Featured

মেলবোর্নে ইন্টারন্যাশনাল সোর্সিং এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহন

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের কনভেনশন অ্যান্ড অ্যাক্সিভিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ইন্টারন্যাশনাল সোর্সিং এক্সপো-২০১৯। দুই দিনব্যাপী এ অ্যাক্সিভিশন গত মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) শুরু হয়ে চলে বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত।  

এটি মূলত বিভিন্ন দেশের এপারেল, এক্কেসরিজ, ও টেক্সটাইল সামগ্রী রফতানিকারকদের অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতা আকৃষ্ট করার মেলা। এই উপলক্ষে গত ১১ ই নভেম্বর (সোমবার) বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর উদ্যোগে এক প্রতিনিধিদল নিয়ে মেলবোর্নে আসেন কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি ও প্রাইভেট মেম্বারস বিলস অ্যান্ড রেসোল্যুশনস কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ। মেলায় স্টল দেয়ার জন্যে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৮টি কোম্পানির লোকজন ছাড়াও উনার সফর সঙ্গী হিসেবে আসেন বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর ডিরেক্টর জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) অভিজিত চৌধুরী ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম। 

মেলা ঘুরে ও বিভিন্ন প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতারা বাংলাদেশি সামগ্রী কিনতে খুব আগ্রহী। তারা বিভিন্ন বাংলাদেশি রফতানিকারক ও পরিবেশকদের কাছে অনেক সামগ্রীর অর্ডার দেন ও চুক্তিবদ্ধ হন। সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ ও বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর ডিরেক্টর জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) অভিজিত চৌধুরীর বরাতে জানা যায়- বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের সামগ্রীর আন্তর্জাতিক ব্রান্ডিংয়ের জন্যে সারা পৃথিবীব্যাপী এই ধরনের মেলায় অংশ নেয় ও বাংলাদেশের বিভিন্ন রফতানিকারকদের সরকারি খরচে বিদেশে দেশের পণ্য বিক্রির সুযোগ করে দেয়। বাংলাদেশের গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি যাতে উত্তরোত্তর সফলতা পায়, তার জন্যে বাংলাদেশ সরকার সদা তৎপর রয়েছে।

মেলায় বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর পক্ষে সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশনের কর্মকর্তা জনাব পীযুষ। এছাড়া মেলবোর্ন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতায় ছিলেন মেলবোর্ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. মাহবুবুল আলম, ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মোল্লা মো. রাশিদুল হক। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা এ কে আজাদ খান, রহিমা খাতুন ও মেলবোর্ন কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিভিশন সেন্টারের কর্মকর্তা জুলিয়া হল্ট অনেক সহযোগিতা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সিডনি প্রবাসী রজতের অকাল মৃত্যু

সিডনি প্রবাসী মোঃ মোমিনুর রহমান (রজত) আজ ২১ নভেম্বর (শনিবার) ভোরে ইঙ্গেলবার্নস্থ নিজ বাসভবনে ঘুমন্ত অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহে ও ইন্না ইলেইহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী তানজিনা জামান (মনি), এক মেয়ে (১২) ও এক ছেলে (৬) রেখে গেছেন। ভোর রাতে কাজ শেষে বাসায় ফিরে রজত ঘুমাতে যান। রজতের বন্ধু মাহমুদ হোসেইন ইমন জানান, সকালের দিকে তার স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে বাইরে যাবার আগে ঘুমন্ত রজতকে বলতে এলে তিনি স্বামীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায় এবং পুলিশ ও এম্বুলেন্সে খবর দেন। সকাল ৯ টার দিকে তার মৃতদেহ মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঢাকা সিটি কলেজের ছাত্র রজত ২০০০ সালের অক্টোবর মাসে পার্থে আসেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে সিডনি এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। রজতের অকাল মৃত্যুতে সিডনি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বন্ধু বৎসল মরহুমের বন্ধু বান্ধব ও শুভাকাঙ্খারিরা হতবিহবল হয়ে পড়েছে। রজতের স্ত্রী ও বন্ধুরা তার আত্মার মাগফেরাতের জন্য দেশ ও প্রবাসের সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। জানাজা ও দাফনের তারিখ পরে জানানো হবে।

