অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার আয়োজিত কুরবানী

অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় মুসলিম উম্মাহর জন্য এবারও পবিত্র কুরবানীর ব্যবস্থা করেছে। নীচের “ডাউন লোড” লিঙ্ক থেকে কুরবানীর ফর্ম নামিয়ে নেওয়া যাবে। ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১০ আগস্ট (শনিবার)। সেন্টার কমিটি জানান, আগামী ১৪ অগাস্ট (বুধবার) দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫ টার মধ্যে ১৩-১৭ ইগেলভিউ রোড, মিন্টুস্থ অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার থেকে কুরবানীর মাংস সংগ্রহ করা যাবে।

মধ্যবিত্ত ভালোবাসা

এমন বিষন্ন বৃষ্টিমাখা বিকেলে,

ক্লাস ফাঁকি দিয়ে তোমার ডিপার্টমেন্টের সামনের টং দোকানের

পলিথিনের নিচে কাক ভেঁজা হয়ে আশ্রয় নিতাম

মামা লজ্জার হাসি দিয়ে

বেশি লিকারের চা হাতে দিয়ে বলতো

“আফা আইসে আইজকা, আমি নিজে দেখসি, মামা , টুলে বসেন “

আমি পানসে শীতল চায়ের চুমুকে

অপেক্ষার প্রহর গুনতাম।

সময় থমকে গেলে হুশ করে রাস্তার পানি ছিটিয়ে

দ্রুত চলে যেত কোন প্রাইভেট কার

মধ্যবিত্ত প্রেমিক আমি

বৃষ্টির পানি থেকে বই গুলি বাঁচানোর যুদ্ধে লিপ্ত।

সন্ধ্যে নামলে,

রাস্তার নিয়ন আলো জ্বলে উঠতো।

আমার পায়ের কাছের কুকুরটাও

একসময় চলে যেত জীবনের প্রয়োজনে।

তোমার জন্য করা প্রতীক্ষাও আমার মধুর লাগতো খুব।

পাখি ডাকা ক্লান্ত দিনের শেষে তোমার ক্লাস শেষ হলে,

আরও অনেক রঙিন ছেলে-মেয়ের সাথে

তুমি হেলে দুলে বেড়িয়ে আসতে।

আমি একটু এগিয়ে গেইটের কাছে দাঁড়াতাম,

বিভ্রান্ত নিজেকে আড়াল করে তোমাকে একটু কাছে থেকে দেখার চেষ্টা..

বৃষ্টির দোহাই দিয়ে ডিপার্টমেন্টের বখাটে বড় ভাইয়াটা

কালো গ্লাসের পাজেরোতে তোমায় উঠিয়ে নিতো

বিষাক্ত ধোঁয়া তুলে আমায় অবহেলায় ফেলে রেখে চলে যেতে তুমি।

জ্বরে কেঁপে আমি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতাম,

যদি জানালা খুলে এলো চুলে একবার পেছনে তাকাও।

আমি জানতেও পারতাম না,

সেই বিশ্রী হাত তোমায় ছুঁতে চাইতো কিনা!

সেবারও বর্ষা ছিল,

শেষ সেমিস্টারের আগে টানা নয় দিন ক্লাসে আসোনি।

মামুর দোকানে আমার অনেক চা এর বিল বাকি পড়ে গেলো

রাত করে বাড়ি ফিরেছি, তোমার দেখা পাইনি,

বাবার কত বকুনি খেয়েছি…

যেদিন এলে,

তোমার হাত ভরা মেহেদী দেখেছিলাম।

হৃদয় চিরে নিলে রক্তের যে রং হয়

তেমন..

সরকারী ভার্সিটির একটি অতি সাধারণ

গরীব ছেলে একবুক ভালোবাসা

তোমার জন্য জমিয়ে রেখেছিল,

দিতে পারেনি।

আজও ভালোবাসা বোঝা হয়ে আছে

তুমি জানলেও না।

আমার এখন কালো গ্লাসের দামি গাড়ি আছে

খুব জানতে ইচ্ছে করে,

তুমি সুখে আছো তো?

রুবেল, সিডনী

ছোলা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

ছোলা উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি কাঁচা, সিদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়৷ কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, আদার সঙ্গে খেলে শরীরে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয়।

এছাড়া কাঁচা ছোলা খেলে আরও যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. কাঁচা ছোলায় পরিমিত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি-১, বি-২, বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস রয়েছে৷ প্রতিদিন সকালে এটি খেলে শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়া যায়।

২. ছোলায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ অ্যাসিড থাকে৷ গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করলে নারীদের কোলন ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। এছাড়া ফলিক অ্যাসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে অ্যাজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়৷

৩. অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা বলছেন, খাবারে ছোলা যুক্ত করলে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়৷ ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ থাকায় এটি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়৷ এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা প্রতিদিন ৪ হাজার ৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায়, হৃদরোগে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি শতকরা ৪৯ ভাগ কমে যায়৷

৪. ছোলায় শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম৷ এ কারণে এটি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপকারী।

৫. ছোলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন বি থাকায় এটি মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়৷

৬. ছোলায় ভালো পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড আছে৷ এ কারণে নিয়মিত ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে৷