ত্রিমাত্রা আয়োজিত ঈদ মেলা’র রাফেল ড্র অনুষ্ঠিত

ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে সিডনির ল্যাকেম্বাস্থ ইউনাইটিং চার্চে ত্রিমাত্রা অস্ট্রেলিয়া ইনক আয়োজিত তিন দিন ব্যাপী ল্যাকেম্বা ঈদ মেলার শেষ দিনে আকর্ষণীয় রাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এই রাফেল ড্র’ তে বিজয়ীরা হলেন, আসওয়াদুল হক ও আবিদা আসওয়াদ (প্রথম পুরষ্কার), শাহানা ইসলাম পাপিয়া (দ্বিতীয় পুরষ্কার) ও কাজী মাহমুদা বেগম (তৃতীয় পুরষ্কার)। আয়োজক কমিটি ত্রিমাত্রা অস্ট্রেলিয়া ইনক বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই ৩ অগাস্ট এবং ১০ অগাস্ট সকাল ১১ টা থেকে রাত ১০ টা পযন্ত সিডনির  বিখ্যাত ফ্যাশন হউসগুলোর অংশগ্রহনে এই ঈদ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

মুখুরিয়াতে খুন

প্রথম পর্ব: ময়মনসিংহের ছোট্ট একটি গ্রাম মুখুরিয়া। শান্ত, চুপচাপ। যেমনটি হয় গল্পে। মানুষজন সহজ সরল। দিনে আনে দিনে খায়, আট পৌরে জীবন। এই ছোট্ট গ্রামটিই ব্যস্ত, চঞ্চল হয়ে উঠল হঠাৎ করে। বাংলা চলচ্চিত্রের হিট নায়িকা সুকন্যার নতুন মুভি “আমার পৃথিবী আমার বেহেস্ত” এর শুটিং লোকেশন গ্রামটি। সবার মধ্যেই উৎসব উৎসব আমেজ। নায়িকাকে সামনা সামনি দেখা যাবে। নায়িকা নাকি ডাবের পানি দিয়ে গোসল করে। তাই যাদের ডাব গাছ ছিল তারা তাদের ডাব গুলো যত্ন করে রেখে দিয়েছে। কখন লাগে ঠিক আছে নাকি?

নায়িকা সুকন্যা এলেন পরেরদিন। সাথে তার মেকাপ আর্টিস্ট, ক্যামেরাম্যান, সেক্রেটারি, স্ট্যান্ট, ছবির পরিচালক ও প্রযোজক। নায়ক কামরান খান আসেন নি। তার এখানে কোন শুটিং নেই। তাতে কি? লোকজন ভিড় করতে লাগল শুটিং এর আসে পাশে। কিন্তু চেয়ারম্যান কাউকে কাছে ঘেষতে দিচ্ছেন না। লোকজন বলাবলি করতে লাগল নায়িকা সুকন্যা নাকি শুধু মাখন খায়। কেমন মাখনের মত শরীর। নায়িকা আজ শুধু গান শুট করলেন। সূর্য পশ্চিম দিকে অস্ত গেলে প্রথমদিনের শুটিং শেষে সবাই যে যার কাজে চলে গেল। রাতে খাবার সময় নায়িকা সুকন্যার সাথে প্রযোজকের প্রচন্ড ঝগড়া বাধল। তিনি নাকি তার আগের ২টা মুভি সহ এই মুভির টাকা এখনো দেন নি। টাকা না দিলে সুকন্যা এই মুভি শেষ করবে না বলে শাসিয়ে রাখলেন। দেখে নিবেন বলে প্রযোজক উসমান কবীর রাগে গজগজ করতে বেরিয়ে গেলেন।

পরের দিন সকালে পাওয়া গেল সুকন্যার লাশ। বিছানার উপর উপুড় হয়ে পড়ে ছিল তার নিথর দেহ। ঢাকা থেকে এলেন ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চের তদন্ত কর্মকর্তা আলী আহসান তালুকদার। এসেই লাশের চারপাশ দেখতে লাগলেন। আইডিয়া করছেন খুন হয়েছে ফজরের সময়। পোস্টমর্টেম করলে এগজ্যাক্ট সময় পেয়ে যাবেন। ধারালো কিছু দিয়ে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কাছাকাছি কোন অস্ত্র দেখা যাচ্ছে না। শরীরটা এখনো ভেজা।

