সিডনিতে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত

গত ২৯ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সিডনির ওআলী পার্কের একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়া বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশের জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৩ তম জন্মদিন পালন করে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরুর পর শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন এম এ সালাম ।

আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি সিরাজুল হক সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক সঞ্চালনা করেন পি এস চুন্নুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আমিনুল ইসলাম রুবেল, সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অস্ট্রেলিয়া, আল জাকারিয়া মামুন স্বপন দেওয়ান সভাপতি, সেচ্ছাসেবক লীগ অস্ট্রেলিয়া, আলতাফ হোসাইন লাল্টু, সহ-সভাপতি,সিডনি আওয়ামীলীগ, ফয়সাল আজাদ, সাধারন সম্পাদক,সিডনি আওয়ামীলীগ, আবুল বাসার রিপন, দিদার হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক,অস্ট্রেলিয়া আওয়ামীলীগ, মোসলেউর রহমান খুসবু, সাংগঠনিক সম্পাদক, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামীলীগ, মোহাম্মদ আলী সিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়া, সেলিমা বেগম, গিয়াস উদ্দিন মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়া, ডঃ মলয় বিশ্বাস, ডঃ সুলতানা পারভীন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. রতন কুন্ডু প্রমুখ।

বক্তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৩ তম জন্মদিনে নেত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করে চলমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণায় তাকে সাধুবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি নেতৃবৃন্দ সুবিধাবাদী বিএনপি, জামাত থেকে দলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পরীক্ষিত আওয়ামীলীগের কর্মীদের দলীয় অন্তঃকোন্দলে এই চক্র সুযোগ নিয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে আসছে বলেও বক্তারা মন্তব্য করেন। অস্ট্রেলিয়ায় অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়ার সকল সদস্যকে সজাগ থাকতে আহবান জানান বক্তারা।

আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি সিরাজুল হক ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামীলীগ দলীয় কোন্দলের ঊর্ধে থেকে শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করার পক্ষ্যেঐক্যমতে দলের পরীক্ষিত আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের সকলকে নিয়ে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

শেখ হাসিনার ৭৩ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা হয়। উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে নৈশভোজের আহবান জানিয়ে সভার পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

কাজী আশফাক রহমানঃ “সবার জন্য ক্রীড়া, বিজয়ীও সবাই” এই মূল মন্ত্রকে ধারণ করে প্রতি বছরের মত এবারও ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা  আজ ২৯শে সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকাল সাড়ে এগারোটায় স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবারের নিয়মিত ভাষা শিক্ষার ক্লাস শেষে উৎসব মুখর পরিবেশে শুরু হওয়া এই আয়োজনে স্কুলের ছাত্রছাত্রী ছাড়াও শিক্ষক, অভিভাবক ও কার্যকরী কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করে। বয়স ভিত্তিতে একাধিক ইভেন্টের এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সবাই দারুন ভাবে উপভোগ করে। এবারের আসরে স্থান পাওয়া খেলাগুলি হল দৌড়, দড়ি লাফ, চামচ দৌড়, বিস্কুট দৌড়, লক্ষ্যে বল ছোড়া, পিলো পাস, বল কিকিং,স্মরণ শক্তি ও সাধারণ জ্ঞান।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের বাইরে অভিভাবক, শিক্ষক এবং কার্যকরী কমিটির সদস্যদের নিয়ে পুরুষ ও মহিলা শাখায় দুটি চমকপ্রদ খেলার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের বিভিন্ন খেলায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করে।

স্কুলের পক্ষ থেকে সবার জন্য খাবার ও পানীয় পরিবেশন করা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে সবার মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন সভাপতি আবদুল জলিল এবং নাতি ও নাতনি নিয়ে স্কুলে আসা অভিভাবক  সেলিনা পারভিন।

পুঅনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্কুলের সহ সভাপতি মাসুদ মিথুন এবং নির্বাহী সদস্য রুমানা খান। উপস্থাপনায় ছিলেন কোষাধ্যক্ষ মসিউল আজম খান স্বপন। প্রসংগত উল্লেখ্য ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল প্রতি রবিবার সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব বাংলা ভাষাভাষীর জন্য উন্মুক্ত থাকে।