অস্ট্রেলিয়ায় যুবলীগের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

স্থানীয় সময় গত ১৪ নভেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় সিডনির বাঙালী পাড়াখ্যাত লাকেম্বায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়। নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে স্লোগান ও উদ্দীপনায় ভরে উঠে আয়োজনটি। এসময় অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সম্মানিত নেতৃবৃন্দসহ মিডিয়া ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আলোকিত করে তোলেন।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সভাপতি মোঃ সেলিমের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী যুবলীলের সভাপতি মোস্তাক মেরাজ, যুগ্ন সম্পাদক অপু সারোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আসরাফ হিমেল, মহীউদ্দিন কাদির, মোহাম্মদ হাফিজসহ অন্যান্যরা। কেক কেটে ও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে উদযাপিত হয় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মনির আদর্শকে ধারন করে এবং শেখ মনির সুযোগ্য সন্তান কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারন সম্পাদক মইনুল হোসেন নিখিলের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে বক্তব্য রাখেন নেতা-কর্মীরা।

আরো বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান তরুন, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি ড: খায়রুল চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ঢাকা দক্ষিন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল হক শফিক, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদ হক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুনীর চৌধুরী, ট্রেজারার জমীর হোসেইন, অস্ট্রেলিয়া যুবলীগ নেতা ইমরান হোসেইন, শাহ নেওয়াজ আলো, ড: সাইফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ হোসেইন, সৈয়দ আশীষ, সুফিয়ান মেনথন,  সাব্বির চৌধুরী, সালমিন সুলতানা, বিথী, ফাহাদ আসমার প্রমুখ। প্রানবন্ত আবৃত্তি করেন যুবলীগ নেতা আরিফুর রহমান।

পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ মিয়াকে সম্মাননা দিয়েছে সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল

‘দি রিয়েল হিরো’ পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ মিয়াকে (বিপিএম) সম্মাননা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসি বাংলাদেশি লেখক ও সাংবাদিকদের বৃহত্তম সংগঠন সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল। গতকাল ১৫ নভেম্বর (রোববার) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলায়তনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মাননা স্মারক ও ৫০ হাজার টাকা উপহার দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরামের (বিজেআরএফ) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের পরিচাচলানায় সম্মননা প্রদান অনুষ্ঠানে পারভেজ মিয়ার বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাকে একজন বীরযোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করা হয়। সম্মননা প্রদান অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি সৈয়দ সুলতান উদ্দীন আহমদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, লেবার রাইটস সাংবাদিক ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক আমানুর রহমান, টাইমস টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম ইমরুল কায়সার নিপন ও পরিচালক অপারেশনস ড. মুহাম্মদ মশিউর রহমান।

২০১৭ সালের ৭ জুলাই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি গৌরিপুরে একটি বাস রাস্তার পাশের খালে পড়ে যায়। সেদিন পারভেজ মিয়ার সাহসিকতায় বেঁচে গিয়েছিল শিশুসহ অনেক যাত্রীর প্রাণ। কিন্তু ২০১৯ সালের ২৭ মে ডিউটিরত অবস্থায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে নিজের একটি পা হারান এই বীরযোদ্ধা পারভেজ মিয়া।

পেশাগত দক্ষতার কারণে পারভেজ মিয়া পেয়েছেন পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার বিপিএম পদক, শ্রেষ্ঠ কনস্টেবল পদকসহ নানা সম্মাননা স্মারক। পুলিশের একজন সিপাহীর এমন সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি দিতে সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিলের পক্ষ থেকে এই পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরামের (বিজেআরএফ) এবং মিডিয়া পার্টনার টাইমস টোয়েন্টিফোর টেলিভিশন।

