সিডনিতে মরহুম হেদায়েতুল ইসলামের নামাজে জানাজা ১৪ জুলাই

মোঃ আব্দুল মতিনঃ গতকাল ১২ জুলাই (শুক্রবার) দিবাগত রাত প্রায় দেড় টায় সিডনির ব্লাকটাউন নিবাসী হেদায়েতুল ইসলাম (৭০) হাসপাতালে মৃত্যুবরন করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারে ভুগছিলেন। মরহুম মৃত্যুকালে স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ অসংখ্য বন্ধু বান্ধব ও গুনগ্রাহী  রেখে গেছেন। তিনি পেশায় একজন প্রকৌশলী ছিলেন।

আগামীকাল ১৪ জুলাই (রবিবার) বেলা পৌনে একটায় রুটিহীল মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় অংশগ্রহন করার জন্য মরহুমের পরিবারবর্গ বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।   

সিডনিতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়েছে সিডনিতে বসবাসরত সিলেটি কমিউনিটি।  চার জনের এই প্রতিনিধি দলকে সদস্যরা হলেন রুহুল আলম খান (নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ), হানিফুর রহমান(প্রশাসনিক কর্মকর্তা), শাহাব উদ্দিন শিহাব (জনসংযোগ কর্মকর্তা), সোহেল আহমদ (সহকারী কর কর্মকর্তা)। 

সিডনির ওয়ালি পার্কে সিলেটি কমিউনিটির পরিচিত মুখ নানু মিয়া আয়োজিত এক চা চক্র ও নৈশভোজে  সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা অংশগ্রহন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যদের  মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েসন অব নিউ সাউথ ওয়েলস্ ইনক সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধরী, ড. নাহিদ হোসেন, ফেরদোসি জান্নাত শেফা,  সুলতানা মাকসুদা প্রমুখ। সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক শহর সিডনি সফর থেকে প্রাপ্ত  অভিজ্ঞতা সিলেট নগর উন্নয়নে কাজে আসবে। 

উল্লেখ্য এই সফরে ব্রিসবেন ও সিডনির ব্লু-মাউনটেইন, বিশ্বের অন্যতম সুন্দর নির্মাণ শৈলী অপেরা হাউজ, ডারলিং হারবার, লুনা পার্ক,  হারবার ব্রিজ, বিখ্যাত বনডাই সমুদ্র সৈকত, কুজি সমুদ্র সৈকত, লাপারোজ সমুদ্র সৈকত, মালউবরা সমুদ্র সৈকত, ব্যারইটন সমুদ্র সৈকত এবং সিডনি অলিম্পিক পার্ক সহ আধুনিক অনেক স্থাপনা তারা পরিদর্শন করেন। সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা আরও বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের জননন্দিত মেয়র সিলেটের  জাদুকরী  উন্নয়নের রুপকার ও ডিজিটাল সিলেটের স্বপ্নদ্রষ্টা। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর পরিবেশবান্ধব সিলেট নগরী গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে তিনি কাজ করছেন। 

মোহাম্মদ শাহ  আলম বলেন, ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতি বিজড়িত পণ্যভুমির সিলেট বাসীর প্রানের স্পন্দন হচ্ছে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।মনে রাখবেন, সিলেট হচ্ছে আধ্যাত্মিক নগরী, নগর বাসীর প্রিয় সেবককে আরিফুল হক চৌধুরী। মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী তার কাজের মাধ্যমে সিলেট বাসীর মনের মনি কৌঠায় চির অম্লান হয়ে থাকবেন আজীবন। তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

প্রসঙ্গত সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি দলকে সিডনি সফরের সার্বিক  তত্ত্বাবধানে ছিলেন এক সময়ের সিলেটের ও বর্তমান সিডনির সমাজশেবী  আরিফুল হক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠজন  সিলেটিদের সব সময়ের কাছের মানুষ প্রিয় মুখ মোহাম্মদ শাহ  আলম। যারা এই সফরে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন সিলেটি কমিউনিটির  প্রিয় ব্যক্তিত্ব  নানু মিয়া এবং তরুন সংগঠক মোঃ জুমান হোসেন।