সিডনিতে পেন্সিল অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত

সালেহ আহমেদ জামীঃ গত ২৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সিডনির ইঙ্গেলবার্নে পেন্সিল অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত হয়। সৃজন ও সৃষ্টিশীল লেখক-পাঠকের, রুচিশীল শিল্পী ও উদ্ভাবনী চিত্র গ্রাহকদের, মার্জিত ও পরিমিতি বোধ সম্পন্ন পেন্সিলরসদের মনোজ্ঞ এই আয়োজন মুগ্ধ করেছে অংশ নেওয়া সকলকে।

শুদ্ধ বাংলা সাহিত্য চর্চা, সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ এবং নান্দনিক কিছু সৃষ্টির প্ল্যাটফর্ম তৈরীর স্বপ্ন নিয়ে ২০১৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সৃষ্টি হয়েছিল ফেসবুকভিত্তিক সাহিত্যচর্চার গ্রূপ ‘পেন্সিল’।

সেই পেন্সিলের ব্যাপ্তি আজ পৃথিবীর সকল সীমায় পৌঁছে গেছে। দ্বীপ মহাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় সহস্রাধিক সদস্য প্রতিদিনই তাঁদের সৃষ্টিশীলতায় এই স্বপ্ন বাহনকে ঋদ্ধ করে চলেছেন নিরলসভাবে। পাশাপাশি চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া।

তৃতীয় বছর পূর্তিতে এসে আজ সেই শপথ আরো মজবুত ও দৃঢ় ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হলো। সিডনিতে পেন্সিলররা ঘোষণা দিলেন এই অচলাতয়নের সময়কালকে একটি শুদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চার চারণভূমি হিসাবে দাঁড় করিয়ে তাঁরা সম্মুখ পানে এগিয়ে যাবেন।

বর্তমানে পেন্সিলের আছে ‘পেন্সিল ফাউন্ডেশন ও পেন্সিল পাবলিকেশনস’। নানান ধরণের সামাজিক সচেতনতা এবং উন্নয়নের পাশাপাশি প্রকাশনার সাথে তারা জড়িয়ে। অনলাইনভিত্তিক একটি গ্রূপের এই দুর্বার শক্তি, নিখাদ ভালোবাসা আর অকল্পনীয় আস্থাশীলতায় আজ পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় পেন্সিলরের জন্ম দিচ্ছে প্রতিদিন। এই অর্জন সকল পেন্সিলরের। এই উন্মত্ত নব জাগরণ এসেছে অস্ট্রেলিয়াতেও।

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতী সঙ্গীতের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সাকিনা আক্তার ও জয় কবির বিকাল ৪ টায়।স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরিফ ইসলাম।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানটি আকস্মিক আশীর্বাদে ভরিয়ে তোলেন কথাসাহিত্যিক, গবেষক, প্রাবন্ধিক সেলিনা হোসেন। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগঠন প্রভৃতির তিনি একজন তারকাজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। পেন্সিল অস্ট্রেলিয়ার সদস্যরা ফুলের তোড়া আর উপহার দিয়ে বরণ করেন এই বিশেষ অতিথিকে।

উপস্থিত পেন্সিলররা কেক কেটে তৃতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপনের রংকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুন। এছাড়াও চমকপ্রদ বর্ষপূর্তির আয়োজনে ছিল অবিরাম গল্প বলা, গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, স্মৃতিকথা, সমবেত গান। শিল্পী তালিকায় ছিলেন সিডনির সব বিখ্যাত স্থানীয় শিল্পীরা। একটা পরিবারের মতোই তারা আয়োজন করেছিলেন এই উপভোগ্য অনুষ্ঠান। আগামী জন্ম বার্ষিকীর আগে পর্যন্ত রয়ে যাবে এর রেশ। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে পেন্সিল অস্ট্রেলিয়া উদযাপন করার প্রত্যয় জানান পেন্সিলের মডারেটর সাকিনা আক্তার।

অবিরাম গল্প বলা পর্বটি পরিচালনা করেন সালেহ আহমেদ জামী। একেবারেই অপ্রচলিত এই পর্বে অবিরাম গল্প শোনান কবিরউদ্দিন সরকার, শাখাওয়াৎ নয়ন , মমতাজ রহমান,আইভি রহমান ও সুরঞ্জনা জেনিফার রহমান। গল্পকারদের অভিনবত্বে বিমোহিত হয়েছিলেন পেন্সিলররা। তাঁদের উপস্থাপনে মুন্সিয়ানা ছিল লক্ষ্য করার মতন। বাচিক শিল্পীরা তাঁদের সহজাত ভঙ্গিমায় ফুটিয়ে তোলেন অসামান্য কাব্য প্রতিভা।

