সিডনিতে বাৎসরিক ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট শুরু

বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার্স এসোসিয়েশন সিডনি আগামী ২৮শে জুলাই (রবিবার) থেকে তাদের বাৎসরিক ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট শুরু করছে। বরাবরের মতো এবারও ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনার মাধ্যমে এই টুর্নামেন্ট শুরু হবে।

বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার্স এসোসিয়েশন, সিডনি স্থানীয় এমপি ও মেয়র মহোদয় সহ অন্যান্য সুহৃদ সম্মানিত অতিথিদের সাথে এই আয়োজনকে আরো বেশি প্রাণবন্ত ও আনন্দমুখর করতে প্রবাসী কমিউনিটির সবাইকে স্বপরিবারে ও স্ববান্ধবে আমন্ত্রন জানিয়েছেন।

আমি একজন হিমু হতে চেয়েছিলাম

সাজিয়া আফরিনঃ লোভহীন, চাওয়ার পাওয়ার উর্ধে একজন মানবী। উহু পারিনি। খালি পায়ে হলুদ গেঞ্জি পরে, ধানমন্ডি থেকে ঢাকা  ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত হেঁটে গিয়েছিলাম। আমার সাথে আমারই মতো আর একজন হিমু পাগল ছিল।

ধানমণ্ডি থেকে বের হই তখন তুমুল বৃষ্টি। ঢাকা শহর ডুবে যায় অবস্থা। বন্ধু ভেনাস এখন মেঘের দেশে বেশ আছে হয়তো। ও বললো, দোস্তো ডুবে যাওয়া ঢাকা শহর দেখবো। আমি বলেছিলাম আলবৎ দেখবো। বেড়িয়ে পরলাম দুই বন্ধু। পথে পানি উঠায় রিক্সা চালক নেমে পরলেন। আর পেডেল করা যাচ্ছে না অনেক পানি রাস্তায়।

কিছুক্ষন পর রিক্সা চালক থামলেন। হাই হুতাশ করে বললেন আফা, আমার সেন্ডল গেলো কুনাই? সে সেন্ডল খোঁজা খুঁজি করছে। আমি আর ভেনাস বসে থাকতে পারলাম না। আমাদের সাধের বুট খুলে কাদা মাখা পানিতে সেন্ডল (চালকের ভাষায়) খুঁজা শুরু করলাম। কোথাও পেলাম না। বেচারা রিক্সা চালকের মন খুব খারাপ হলো, বার বার বলতে থাকলো, ২৮৫ টাকায় কেনা সেন্ডল। আমাদেরও মন খারাপ হলো, আমরা আমাদের বুট ওনাকে দিয়ে বললাম ভাই- দেখেন লাগে কিনা?

বুট তার পায়ে লাগলো না। কোথা থেকে দুটো টোকাই এসে বললো, আফা আমাগো দেন। আমরা দিয়ে দিলাম। আমরা একদিনের জন্য হিমু হওয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না। পকেটে দুজনের সব মিলিয়ে ৩০০ টাকার মতো ছিল। রিক্সা চালকের হাতে টাকা ধরিয়ে দিয়ে বললাম, আপনি যান ভাই।পকেটে টাকা নেই, পায়ে সেন্ডেল নাই ,অদ্ভুত এক অনুভূতি।

অল্প একটু এগিয়ে গিয়ে ফিরে এলাম। ভেনাস বললো, দোস্তো তোর মনে হচ্ছে না কিছু একটা মিসিং। আমি বললাম ঠিক দোস্তো। একটা সিগারেট হাতে দরকার। রিক্সা চালক ভেবেছিলেন টাকা ফেরত নিতে এসেছি। যেই বললাম, আপনার কাছে সিগারেট হবে? উনি বললেন, আফা সিগারেট নাই। বিড়ি আছে। আমরা দুজন দুটা বিড়ি ফুঁকতে ফুঁকতে ক্যান্টনমেন্ট চলে আসলাম।

রাস্তা ঘাটের লোকজন বন্যা দেখার মজা বাদ দিয়ে আমাদের দেখছিলো। হুমায়ন আহমেদ আমার অসম্ভব প্রিয় লেখক।এখনো যখন রইটার্স ব্লকে আক্রান্ত হই, উনি এসে হাজির হন, মনে মনে তার সাথে বিস্তর আলাপ আলোচনা হয়।তারপর যেন ঝড়ের গতিতে কলম চলে। লেখা লেখির জগতে আসার পেছনে এটাই একমাত্র কারণ ছিল।