খুনের মোটিভ কি এখনো জানা যায় নি। শুটিং আপাতত বন্ধ। সন্দেহের তালিকায় রয়েছে সবাই। স্ট্যান্ট আর্টিস্ট মৌ যার লাভ হবে সবচেয়ে বেশি, নতুন এক্টা মুভি পেয়ে যাবে, প্রযোজক উসমান কবীর যার বাকি টাকাগুলো আর পরিশোধ করতে হবে না, পরিচালক সরোয়ার জাহান মন্টু; যে নায়িকার সুকন্যার কন্টিনিউ ফ্লপ মুভি নিয়ে বিরক্ত, মেকাপ আর্টিস্ট ইকবাল, যে নায়িকার ক্রমাগত বাজে ব্যবহারে বিরক্ত নাকি ক্যামেরাম্যান পাজি হায়াত; গুঞ্জন আছে যার সাথে নায়িকার প্রেমের সম্পর্ক ছিল?

পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ধারাল কিছু একটা দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। খুন হয়েছে রাত ২-৩ টার মধ্যে। সেভাবেই তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছেন আলী আহসান তালুকদার। তার সন্দেহ উসমান কবীরের উপর। তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনার সাথে তো কাল রাতে ঝগড়া হয়েছিন? শাসিয়েছিলেন? আর আপনার ঘর থেকে এই স্ক্রু ড্রাইভার পাওয়া গেছে। এটা হত্যার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা জানতে আমার ২ মিনিট লাগবে। ফরেনসিক টেস্ট করলেই হয়ে যাবে। আপনি কি স্বিকার করবেন নাকি রিমান্ডে নিতে হবে। উসমান কবীর আমতা আমতা করে বললেন, আমি শাসিয়েছি ঠিকই কিন্তু খুন করিনি। রাতে চেয়ারম্যানের অনুরোধে যাত্রা দেখতে গিয়েছিলাম। ওখানেই ছিলাম ফজর পর্যন্ত। চেয়ারম্যানকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেই সত্যতা পাবেন।

নেক্সট পরিচালক সরোয়ার জাহান মন্টু। আপনি তো নায়িকার পারফরম্যান্সে খুশি না। বাদ ও দিতে চেয়েছিলেন। মন্টু বলতে লাগলেন, তার গত কয়েক্টা ছবি একদমই চলে নি। নায়ক কামরান খান ও তার সাথে ছবি করতে রাজি না। অনেক কষ্টে রাজি করিয়েছি। “হৃদয়ের মন্দির”, “আমি, তুমি আর ভালোবাসা”, “বুক ভাংগা ঢেউ” সবগুলো মুভিই অনেক বড় বাজেটের ছিল। লগ্নির টাকাই তুলতে পারি নি। ডন ট্যারা মাসুদ টাকা ইনভেস্ট করেছিল। টাকা দিতে না পারলে সুকন্যাকে বলেছিল তার সাথে একটু সময় দিতে। সে রাজি ছিল না। কিন্তু আমি খুন করি নি। আমি ঘরেই ছিলাম। কি হয়েছিল জানি না।

এমন সময় কনস্টেবল এসে খবর দিল তাকে নাকি পরিচারিকা মাসুমা খবর দিয়েছে সে নাকি রাত সাড়ে ৩ টার দিকে কাকে যেন দৌড়ে বাশ বাগানের দিকে যেতে দেখেছে। অন্ধকারে ঠিক বুঝতে পারে নি। (চলবে)

লেখক: সাব্বির মাহমুদ, সিডনি প্রবাসী

সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিলের মতবিনিময়

প্রবাসী বাংলাদেশি লেখক ও সাংবাদিকদের বৃহত্তম সংগঠন ‘সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল'(এসপিএমসি) তাদের নির্বাচন পরবর্তী প্রথম মতবিনিময় সভা করেছে। গত ২৫ আগস্ট (রবিবার) সন্ধ্যায় কুজি’র দ্য ক্লোভ রেস্টুরেন্টে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল মতিন জানান, সকল সদস্যদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও অধিকতর কার্যকর করার লক্ষ্যে এই মতবিনিময় সভায় আয়োজন করা হয়।