কবিতা আবৃত্তি করে শোনান মুগ্ধ রবি, শহিদুল আলম বাদল, সুলতানা পারভীন, শাখাওয়াৎ নয়ন, অনীলা পারভীন, জেরীন  আফরীন, যোবাইদা রত্না, তাম্মি পারভেজ, মাসুদ পারভেজ, মুনা মুস্তাফা, এনজেলিনা ঢালী, নির্মল চক্রবর্তী, নোমান শামিম, আরিফুর রহমান , মিল্টন হাসনাত ও ফারজানা হাসান। মনোমুগ্ধকর নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন সামারা জাহান হক, অরুন্ধতী ঢালী (অর্চি) ও সারিকা চৌধুরী।

সবশেষে পেন্সিলরদের গান গেয়ে শোনান জিয়াউল ইসলাম তমাল, শাহনাজ পারভীন, ইয়েজ পারভেজ মিহির, রাশনান, নীলাদ্রি চক্রবর্তী, সাইফুর রহমান খান, ফারলিন আলম ও রাহুল হাসান। যন্ত্রের সহযোগিতা করেন তবলায় জিয়াউল ইসলাম তমাল, গিটারে  ইয়েজ পারভেজ মিহির, কিবোর্ডে নীলাদ্রি চক্রবর্তী,  হারমোনিয়ামে সাকিনা আক্তার। সংগীতের মূর্ছনায় তাঁরা মাতিয়ে রাখেন দর্শক শ্রোতাদের সমাপ্তি ঘোষণার আগে পর্যন্ত। কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে পেন্সিল অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে উপহার প্রদান করা হয় অংশগ্রহণ করা পেন্সিলর পরিবারদের। অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন সাকিনা আক্তার ও জয় কবির।

তাঁদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতায় ছিলেন জিয়াউল ইসলাম তমাল, সালেহ আহমেদ জামী, শাখাওয়াৎ নয়ন, ইয়েজ পারভেজ মিহির, অনামিকা ধর,  মুনীর বিশ্বাস,  ফরিদা আক্তার, আজিজা শাহাদাত, ফিরোজ ফারুক, শুভ্রা মুস্তারিন,  আসমা আলম কাশফী সহ আরো অনেক শুভানুধ্যায়ী। শব্দ নিয়ন্ত্রনে ছিলেন জিয়াউল ইসলাম তমাল,  ইয়েজ পারভেজ মিহির।

তৃতীয় জন্ম বার্ষিকীর প্রাক্কালে এর প্রচারে ছিল  প্রথম আলো, সিডনি প্রতিদিন, স্বদেশ বার্তা,  প্রভাত ফেরি, বাংলা হাব ইনক, মাসিক মুক্তমঞ্চ, প্রশান্তিকা, সিডনি বাঙালি, এলএ  বাংলা টাইমস, নবধারা, স্বদেশ বার্তা, বাংলা সিডনি, জন্মভূমি টেলিভিশন, প্রিয় অস্ট্রেলিয়া ও ইভেন্ট ৩৬০।

উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বরেণ্য শিল্পীরা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, আলোকচিত্রী, সকল শুভাকাঙ্ক্ষী। অনুষ্ঠানের শেষে সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয় পেনসিল অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে।

সিডনিতে সেলিনা হোসেনের সাহিত্য সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

গত ২৭ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যায় সিডনির হার্স্টভিল সিভিক সেন্টারে একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়া ইনক ‘গায়ত্রী সন্ধ্যায় যাপিত জীবনের গল্প’ শীর্ষক এক সাহিত্য সন্ধ্যার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন ও তাঁর স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরুর পর দম্পতিকে সম্মানসূচক ক্রেস্ট প্রদান করে একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি স্বপন পাল, সহ সভাপতি নোমান শামীম, সাধারণ সম্পাদক জন্মে জয় রায় ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নেহাল বারী প্রমুখ।

