠানে আসতো না। মাইক লাগিয়ে রাখতেন বাজারের দিকে। লোকে জিজ্ঞেস করতো প্রফেসর সাহেব, লোক নাই, মাইক লাগিয়েছেন কেন? উনি বলতেন মাইক লাগিয়েছি যাতে যারা এখানে আসতে সাহস পাচ্ছে না, তারাও যেন দোকানে বসে বসে বঙ্গবন্ধুর কথা শোনে। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর নাম ও প্রকৃত ইতিহাস শুনে বড় হয়। সারা জীবন অধ্যাপনা করে যা বেতন পেতেন তার সবটুকুই ব্যয় করতেন কর্মীদের জন্যে। সারা জীবন দিয়ে যাওয়া ছাড়া রাজনীতি থেকে কামাইয়ের কথা উনি চিন্তাও করতে পারতেন না। 

জননেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনপুস্ট হয়ে ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর – ৩ (বর্তমানে চাঁদপুর-২ ও ৩ এর কিছু অংশ) নির্বাচনী আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতা বিরোধীদের ভারত বিরোধী ও আওয়ামী বিরোধী প্রপাগান্ডা ও বিএনপির টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার কৌশলে উনি অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। অনেককেই বলতে শোনা যায়, স্যার অধিকতর যোগ্য হওয়া সত্তেও স্রেফ আওয়ামী লীগ প্রার্থী হবার কারনে হেরে গেলেন। সেই প্রপাগান্ডাকারীরা অনেকেই আজও বেঁচে আছেন। তাদের প্রপাগান্ডা বুঝে হোক, না বুঝে হোক দিয়ে যাচ্ছেন তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে !!

১৯৯৬ সালে দল ক্ষমতায় আসার পর অনেকেই আওয়ামী লীগ করতে উদ্বুদ্ধ হয়। উনি এরপর চাঁদপুর জেলার রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট হন। উনি দীর্ঘদিন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ছিলেন ও পরবর্তীতে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর উনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য মনোনীত হন। 

রাজনীতি ছাড়াও উনি অনেক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ৭০ এর দশকে তিনি বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি হন এবং পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি দুই বার মতলব থানা সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি আমরা ধুমপান নিবারন করি (আধুনিক) এর মতলব থানার আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন। তিনি মতলব কল্যান পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘ দিন।

অধ্যাপক মোল্লা মোঃ রিয়াছ উল্লা জীবনের অধীকাংশ সময় মতলব ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে এই জ্ঞান তাপস একাদিক বার শ্রেষ্ট শিক্ষক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি কিছু দিন ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকায় সাংবাদিকতাও করেছেন। ৯০ এর দশকে সংবাদ পত্রিকায় তার লেখা “কবিতায় উত্তর আধুনিকতা” প্রবন্ধটি পাঠক মহলে বেশ সারা পড়ে ছিল। কবিতা লেখায় তিনি সিদ্ধ হস্ত ছিলেন। তিনি অত্যন্ত সাদামাঠা জীবন যাপনে অভ্যস্থ ছিলেন। এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনের সাথে সব সময় নিজেকে জড়িয়ে রাখতেন। মতলবের প্রিয়মুখ সদা হাসোজ্জল নিরহংকারী জ্ঞান তাপস এই অধ্যাপক জাতীয় ইতিহাস পরিষদের সদস্য ছিলেন।

অধ্যাপক মোল্লা মোঃ রিয়াছত উল্লা জীবনব্যপী জ্ঞান অর্জন এবং জ্ঞান দান করে গেছেন। উনার হাজার হাজার ছাত্র ছাত্রী দেশ বিদেশে ছড়িয়ে আছে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত রেখে ছিলেন। মতলবের শ্রেষ্ঠ বিদ্যা পিঠ মতলব ডিগ্রি কলেজের তিনি ছিলেন জ্ঞানের বাতি ঘড়। ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে ও তিনি কাজ করেছেন। ধর্মীয় মূল্যবোধে তিনি জীবন পরিচালিত করতেন। তিনি মতলব হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। এছাড়া তিনি মতলব হাজীর ঢোন মসজিদ নির্মাতাদের একজন (উনার স্ত্রী মিসেস রহিমা খাতুন ছিলেন এর উদ্যোক্তা)।

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মানের এই আদর্শের সৈনিক অজীবন সাধারন মানুষের জন্য কাজ করে গেছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অধ্যাপক মোল্লা মোঃ রিয়াছত উল্লার ছিল অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস। ১/১১ এর জননেত্রী শেখ হাসিনার গ্রেফতারের ঘটনার উনি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন ও নেত্রী মুক্তির দাবীতে আন্দোলনে শরীক হন।

২০১২ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর একজন মানুষের উপকারারর্থে গিয়ে উনি কুমিল্লার চান্দিনায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

জীবনের শেষ মুহূর্তেও উনি মানুষের উপকার করার রাজনীতি করে গেছেন। মৃত্যুকালে উনি দুই ছেলে রেখে যান। উনার বড় ছেলে মোল্লা মোঃ রেজাউল হক একজন ব্যাবসায়ী আর ছোট ছেলে মোল্লা মোঃ রাশিদুল হক অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ও মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক, মেলবোর্ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, মেলবোর্ন বাংলাদেশী কম্যুনিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ও মেলবোর্ন বাংলা স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। উনার মৃত্যুবার্ষিকীতে উনার পরিবার সবার কাছে উনার জন্যে দোয়া চেয়েছেন। আল্লাহ উনাকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।

লেখক: ছেলে মোল্লা মোঃ রাশিদুল হক

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s