কাউন্সিলের সভাপতি ড. এনামুল হকের অনুপস্থিতিতে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইউসুফ শামীমের সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল মতিন। ড. ফারুক আমিনের পবিত্র কুরআন তেলয়াত ও আসিফ ইকবালের তর্জমার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরুর পর সভাপতি তার স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। 

কাউন্সলের উপস্থিত প্রায়  ৩৩ জন সদস্য লেখক, কলামিস্ট, দেশে ও প্রবাসে বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা তাদের দৈনন্দিন নানাবিধ সমস্যা, আনুষঙ্গিক প্রস্তাবনা, সম্ভাবনা, ভবিষ্যত কর্মসূচি ও কাউন্সিলের গঠনমূলক ভূমিকা প্রসঙ্গে মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এই সময় কাউন্সিলের সদস্যরা চলতি বছরে সংগঠনের কার্যক্রমের মধ্যে আইনী প্রশিক্ষণ, অধিকার রক্ষা ও পরিচয়পত্রসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনার বাস্তবায়নেরও সুপারিশ করেন। 

সংগঠনের সহ সভাপতি আসলাম মোল্লা এবং শিবলী আবদুল্লাহ তাদের বক্তব্যে আগামী দিনগুলোতে সম্ভাব্য সকল কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল সব ধরনের বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গঠনমূলক আলোচনা ও প্রস্তাবনা শেষে কাউন্সিলের সদস্যদের নৈশভোজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মতবিনিময় সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ওকাস অস্ট্রেলিয়া চ্যাপ্টারের ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

গত ২৫ শে আগষ্ট (রবিবার) ওকাস (ওল্ড ক্যাডেট এসোসিয়েশন অফ সিলেট) অস্ট্রেলিয়া চ্যাপ্টারের ঈদ পূনর্মিলনী এবং সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিডনির মিন্টো কম্যুনিটি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শেষে নির্বাচন কমিশনার ফেরদৌস আখতারের নেতৃত্বে একটি স্বচ্ছ ও স্বতঃস্ফুর্ত একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সিডনিতে বসবাসরত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা সরাসরি এবং সিডনির বাইরে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক ভাইয়েরা ফোনের মাধ্যমে ভোটদান কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।


সদ্য নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা হলেন, প্রেসিডেন্ট আতিক রহমান, ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফুল ইসলাম, জেনারেল সেক্রেটারি জায়িদ খান, ট্রেজারার শেখ আজিজুর রহমান, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি আলি পারভেজ, কালচারাল সেক্রেটারি মুহাইমিনুল ইসলাম, স্পোর্টস সেক্রেটারি মাহরুফ ফারদিন, ইন্টারন্যাশনাল কম্যুনিকেশন সেক্রেটারি মহিউদ্দীন আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদ ইমরান হোসেন, মোঃ মবিনুজ্জামান ও জাকির হোসেন।

ওকাস অস্ট্রেলিয়া চ্যাপ্টার অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি রেজিস্টার্ড সংগঠন। উপস্থিত সদস্যরা নতুন কমিটিকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। দুপুরের খাবার পরিবেশনের পর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ষোষনা করা হয়।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন এক পরশ পাথর-সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা

গত ২৫ আগস্ট (রবিবার)সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সিডনিতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ই আগস্টে শাহাদাত বরণকারী সকল শহীদ এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহীদদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. খায়রুল চৌধুরী এবং অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টনের সঞ্চালনায়  আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা, ঢাকা মহানগরের প্রাক্তন সভাপতি শফিকুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাজাবুল হক মোস্তফা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু হত্যার জাতীয়-আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি আশির দশকের স্বৈরাচারবিরোধী রাজনীতির স্মৃতিচারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এভাবেই দেশ তার গন্তব্যে পৌছাবে। কোন ষড়যন্ত্রই আজ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রুখতে পারবে না।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাজাবুল হক মোস্তফা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সাথে তার স্মৃতিচারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন এক পরশ পাথর। একবার তাঁর সংস্পর্শে যে এসেছে, সেই তার ভক্ত হয়ে গেছে। কী এক অদ্ভূত সম্মোহনী ক্ষমতা ছিলো তাঁর। তিনি বিভেদ ভুলে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের পতাকাতলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনীতি করবার জন্য অনুরোধ জানান।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন, অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অপু সারোয়ার, অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নোমান শামীম, অর্থনীতিবিদ জোয়ার্দার হোসেন রেজোয়ান, যুবলীগের নেতা আরিফুর রহমান, নিউ সাউথ ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক, নিউ সাউথ ওয়েলস আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান ফারুক শিমুন রবিন, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মুনীর হোসেন, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মশিউর রহমান হৃদয়,

অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল তালুকদার, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলোক, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মতিন, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্মাল্য তালুকদার এবং অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এমদাদ হক।

সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন দিকের উপরে আলোকপাত করেন এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার সংগ্রামে প্রবাসী হিসেবে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হলেন স্বাধীনতা-সংগ্রাম এবং মানুষের মুক্তির প্রতীক, তিনি কোন ব্যবসায়িক পণ্য নয়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করা সহজ নয়, তার জন্য আমাদের ত্যাগ ও নিবেদনে ঋদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশের মেহনতী মানুষের ভাগ্যেন্নয়নের লক্ষ্যে প্রবাসে থেকেও আমাদের কাজ করতে হবে। আলোচনা সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধু হত্যার জাতীয়-আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট  তুলে ধরে অবিলম্বে কমিশন গঠন করার অনুরোধ জানান, যার মাধ্যমে দেশবাসী প্রকৃত খুনী ও নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের সম্পর্কে জানতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন আলাউদ্দিন আলোক। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি নিবেদিত স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক কবি আইভি রহমান।

ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

কাজী আশফাক রহমান: সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল মাতৃভাষা চর্চা এবং সংস্কৃতি প্রসারের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব উৎযাপনে স্কুল সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্পৃক্ত করে থাকে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে আয়োজিত এ ধরনের মিলনমেলা বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য, সহযোগিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পরমত সহিষ্ণুতার মানসিকতা সৃষ্টি করে বলে বাংলা স্কুল বিশ্বাস করে। আর তাই প্রতি বছরের মত এবারও আয়োজন করা হয়েছিল ঈদ পুনর্মিলনী।

গত ২৫ আগস্ট (রবিবার) স্কুল প্রাঙ্গনে আয়োজিত এই পুনর্মিলনীতে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক, স্কুলের কার্যকরী কমিটির সদস্য এবং স্কুলের শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। রবিবারের নিয়মিত ক্লাস শেষে সবাই ঈদ পুনর্মিলনী মধ্যাহ্ন ভোজে যোগ দেয়। দুপুরের খাবারের পূর্বে গত পিঠা উৎসবে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য সবাইকে স্কুলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ৪ঠা আগস্ট আয়োজিত এবারের পিঠা উৎসব সবার মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। 

দুপুরের ভোজ পর্ব শেষে স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র, বর্তমানে অভিভাবক সাহিল খান সজীব এবং অভিভাবক আহমেদ চৌধুরীর জন্মদিন কেক কেটে উদযাপন করা হয়। উল্লেখ্য ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল প্রতি রবিবার সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত সব বাংলা ভাষাভাষীর জন্য উন্মুক্ত থাকে।

বিশ্বের বিস্ময় তুমি আমার অহংকার শীর্ষক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

 ড: রতন কুন্ডু: গত ২৪ অগাস্ট  (রবিবার) বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়া সিডনির হলিডে ইন হোটেল বলরুমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণ সভার আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি আইনজীবী সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে স্মরণ সভাটি সঞ্চালন করেন সাধারণ সম্পাদক পি এস চুন্নু। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।

স্মরণ সভার  শুরুতেই ১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার সহ সবার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পাঠের পর মৃত আত্মার সম্মানে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সিডনিতে বেড়ে ওঠা এই প্রজন্মের কিশোর কিশোরীরা বঙ্গবন্ধুর উপর রচিত কবিতা ও গান পরিবেশন করে।