সাহিত্য সন্ধ্যায় সেলিনা হোসেন এবং তাঁর জীবনসঙ্গী বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন প্রতিষ্ঠিত ‘ফারিয়া লারা ফাউন্ডেশন’কে ১৬৮০ ডলার অনুদান প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, ফারিয়া হোসেন লারা বাংলাদেশের প্রথম প্রশিক্ষক নারী বৈমানিক ছিলেন। যিনি ১৯৯৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর এক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।

ড. শাখাওয়াৎ নয়নের সঞ্চালনায় এই সন্ধ্যায় সেলিনা হোসেন উপস্থিত সুধীজনদের সঙ্গে তাঁর শিক্ষা, কর্মজীবন, সাহিত্য ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সেলিনা হোসেন  বলেন, সততার সাথে কাজ করায় কখনো কোন প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়নি বলে সাহিত্যের জায়গাটা তৈরী করে নিতে পেরেছি। আমাদের নতুন প্রজন্মকে সাহিত্যের রসে আলোকিত করতে হবে। সাহিত্যে বৈচিত্রতার জানাতে গিয়ে তিনি প্রতিটি কাজেই তাঁর স্বামী অনুপ্রেরণার কথা উল্লেখ করেন।দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে সাহায্য করার জন্যই লারা ফাউন্ডেশন গড়ে তোলার কথা জানান তিনি।  

বাংলা কথা সাহিত্যে শুধু নারী লেখক নয়, বরং যে কোনো বিচারেই সেলিনা হোসেনের নাম সম সাময়িককালে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কারসহ দেশ-বিদেশের বহু পুরস্কারে তিনি ভূষিত এবং সম্মানিত হয়েছেন। ভারতের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডক্টরেট (অনারারি) ডিগ্রিতে ভূষিত করেছে। পৈতৃক সূত্রে তার বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায় হলেও, বাবার কর্মসূত্রে ৪৭ সালের ১৪ জুন রাজশাহীতে তার জন্ম।  

একদিকে বঞ্চিত, অবহেলিত এবং দরিদ্র মানুষের জীবন-জীবিকা, মানবসত্তা নিয়ে যেমন তিনি লিখেছেন, অন্যদিকে তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালির সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক জীবনের এমন কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা নেই, যে বিষয়কে উপজীব্য করে তিনি গল্প, উপন্যাস লেখেন নাই। ছিটমহল থেকে জলমহাল, চা বাগানের শ্রমিক থেকে নাগরিক জীবন, নারী নির্যাতন এবং উন্নয়ন, কোনো অনুষঙ্গকেই তিনি বাদ দেন নি। এত বিচিত্র বিষয়ে বাংলা ভাষার আর কোনো কথাসাহিত্যিক লেখেন নি। ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, ইতালিনো, জাপানি, আরবি, উর্দু, অহমিয়া, তেলেগু, তামিল, মারাঠি, মালায়লাম, কন্নড় ভাষায় তার রচনা অনূদিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জাপান, ভারত এবং বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তার উপন্যাস পাঠ্যপুস্তক হিসেবে পড়ানো হয়।

দীর্ঘ পঞ্চান্ন বছরের সাহিত্যচর্চার জীবনে তিনি বড়দের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্যও লিখেছেন ছত্রিশটি বই। ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় তিনিই এখন পর্যন্ত সর্বাধিক সংখ্যক উপন্যাস রচনা করেছেন।

একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ডক্টর স্বপন পাল অনুষ্ঠানের প্রধান সহযোগী ‘প্রভাত ফেরী’ এবং অন্যান্য সহযোগী ‘মুক্তমঞ্চ’, ‘রয়াল সিটি সলিসিটরস’, ‘ফার্স্ট একাউন্ট্যান্ট, টপআপ প্লাজা এবং বাংলা সাহিত্য সংসদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

দেশের স্বার্থেই শেখ হাসিনার দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকা প্রয়োজন: সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বক্তারা

গত ২৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সিডনিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত হয়। এ উপলক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এনায়েতুর রহিম বেলালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টনের সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ সভাপতি এমদাদ হক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মতিন, আলাউদ্দিন আলোক, জুয়েল তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মশিউর রহমান হৃদয়, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মুনির হোসেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নোমান শামীম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন মহী। টেলিফোনে জাপান থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাপান আওয়ামী লীগের সভাপতি সালেহ মোহাম্মদ আরিফ।

সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। বর্তমান সরকার পরিচালনায় সাফল্যের জন্য শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র বিশ্বে যে আগ্রহ তৈরী হয়েছে, পাশাপাশি বাংলাদেশকে তিনি যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, বক্তারা তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। বক্তাদের আলোচনায় বাংলাদেশের চলমান অবৈধ ক্যাসিনো বিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গও স্থান পায়।

বক্তারা চলমান অভিযানের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে এ ব্যাপারে শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করবার ব্যাপারে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। চলমান অভিযানের প্রেক্ষিতে বক্তারা শেখ হাসিনার নিরাপত্তার ব্যাপারেও আরো সতর্কতা অবলম্বনেরও পরামর্শ দেন। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন আলাউদ্দিন আলোক।

সিডনিতে ‘সাপলুডু’ প্রদর্শিত হবে আগামী ১২ অক্টোবর

স্বদেশ এন্টারটেইনমেন্টের উদ্যোগে আগামী ১২ অক্টোবর (শনিবার) দুপুর ১২টায় ব্যাংকসটাউন ওয়াইড সিনেমা হলে সিডনির দর্শকদের জন্য এবছরের আলোচিত চলচ্চিত্র সাপলুডু প্রথম প্রদর্শিত হবে। 

বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘সাপলুডু’ দেশে মুক্তি পেয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর । বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়ার এই চলচ্চিত্রে জুটি নায়ক আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম। এরই মধ্যে ছবিটি ঘিরে দর্শকমহলে তুমুল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে একযোগে ২৫ সিনেমা হলে একসাথে মুক্তি পেয়েছে ‘সাপলুডু’।

‘সাপলুডু’ ছবির পরিচালক গোলাম সোহরাব দোদুল। গত বছরের ২৭ অক্টোবর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী এই ছবির শুটিং হয় ঢাকা, বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজারের বেশ কিছু লোকেশনে। ছবিতে আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালাহউদ্দিন লাভলু, তারিক আনাম খান, জাহিদ হাসান, শতাব্দী ওয়াদুদ, রুনা খান প্রমুখ।

স্বদেশ এন্টারটেইনমেন্ট এর সিইও ফয়সাল আজাদ স্বপরিবারে সবাইকে সিনেমাটি দেখার আমন্ত্রন জানিয়েছেন।

সিসিএ বার্ষিক বনভোজন এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর

চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার (সিসিএ) বার্ষিক বনভোজন এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত সিডনির গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি সেন্টার এবং সংগ্লন সিডন পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। 

আয়োজক কমিটি সিসিএ ম্যানেজমেন্ট, সকলকে আনন্দের সাথে বার্ষিক বনভোজন এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতা দিবসে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত এবং সিসি এর সদস্য সহ আগ্রহীরা অনলাইনে নিবন্ধন করে রিবার ও বন্ধুদের সাথে সারাদিন আনন্দ এবং মজাদার খাবার উপভোগের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

তারা আরো জানান, ছোটবেলার স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা দিবসের মতো করে দিনটি উদযাপন করার পরিকল্পনার পাশাপাশি শৈশবের স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনার এক বিরল সুযোগ সৃষ্টি করবে। বনভোজন এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিশেষ আকর্ষণ থাকবে সব বয়সের শিশু, নারী এবং পুরুষদের  জন্য পৃথক খেলাধূলা, মার্বেল দৌঁড়,  বিস্কুট দৌঁড়, মোরগ ফাইট লড়াই, দাবা প্রতিযোগীতা, ৫০ মি / ১০০ মি / ২০০ মি দৌঁড়, দড়ি/কাছি টানাটানি, বালিশ খেলা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আরও অনেক কিছু। সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং চা চক্ৰের আয়োজন থাকবে।  

চাদার হার (সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং চা চক্ৰ সহ) প্রাপ্ত বয়স্ক $২০, ৫ বছরের উপরে শিশু $১০ ও ৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চারা বিনামূল্যে অংশগ্রহন করতে পারবে। নিবন্ধন লিঙ্কhttps://www.ctgclub.org/wordpress/picnicsports/ আরও তথ্য অথবা  মূল্যবান পরামর্শের জন্য সৈয়দ বাকের ০৪১০ ৫৪২ ৯৩১, ফয়েজ মোহাম্মদ ০৪২২ ১১৫ ০৩৮ বা সৈয়দ আকরাম উল্লা’র ০৪৩০ ৮০০ ৪৫৫ এর সাথে যোগাযোগ করা যাবে। 