ওস্তাদ ভুল ভাল ক্ষমা করবেন। জানি আপনি যেখানে আছেন বিন্দাস আছেন। পারিবারিক কলহ নেই, রাজনীতির ঝামেলা নেই। হিমু আর রুপার বিয়েটা ওখানেই সেরে ফেলুন ওস্তাদ। আপনি আমার জগৎ জুড়ে আছেন থাকবেন।

লেখকঃ সিডনি প্রবাসী কবি  

অকল্যান্ডে নুতন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ২০ জুলাই

শফিক রহমান, অকল্যান্ড থেকেঃ স্থানীয় সময় আগামীকাল ২০ জুলাই (শনিবার) বিকাল ৩ টায় নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড শহরের এম বি এস এ হলে (৩৭২ ডনবাক রোড, ম্যাসী) প্রবাসী লেখক ও একাডেমীক ডঃ এরশাদ আলি’র নুতন বই “ফিরে দেখা-পথ চলা”র মোড়ক উন্মোচন করা হবে। লেখক জানিয়েছেন, বইটি তার জীবন কাহিনি নিয়ে লেখা।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও প্রবাসী শিক্ষাবিদ, গবেষক, সরকারী কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ সহ বিভিন্ন পেশার  গুণীজনেরা উপস্থিত থাকবেন।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস ১৮ অগাস্ট

এম এ মতিনঃ আগামী ১৮ অগাস্ট (রবিবার) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া সিডনিস্থ গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হলে জাতীয় শোক দিবস পালন করবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মান্যবর সুফিউর রহমান।

অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে রয়েছে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, স্বধীনতা ও দেশের গান। জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা থাকবেন ম্যাকুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রাক্তন ডীন ড. রফিকুল ইসলাম।

এছাড়াও স্থানীয় ও ফেডারেল এমপি, মন্ত্রী, মেয়র, কাউন্সিলর সহ অন্যান্য একাডেমিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও  সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখবেন। সব অতিথিদের জন্য সৌজন্যমূলক রাতের খাবারের বন্দোবস্ত থাকবে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ডঃ রতন কুণ্ডু ও সাধারন সম্পাদক রফিক উদ্দিন কমিউনিটির সবাইকে জাতীয় শোক দিবসে অংশগ্রহন করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।

সিডনিতে উইন্টার ইভেন্ট আগামী ২৮ জুলাই

নামিদ ফারহান: গত ১৪ জুন, সিডনীর লাকেম্বায় এক সভায় মিলিত হয়েছিলো বাংলাদেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম এআইইউবি এর অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। উক্ত সভায় এআইইউবি এলামনাই অষ্ট্রেলিয়ার নিবন্ধীকরণ এবং বাৎসরিক মিলনমেলার দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়। 

‘উইন্টার ইভেন্ট’ নামে ভূষিত হয়ে শীতকালীন এই উৎসবটি আগামী ২৮ জুলাই (রোববার) মিন্টোর রনমুর মিলনায়তনে দুপুর বারোটা থেকে বিকেল পাঁচ ঘটিকা পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত আয়োজনে থাকছে শিশু কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ফেইল পেইন্টিং ও নানাবিধ রাইডের ব্যবস্থা, এলামনাই সদস্যদের নিয়ে আপন প্রতিভা পর্ব, রাফেল ড্র এর আকর্ষনীয় পুরস্কার এবং বিশেষ আকর্ষণে রয়েছে সিডনির বিখ্যাত ব্যান্ড কৃষ্টি ও এইট নোটসের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা এবং বাঙালির চিরাচরিত রসনার বিলাস।

সম্পূর্ণ নিজেদের প্রচেষ্টায় এবং উদ্যোগে এলামনাই এর এই মিলনমেলার প্রবেশ মূল্য, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পনেরো ডলার এবং দুইয়োর্ধ শিশুদের জন্য দশ ডলার ধার্য করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে সারা অস্ট্রেলিয়াব্যাপী বসবাসরত এআইইউবির প্রাক্তন বাংলাদেশি এবং নেপালি ছাত্রছাত্রীদের এক মহামিলনমেলায় পরিণত হবে এ আয়োজন।