সিডনিতে কোভিড হিরো সম্মামনা প্রদান

স্থানীয় সময় আজ ১৫ নভেম্বর (রবিবার) দুপুর ১২ টায় ব্যাংকস টাউনস্থ হিমালয় এ্যামপোরিয়াম এন্ড ফাংশন সেন্টারে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারের পক্ষ থেকে “কোভিড হিরো এওয়ার্ড” প্রদান করা হয়। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিশেষতঃ চাকরিচ্যুত অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি শরণার্থী ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বিদেশি শিক্ষার্থীদের জরুরি সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর সক্রিয় সহায়তার স্বীকৃতি স্বরূপ নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেয়া হয়। সম্মাননা এওয়ার্ড প্রদান করেন অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টের সরকার দলীয় এমপি ও সহকারী স্পিকার মার্ক কৌর এবং ইস্ট হিলস এলাকার সরকার দলীয় এমপি উওয়েন্ডি লিন্ডসে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশি লেখক ও সাংবাদিকদের সংগঠন সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল সহ মোট ১২ টি প্রবাসী বাংলাদেশী সংগঠন ও ৬ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মানবিক সহযোগিতায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় কোভিড-১৯ সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত হয়।

অনুষ্ঠানের কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেন ক্যান্টারবারি-ব্যাংকস টাউন সিটি কাউন্সিলের সাবেক কাউন্সিলর ও অস্ট্রেলিয়ান লিবারেল পার্টি ল্যাকাম্বা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ শাহে জামান টিটু।

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরুর পর এনি সাবরিনের উপস্থাপনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মার্ক কৌর এমপি, উওয়েন্ডি লিন্ডসে এমপি, কনসাল জেনারেল খন্দকার মাসুদুল আলম, ডাঃ আয়াজ চৌধুরী, কাউন্সিলর জর্জ জাখিয়া, টেলেঅজ ডট কমের সিইও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। বক্তারা কোভিড কালীন সময়ে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থদের জরুরি সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রবাসী বাংলাদেশী সংগঠনগুলিকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলি হচ্ছে ব্রান্ডিং বাংলাদেশ ইনক, চ্যারিটি ফর লাইভ অস্ট্রেলিয়া, সাইলেন্ট হ্যান্ড সাপোর্ট ফর ম্যানকাইন্ড, আপিল ফর হিউমানিটি, গ্রসারি এন্ড ফুড ডোর টু ডোর, ওয়ার এগেনেসট কোভিড, ম্যান ফর ম্যানকাইন্ড-লাইভ ফর লিভস, মাল্টিকালচারাল সোসাইটি অফ ক্যাম্বেলটাউন, লেটস শেয়ার টুবি ফেয়ার, শেয়ার উইথ লাভ, এক্স ইউবিয়ান অস্ট্রেলিয়া। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলি হচ্ছে টেলেঅজ ডট কম, অসট্রাল বিল্ড, ইএসআই গ্লোবাল সার্ভিসেস, টিএম এলায়েন্স মোটর গ্রুপ, বিঙ্গ ফাইনান্স, এ এন্ড ও হোমস, নার্গিস কেবাব এন্ড চিকেন রেস্টুরেন্ট, চকলেট ডি মনডও, বারুদ।

সামাজিক দূরত্ব মেনে প্রায় ১৫০ জন অতিথি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। দুপুরের খাবারের পর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

সিডনিতে হুমায়ূন ভক্তদের উদ্যোগে জন্মদিন পালিত

গতকাল স্থানীয় সময় ১৩ নভেম্বর (শুক্রবার) জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা তার ৭৩তম জন্মদিন প্রশান্ত পাড়ের দেশ সিডনিতে উদযাপন করেছে। সন্ধ্যায় বাংলাদেশি অধ্যুষিত সিডনির লাকেম্বার গ্রামীণ রেষ্টুরেন্টে হুমায়ূন আহমেদের প্রতিকৃতির সামনে কেক কেটে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তার সিডনি প্রবাসী ভক্তরা।