সিডনিতে চট্রগ্রাম উৎসব আগামী ২৭ অক্টোবর

আগামী ২৭ অক্টোবর (রবিবার) বৃহত্তর চট্রগ্রাম সমিতি অস্ট্রেলিয়া ইনক সিডনির লিভারপুলের মেমোরিয়াল এ্যাভিনিউতে ‘চট্রগ্রাম উৎসব- ২০১৯’ এর আয়োজন করেছে। 

অনুষ্ঠানের আয়োজক বৃহত্তর চট্রগ্রাম সমিতি অস্ট্রেলিয়া ইনক এর একজন মুখপাত্র জানান, দিনের অনুষ্ঠান সূচীতে থাকবে চট্রগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানী খাবার, চায়ের সাথে চট্রগ্রামের বেলা বিস্কুট, বাচ্চাদের খেলাধুলা, ফেইস পেইন্টিং সহ বাংলাদেশ থেকে আগত জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী তপন চৌধুরীর সঙ্গীতানুষ্ঠান। 

চট্রগ্রাম উৎসব দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত চলবে। এই অনুষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্যাবলী ও রেজিষ্ট্রেশনের জন্য যোগাযোগের নিচের লিংকে ক্লিক করা যেতে পারে: ctgsamity.com.au

সিডনিতে গ্রিনফিল্ডের ‘মিউজিক ফেস্ট-২০১৯’-এর সংবাদ সম্মেলন ২৯ সেপ্টেম্বর

গত বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও গ্রিনফিল্ড এন্টারটেইনমেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে জমকালো ‘মিউজিক ফেস্ট-২০১৯’ বা সংগীত উৎসব। এবার এই উৎসবের আসর বসবে ১৯ অক্টোবর, (শনিবার) ক্যানসিংটন এনএসডাব্লিউ-এর সায়েন্স থিয়েটারে। এ উপলক্ষে গ্রিনফিল্ড এন্টারটেইনমেন্ট আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে, রেলওয়ে প্যারেড এনএসডাব্লু-এর গ্রামীণ চাইনিজ-এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে ‘মিউজিক ফেস্ট’-এর উদযাপন বিষয়ে বিস্তারিত বলবেন, গ্রিনফিল্ড এন্টারটেইনমেন্টের আয়োজকগণ। তাদের মধ্যে অন্যতম ভূমিকা রাখছেন, স্বদেশ র্বাতার প্রধান সম্পাদক ফয়সাল আজাদসহ এনামুল হক ও মিরাজ হোসেন। মিউজিক ফেস্ট-এর অয়োজক কমিটি, ২৯ সেপ্টেম্বরের সংবাদ সম্মেলনে মিডিয়া সম্পর্কিত সকল সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

‘মিউজিক ফেস্ট-২০১৯’-এর বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, মাইলস্-এর ৪০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে থাকবে বিশেষ আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের বাংলাদেশের খ্যাতিমান ব্র্যান্ড মাইলস্ ও শিল্পী অর্ণব, ডিজে রাফ সান অংশগ্রহণ করবেন।

‘মিউজিক ফেস্ট-এর মিডিয়া পার্টনার ও সহযোগী হিসেবে রয়েছে নামকরা সব সংবাদ মাধ্যম ও ব্র্যান্ড সমূহ। প্রধান বা টাইটেল স্পন্সর হিসেবে আছে, এএনজেড রাহাত ফেরদৌস ও এএনজেড মোবাইল লেন্ডার (ANZ Rahath Ferdose & ANZ Mobile Lender)। প্লাটিনাম পার্টনার : গ্রামীণ রেস্টুরেন্ট, ক্যাটারিং পার্টনার : খুশবু, রেস্টুরেন্ট পার্টনার : গ্রামীণ চাপ এন্ড কাবাব, গ্লোড পার্টনার : রয়াল সিটি, গ্লোবাল একাউন্টিং এন্ড ফিন্যান্স, স্বদেশ এন্টারটেইনমেন্ট, রে-হুয়াইট, এছাড়া মিডিয়া ও সাপোর্টিং পার্টনার হিসেবে উল্লেখ্যযোগ্য, স্বদেশ বার্তা, সিডনি প্রতিদিন, নিউজ২৪, বাংলা কথা, প্রশান্তিকা, বিদেশ বাংলা, প্রভাত ফেরী, আড়ঙ্গ, বাংলা বার্তা, জয় যাত্রা টিভি, টাচ পেইন্টিং প্রভৃতি।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে আয়োজক মিরাজ হোসেন বলেন, আমরা চেষ্টার কোনো ঘাটতি রাখছি না, আমরা চাই অনুষ্ঠানটি সফল হোক। এবং গত বছরের তুলনায় এ বছর দর্শক সমাগম বেশি হবে বলে প্রত্যাশা করছি।