“বিশ্বের বিস্ময় তুমি আমার অহংকার শীর্ষক” আলোচনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, যুব লীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ সহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, একাডেমিক, লেখক ও কলামিস্টরা অংশগ্রহণ করেন। স্মরণ সভা শেষে আগত সব অতিথিদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।

সিডনিতে আইয়ুবিয়ান শিক্ষার্থীদের ঈদ পূর্ণমিলনী ২১ সেপ্টেম্বর

আগামী ২১ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বাংলাদেশের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (আইয়ুবিয়ান) তাদের প্রবাসী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ‘ঈদ পূর্ণমিলনী ২০১৯ আয়োজন করেছে । সিডনির ইয়াগুনা কমিউনিটি সেন্টারে ঐদিন সন্ধ্যা  সাড়ে ৬ টায় এই মিলনমেলা শুরু হবে।

আয়োজক কমিটি জানায়, এই ঈদ পূর্ণমিলনীর আয়োজনে হরেক রকমের মজাদার খাবারের পাশাপাশি শিশু-কিশোর ও বড়দের জন্য বিভিন্ন রকমের বিনোদেন থাকবে। তারা প্রাক্তন আইয়ুবিয়ান শিক্ষার্থীদের দিনটিকে দৈনন্দিন দিনলিপিতে তুলে রাখার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।  

আয়োজক কমিটি পুনর্মিলনীতে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রবাসী প্রাক্তন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করার জন্য আফসানাঃ ০৪৩৩ ৭৬৩ ৯৭৬ মৌসুমীঃ ০৪১৩৮৯২৬৮৯ এর সাথে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছেন। টিকেটের মূল্য বড় ৩০ ডলার, শিশু ২৫ ডলার (৫ বছরের উপরে)। EXIUBIANS AUSTRALIA ASSOCIATION INC। BSB-032 112 ACCOUNT – 303 635 WESTPAC BANK। REFERENCE – Name and Batch Number. 

উল্লেখ্য, সিডনিতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রবাসী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী  চতুর্থ বছরে পদার্পণ করলো। গত বছর সিডনির হিমানীতে  অনুষ্ঠিত ‘এলামনাই নাইট  ২০১৮ তে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম ব্যাচ থেকে ২০১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করে।

প্রবাসী কবি’র ফেলে আসা কবিতা প্রকাশিত

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড প্রবাসী কবি কনীনিকা আমান নিতা’র ‘ফেলে আসা কবিতা’ প্রকাশিত হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই লিখতেন কবি। দেশে স্কুল ও কলেজে পড়ার সময় তার লেখা কবিতা তৎকালীন বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তারপর বিয়ে, সংসার ও অকল্যান্ডে চলে আসায় আর লেখার ফুসরত হয়নি।

লেখিকা

কবি জানান, ত্রিশ বছর পর গত জানুয়ারি মাসে তিনি যখন ছেলের বিয়ের জোগাড় যন্ত্রে ব্যস্ত ছিলেন তখন একদিন মা তার লেখা কবিতার বান্ডিলগুলো তুলে দিলেন। অবশেষে অকল্যান্ড প্রবাসী বন্ধু এরশাদ পরিবারের উৎসাহে তিনি বইটি প্রকাশ করেন।

কবিতাগুলো বই আকারে প্রকাশ করার ব্যাপারে আরও উৎসাহ জুগিয়েছে পুত্রতুল্য মেরাজ বাসার, মেয়ে অরণী, ছেলে অনীত তার বৌ জুয়েনা, ছোট বোন তনিমা, তার দুই মেয়ে রাতিবা ও ফারিয়া, স্বামী মুনশি মিজানুর রহমান, বাবা মরহুম এম আমানউল্লাহ ও মা মাহমুদা খাতুন।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত সিডনিতে জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠিত

গত ১৮ই অগাস্ট (রবিবার) বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া সিডনির গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হলে শ্রদ্ধার সাথে পালন করলো জাতীয় শোক দিবস পালন করে। সংগঠনের সভাপতি ড. কুন্ডুর সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক রফিক উদ্দিনের সন্চালনায়  শোক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অস্ট্রেলিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কনসাল জেনারেল খন্দকার মাসুদুল আলম।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ম্যাকুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রাক্তন ডিন প্রফেসর রফিকুল ইসলাম। মূল আলোচক ছিলেন ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. কাইয়ুম পারভেজ, ড. মাসুদুল হক, উলঙ্গঙ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. খাইরুল চৌধুরী ও কৃষিবিদ ড. নিজাম উদ্দিন আহমেদ।