আরিফুর রহমানের উদ্যোগে কেক কাটায় অংশ নেন ফাহাদ আসমার, মিরাজ হোসেন, আশরাফ হোসেন, ফয়সাল আজাদ, ফয়সাল চৌধুরী, শাহিন আক্তার স্বর্ণা, তুষার খান, মাহফুজ প্রমুখ। কেক কাটার পর তারা এই জনপ্রিয় লেখকের আত্বার মাগফেরাত কামনা করেন।

সিডনিতে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

স্থানীয় সময় গত ৮ নভেম্বর (রবিবার) বিকেল চারটায় সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ড. খায়রুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে টেলিফোনের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। আরো বক্তব্য রাখেন এমদাদ হক, নির্মাল্য তালুকদার, ফয়সাল মতিন, মুনীর হোসেন, আইভি রহমান, সৈয়দা তাজমিরা আক্তার, নোমান শামীম, সানজিদা আফরিন সাদিয়া, মহীউদ্দীন কাদের প্রমুখ, বঙ্গবন্ধুর উপর কবিতা আবৃত্তি করে শোনান আবৃত্তিকার আরিফুর রহমান।

আলোচনা সভার শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম কামাল হোসেন বলেন, পচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনী মোস্তাক, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ও তাদের দোসররা রাতের আঁধারে নিষ্ঠুরভাবে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে। সে সময়ে দেশে গণতন্ত্রকে হত্যা করে, রাতের পর রাত কার্ফ্যু জারী করে ঘাতক জিয়া দেশে সামরিকতন্ত্র কায়েম করে। জাতির সেই দুর্দিনে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু কন্যা , আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তারপর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে মানুষের ভোট-ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছেন, জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছেন, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছেন। তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছেন। এস এম কামাল হোসেন তার বক্তৃতায় করোনা মোকাবেলায় মাননীয় প্রধান শেখ হাসিনার সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, সারা পৃথিবী যেখানে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমশিম খেয়েছেন, সেখানে বাংলাদেশে জননেত্রী শেখ হাসিনার সফলভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন এবং করছেন। প্রবাসীদের কাছে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, শেখ হাসিনা হাসলে বাংলাদেশ হাসবে। 

সভায় অন্য বক্তারা বলেন, রাজনীতিতে আদর্শ ও নেতার প্রতি আনুগত্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। পচাত্তরের ৩রা নভেম্বর জাতীয় চার নেতা সর্বশ্রদ্ধেয় সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, তাজউদ্দিন আহমেদ এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামান জীবন দিয়ে দেশ, দল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি তাদের আনুগত্য প্রমান করেছেন। পচাত্তরের পনেরোই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে জেলখানায় হত্যার মূল উদ্দেশ্যই ছিল, যাতে আওয়ামী লীগ আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। বাংলাদেশের বুক থেকে যেন স্বাধীনতার চেতনা মুছে যায়। আজ প্রমাণিত হয়েছে, ঘাতকদের সেই লক্ষ্য ব্যর্থ হয়েছে। আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। প্রবাসে অবস্থান করে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে স্ব স্ব অবস্থান থেকে আমরাও দেশের জন্য কাজ করে যাবো। আলোচনায় বক্তারা জাতীয় চার নেতার জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সভায় অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন পার্টির পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জেলহত্যাকাণ্ডের  নিন্দা জ্ঞাপন করে নিহত জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

 আলোচনা সভার শেষে ল্যাকেম্বায় অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের নতুন অফিসের উদ্বোধন করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ায় বিএনপির ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি (একাংশ) অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা স্থানীয় সময় ৮ নভেম্বর (রবিবার) সিডনির লাকেম্বাস্থ ফাংশন সেন্টারের অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রামী সভাপতি  মো. মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

 বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত সবুজের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্র নেতা বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সিনিয়র সহ সভাপতি কুদরত উল্লাহ লিটন, বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম উদ্দিন আহম্মেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উল ইসলাম তারেক, বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইন্জিনিয়ার মোঃ কামরুল ইসলাম শামীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এএন এম মাসুম, নিউ সাউথ ওয়েলস বিএনপির সভাপতি এসএম রানা সুমন।

আরো বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মৌহাইমেন খান মিশু, বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক জেবল হক জাবেদ, মানবাধিকার সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ,যুবদলের  সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন রাজু, আব্দুল করিম,আব্দুল মজিদ, নূর মোহাম্মদ খান মাসুম, নিউসাউথ ওয়েলস যুবদলের সভাপতি শেখ সাইদ, মতিউর রহমান, জাহিদ আবেদীন,গোলাম রাব্বী শুভ, এম ডি কামরুজ্জামান,জসিম উদ্দিন, কুদ্দুসুর রহমান, নাসির উদ্দিন বাবুল প্রমুখ৷

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই মহান দিনে আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাই, যে চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন, সেই একই চেতনাকে বুকে ধারণ করে খালেদা জিয়াও তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় আবার সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।   

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুদরত উল্লাহ লিটন বলেন, ১৯৭৫ সালে ৭ নভেম্বর না হলে আওয়ামী কখনো আর বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ নামে রাজনীতি করতে পারতো না।                                         

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফ বলেন, বাংলাদেশে আজ কোন গণতন্ত্র নাই মানুষের ভোটাধিকার নাই। তাই দেশনায়ক জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায়  আরেকটি বিপ্লবের অপেক্ষায় ১৭ কোটি জনগন।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস পালন

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়া শাখার উদ্যোগে শনিবার এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেল হত্যা দিবস পালন করা হয়।  বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি মোল্লা মোঃ রাশিদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিনা চৌধুরী মিতার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়ার নতুন কমিটির সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। অতঃপর ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট এবং ৩রা নভেম্বরে শহীদ সকলের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর জেল হত্যা দিবসের প্রেক্ষাপট নিয়ে এক প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী সবাই এই ব্যাপারে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।

এরপর এক তথ্য ও গবেষণামূলক অনলাইন আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিনা চৌধুরী মিতা। তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা করা ছাড়াও বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতার হত্যাকারীদের বিচারের উপর আলোকপাত করেন।

মোল্লা মোঃ রাশিদুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিকতায় একুশে পদক প্রাপ্ত রনেশ মৈত্র, ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ড. সানিয়াত ইসলাম, মেলবোর্ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. মাহবুবুল আলম, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন অস্ট্রেলিয়ার উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার সালেক সুফী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল হক, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাকিল খান, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রশীদা হক কনিকা, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতি এডভোকেট মশিউর মালেক, সংগঠনের সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার নির্মাল্য তালুকদার, সহ-সভাপতি রাশিদুর রহমান তানভীর, বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার ব্রাসেলস এর কো-অর্ডিনেটর জনাব বজলুর রশীদ বুলু, মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ফেলো ড. সজল চৌধুরী, মোঃ রাশেদুজ্জামান, ফাহাদ চৌধুরী, ওয়াসিফ বিন আব্দুল আজিজ, জিনাতুর রেজা খান, ফ্রেন্ডস অফ বাংলাদেশ, রিয়াদ শাখার সভাপতি ড. রেজাউল। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি ইশরার উসমান, নিউ সাউথ ওয়েলস আওয়ামী লীগ নেতা হাসান ফারুক রবিন শিমুন, মাসুদুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান, নুসরাতসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন কুয়েত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দ্বীন ইসলাম মিন্টু। অংশগ্রহণ করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের ইতি টানেন সভাপতি মোল্লা মোঃ রাশিদুল হক।

মানবিকতার পুরস্কার পাচ্ছে সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল

অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশি লেখক ও সাংবাদিকদের সংগঠন সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল মানবিক সহযোগিতায় ভূমিকা পালন করায় কোভিড-১৯ সম্মাননা পুরস্কার পাচ্ছে। আগামী ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় এমিচি ডি কোগারাহ ফাংশন সেন্টারে  অনুষ্ঠিতব্য ‘হিরোস এ্যাওয়ার্ড এন্ড গালা ডিনার নাইট অনুষ্ঠানে নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেয়া হবে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টের সরকারদলীয় এমপি ও সহকারী স্পিকার মার্ক কৌর এবং ইস্ট হিলস এলাকার সরকারদলীয় এমপি উওয়েন্ডি লিন্ডসেসহ প্রায় ১৫০ জন অতিথি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। মোট ১২ টি সংগঠনকে এই সম্মাননা দেয়া হবে। অনুষ্ঠানের কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করছেন ক্যান্টারবারি-ব্যাংকস টাউন সিটি কাউন্সিলের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ শাহে জামান টিটু।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে চাকরিচ্যুত অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি শরণার্থী ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বিদেশি শিক্ষার্থীদের জরুরি সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করে সিডনি প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল। এছাড়াও করোনাভাইরাস থেকে নিরাপদে থাকার জন্য বাংলাদেশের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে সংগঠনটি।

অন্যদিকে, করোনাভাইরাস ইস্যুতে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যায়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিশেষ সহায়তার জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে এই সংগঠনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিশেষ কয়েকটি সুযোগ সুবিধার কথা ঘোষণা করেছে।

বিশ্বভরা প্রাণ এর অভানীয় সাংস্কৃতিক আয়োজন

শতদল তালুকদার: মন মাতানো গান, হৃদপিণ্ড কাপানো কবিতা, নিত্য আর নানা বর্ণের আয়োজন নিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  ‘হৃদয়জুড়ে বিশ্বভরা প্রাণ’  এর ৪র্থ পর্ব  অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বিশ্বভরা প্রাণ  অস্ট্রেলিয়া সিডনি শাখার আয়োজনে অনলাইন ভিত্তিক এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিশ্বভরা প্রাণ এর অস্ট্রেলিয়া সিডনি শাখার সারথিরা। রঙ-ঢঙ সাজসজ্জা আর কবিতা সহ নানা আয়োজনে বর্ণিল হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠান মালা।

দর্শক শ্রোতা আর আয়োজকদের কথামালায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। আয়োজকদের আরো বেশি উৎসাহ যোগাতে এর সাথে যোগ হয় দর্শকদের মনমুগ্ধকর কমেন্টস।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শাখার সভাপতি দেবী সাহা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিশ্বভরা প্রাণ এর কর্ণধার ও বিপিটিভি উপস্থাপক জাহান বশীর। তার মনমুগ্ধকর উপস্থাপনা ও দেবী সাহার আবৃত্তির পরপরই শীর্ষা দত্তের নৃত্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা।

দ্বৈত পরিবেশনায় ছিলেন সন্দীপ ও বিদিশা। দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয় ছোঁয়ার মতো কবিতা আবৃত্তি করেন বিদিশা, শ্রেয়সী দাস, সিনথিয়া রহমান ,সন্দীপ কাঞ্জিলাল ও দেবী সাহা। সংঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী জ্যোতি বিশ্বাস, ডাঃমিহির কুমার হালদার,প্রিয়াঙ্কা রায়,শুক্লা ভক্ত,বিলু সিদ্দিকী,তবলায় শুভাশীষ কর্মকার । আর নৃত্য পরিবেশন করেন মৌতুলি পুততুন্ড।সর্বশেষে মঞ্চ কাঁপিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে দিলেন সঞ্চালক জাহান বশীর, হেমন্ত কন্ঠী ডাঃমিহির কুমার হালদার এবং সিডনী অস্ট্রেলিয়া শাখার সভাপতি বাচিক শিল্পী দেবী সাহা।