আয়োজক ও স্বদেশ বার্তার প্রধান সম্পাদক ফয়সাল আজাদ জানান, গ্রিনফিল্ড এন্টারটেইনমেন্ট প্রতি বছরই নতুন কিছু করার চেষ্টা করে থাকে, এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আমরা বিভিন্ন উৎসব আয়োজনের মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতিকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে জাগিয়ে রাখতে প্রাণান্ত চেষ্টা করি। গত বছরও আমরা সিডনিতে বিজয় দিবসের কনসার্ট আয়োজন করেছিলাম। এ বছর তার ধারাবাহিকতা মাত্র। তাই অনুষ্ঠান সম্পর্কে মিডিয়াকে জানাতে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আমরা সংবাদ সম্মেলন করবো।

‘মিউজিক ফেস্ট-২০১৯’ সম্পর্কে আরেক আয়োজক এনামুল হক বলেন, গত বছরের বিজয় দিবসের কনসার্ট-এর মত এবারও তারকা শিল্পীদের জমজমাট অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছি আমরা।

উল্লেখ্য, গত বছর গ্রিনফিল্ড এন্টারটেইনমেন্ট মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিজয় দিবসের কনসার্ট-এর আয়োজন করেছিলো। যেখানে পারফরমেন্স করেছিলো জনপ্রিয় ব্যান্ড দল সোলস, ওয়ারফেইজ, নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ঐশী, মেহেদি হাসান, স্হানীয় ব্যান্ডযোদ্ধা, কৌতুক অভিনেতা মো. জামিল হোসেন, আবু হেনা রনি, ডিজে রাফসান, ডিজে সায়েম, ডিজে খানসহ আরো অনেকে।

আয়োজকরা মনে করেন, এ বছরের প্রস্তুতি গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি জাকজমকপূর্ণ। আয়োজকদের প্রত্যাশা গত বছরের চেয়ে এ বছর টিকিট বিক্রিও বেশি হবে, ইতোমধ্যে টিকিট কেনার হিরিক পড়ে গেছে প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে।

মিউজিক ফেস্ট-এ অংশগ্রহণ প্রত্যাশী সাদেক হোসেন বলেন, গত বছরের অনুষ্ঠানটি আমার খুবই ভালো লেগেছিলো তাই এ বছর পরিবারের সবার জন্য মোট পাঁচটি টিকিট সংগ্রহ করেছি। আমি অনুষ্ঠানটির জন্য দারুণভাবে উদ্বেলিত।

সর্বপরি, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর  ‘মিউজিক ফেস্ট-২০১৯’-এর সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠানের আদ্যোপ্রান্ত নিয়ে হাজির হচ্ছে গ্রিনফিল্ড এন্টারটেইনমেন্ট।

পেন্সিল অস্ট্রেলিয়া’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের নুতন স্থান

অনিবার্য কারণবশতঃ পেন্সিল অস্ট্রেলিয়া’র তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। ‘পেন্সিল অস্ট্রেলিয়া’ আগামী ২৮শে সেপ্টেম্বর শনিবার তাদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের আয়োজন ইঙ্গেলবার্নের (৩১- ৩৫ কাম্বারল্যান্ড রোড) করেছে। পাশেই ম্যাকুরি রোড কার পার্কিং এ প্রায় চারশত গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা রয়েছে বলে আয়োজক কমিটি জানিয়েছেন।

পেন্সিলের মডারেটর সাকিনা আক্তার স্থান পরিবর্তনের জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যেতে পারে, সাকিনা: ০৪৫২১৮১৮৫৮ জয় ০৪৫৮৮২১১১৩।