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরুর পর ১৫ ই আগস্ট নিহতদের আত্মার উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পবিত্র কোরান থেকে পাঠ করেন জনাব নজরুল ইসলাম ও গীতা পাঠ করেণ শ্রী হারাণ সরকার। দোয়া পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান তরুন।

এনএসডব্লিউ প্রিমিয়ারের ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করে শোনান ড. খায়রুল চৌধুরী ও ড. রতন কুন্ডু। বক্তব্য রাখেন ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিল মেয়র এর প্রতিনিধি কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, মুস্তাফিজ তালুকদার ও ড. রফিকুল ইসলাম। প্রধান বক্তা প্রফেসর রফিকুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, সরকারের আইন প্রণয়ন ও তার বিশ্বায়নের উপর নিবন্ধ পাঠ করেন। আলোচনায় অংশ নেন ড. মাসুদুল হক, ড. কাইউম পারভেজ, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি আইনজীবী সিরাজুল হক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

কনসাল জেনারেল খন্দকার মাসুদুল আলম তাঁর বক্তব্যে অগাস্ট ট্রাজেডিতে সবার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে সবাইকে দেশে বিদেশে নিরলস কাজ করার আবেদন জানান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মান্যবর হাইকমিশনার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ও তাঁর তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার নিরলস পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে দেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সাধুবাদ জানান। তাঁর  রূপকল্প ভিশন ২০২১ ও ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের জন্য প্রবাসী সকলকে আহ্বান জানান।

সমাপনী বক্তব্যে ড. রতন কুন্ডু আগত অতিথিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে এই অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ ব্লু স্কাই বিল্ডার্স এর কর্ণধার মিঃ রবিন ফেরদৌসকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

বিশিষ্ট জনদের মধ্যে ক্যানবেরা বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি নাহিদ আফরোজ, সংস্থাপন যুগ্মসচিব প্রদীপ রায়হান, বর্ষীয়ান বাঙালি নজরুল ইসলাম, আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা গামা আব্দুল কাদির, সাধারণ সম্পাদক পি এস চুন্নু, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডো, কৃষিবিদ সভাপতি ড. হানিফ মিয়া ঝিলু, সাধারন সম্পাদক ড. মাসুদ পারভেজ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক/সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন স্বপন, কৃষকলীগের আহ্বায়ক/সভাপতি শাহে আলম অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের নেতা অপু সরওয়ার, বাংলাদেশ থেকে সদ্য আগত বঙ্গবন্ধুপ্রেমী শরিফুজ্জামান সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতি অন্যান্য স্পনসর, শুভাখাঙ্খী, সিডনির অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কলা কুশলী ও আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবং সবাইকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। নৈশভোজের পর সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফারিয়া ইসলামের সঞ্চালনায় বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের উপর কবিতা আবৃত্তি করেন রুমানা সিদ্দিকী, নাসরিন বেগম ও নির্মাল্য তালুকদার। দেশের গান পরিবেশন করেন শামসুল হক বাচ্চু, নিলুফা ইয়াসমিন, রুনু রফিক ও ফারিয়া আহমেদ।

মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন মালিক সাফি জাকি, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাদাত হোসাইন,  অনিক, দিবস রফিক। সাউন্ড সিস্টেমে আশিক সুজন, ফটো ভিডিওগ্রাফিতে  মালিক সাফি জাকি, মিলি ইসলাম ও অন্যান্য অনেকে। অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সার্বিকভাবে সহযোগীতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাদাত হোসেন, মালিক সাফি জাকি, মুস্তাফিজুর তালুকদার, আব্দুস ছোবহান, সামসুল হক বাচ্চু, ড. রন্জনা সরকার,  মিলি ইসলাম, রোকেয়া হাসান, দিবস রফিক, অনিক হোসেন প্রমুখ।